ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক ও অপরাধমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ইউপি সদস্য প্রার্থী মাকছুদুর রহমান গোয়ালন্দে মুক্তিযোদ্ধা-রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বোয়ালমারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন আলফাডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর

গোয়ালন্দে যৌনপল্লীর কন্যা শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত

মো. সাজ্জাদ হোসেন-গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী):
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩ ১৭৮ বার পঠিত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ দৌলতদিয়া যৌনপল্লী।

পল্লীর ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে মায়েদের সাথে বসবাস করছে কয়েকশ কন্যা শিশু। যাদের সহজেই যৌনপেশায় জড়িয়ে পড়া অথবা যৌন হয়রানির চরম ঝুঁকি রয়েছে।

এ সকল কন্যা শিশুদের নিরাপদ আবাসনের বিষয় নিয়ে বুধবার সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্হানীয় বেসরকারী সংগঠন মুক্তি মহিলা সমিতি(এমএমএস) এর আয়োজনে আলো প্রোগ্রামের আওতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন(এমজেএফ) এবং গ্লোবাল এ্যাফের্য়াস কানাডার আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এ সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তি মহিলা সমিতির সভানেত্রী শেফালী বেগম।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রুহুল আমিন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সালমা বেগম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা দেওয়ান তোফায়েল হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. ইকবাল হোসেন, এমএমএসের নির্বাহী পরিচালক মর্জিনা বেগম, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য চম্পা বেগম , দৌলতদিয়া মডেল হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক শামকম শেখ, এমএমএসের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর আতাউর রহমান মঞ্জু, এমএমএস আলো প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর আঁখি আক্তার প্রমূখ।

সভায় মুক্তি মহিলা সমিতির নির্বাহী পরিচালক মর্জিনা বেগম বলেন, শিশু আইন ২০১৩ এর ৭৭ নং ধারা অনুযায়ী ৪ বছরের অধিক বয়সী কোন শিশু যৌনপল্লীর ভিতরে অবস্হান করতে পারবে না। কিন্তু এ পল্লীর ৩ শতাধিক এ ধরনের বয়সী শিশু ঝুকিপূর্ণ ভাবে তাদের মায়েদের সাথে পল্লীর ভিতরে দিনরাত সার্বক্ষনিক বসবাস করে। এতে তাদের সহজেই যৌন হয়রানী,যৌন পেশায় নাম লেখানো, মাদকাসক্ত হয়ে পড়াসহ নানাবিধ খারাপ বিষয়ের সাথে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তবে আমরা বিভিন্ন দাতা সংস্হার সহায়তায় ডে কেয়ার ও নাইট কেয়ার নামক দুটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে অর্ধ শতাধিক শিশুকে তুলনামূলক নিরাপদ আবাসনের ব্যাবস্হা করতে পেরেছি। কিন্তু এটা সাময়িক। দাতাদের সাহায্য নির্ভর ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। তাই এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্ত্ব নেয়া দরকার।

সভায় সরকারী কর্মকর্তারা তাদের নিজ নিজ জায়গা হতে পল্লীর অসহায় শিশু ও নারীদের সাহাযার্থে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

গোয়ালন্দে যৌনপল্লীর কন্যা শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৬:১৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ দৌলতদিয়া যৌনপল্লী।

পল্লীর ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে মায়েদের সাথে বসবাস করছে কয়েকশ কন্যা শিশু। যাদের সহজেই যৌনপেশায় জড়িয়ে পড়া অথবা যৌন হয়রানির চরম ঝুঁকি রয়েছে।

এ সকল কন্যা শিশুদের নিরাপদ আবাসনের বিষয় নিয়ে বুধবার সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্হানীয় বেসরকারী সংগঠন মুক্তি মহিলা সমিতি(এমএমএস) এর আয়োজনে আলো প্রোগ্রামের আওতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন(এমজেএফ) এবং গ্লোবাল এ্যাফের্য়াস কানাডার আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এ সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তি মহিলা সমিতির সভানেত্রী শেফালী বেগম।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রুহুল আমিন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সালমা বেগম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা দেওয়ান তোফায়েল হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. ইকবাল হোসেন, এমএমএসের নির্বাহী পরিচালক মর্জিনা বেগম, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য চম্পা বেগম , দৌলতদিয়া মডেল হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক শামকম শেখ, এমএমএসের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর আতাউর রহমান মঞ্জু, এমএমএস আলো প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর আঁখি আক্তার প্রমূখ।

সভায় মুক্তি মহিলা সমিতির নির্বাহী পরিচালক মর্জিনা বেগম বলেন, শিশু আইন ২০১৩ এর ৭৭ নং ধারা অনুযায়ী ৪ বছরের অধিক বয়সী কোন শিশু যৌনপল্লীর ভিতরে অবস্হান করতে পারবে না। কিন্তু এ পল্লীর ৩ শতাধিক এ ধরনের বয়সী শিশু ঝুকিপূর্ণ ভাবে তাদের মায়েদের সাথে পল্লীর ভিতরে দিনরাত সার্বক্ষনিক বসবাস করে। এতে তাদের সহজেই যৌন হয়রানী,যৌন পেশায় নাম লেখানো, মাদকাসক্ত হয়ে পড়াসহ নানাবিধ খারাপ বিষয়ের সাথে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তবে আমরা বিভিন্ন দাতা সংস্হার সহায়তায় ডে কেয়ার ও নাইট কেয়ার নামক দুটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে অর্ধ শতাধিক শিশুকে তুলনামূলক নিরাপদ আবাসনের ব্যাবস্হা করতে পেরেছি। কিন্তু এটা সাময়িক। দাতাদের সাহায্য নির্ভর ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। তাই এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্ত্ব নেয়া দরকার।

সভায় সরকারী কর্মকর্তারা তাদের নিজ নিজ জায়গা হতে পল্লীর অসহায় শিশু ও নারীদের সাহাযার্থে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।