ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক ও অপরাধমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ইউপি সদস্য প্রার্থী মাকছুদুর রহমান গোয়ালন্দে মুক্তিযোদ্ধা-রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বোয়ালমারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন আলফাডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর

ভদ্রা নদীর পরিত্যাক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়েই চলছে যানবাহন, বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা

জাহাঙ্গীর আলম মুকুল-ডুমুরিয়া (খুলনা):
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩ ৫১৯ বার পঠিত

ডুমুরিয়ার চুকনগর ভদ্রা নদীর উপর নির্মিত ব্রিজটি তলদেশ থেকে মাঝ বরাবর ফাটলের ৫ বছর অতিবাহিত হলেও আজও সংস্কার করা হয়নি। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশংঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এতে চুকনগরের সাথে শিল্পনগরী নওয়াপাড়া,দৌলতপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। ফলে খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার ব্যবসায়ীদের সাথে যশোর জেলার ব্যবসায়ীদের (তিন জেলার মানুষের) ব্যবসায়ীক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ যেন দেখার কেউ নেই। প্রতিদিন এ ব্রিজ দিয়ে প্রায় হাজার খানেক পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল করে। দক্ষিণ অঞ্চলের পণ্যবাহী গাড়ী এই ব্রীজ এর উপর দিয়ে শিল্পনগরী নওয়াপাড়া- দৌলতপুর-খালিশপুর-খুলনা শহরে আসা-যাওয়া করে থাকে।
২০১৮ সালে ব্রিজের দুই মাথায় মাঝখানে বিপদ সীমার চিহৃ ও ব্রিজের মাঝ বরাবর দুই পাশে দুটি পিলার জমিয়ে দিয়ে ব্রিজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশেক হাসান।
এদিকে প্রায় ৫ বছর অতিবাহিত হলেও ব্রিজটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় শিল্পনগরী নওয়াপাড়ার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারে বিচ্ছিন্ন হওয়ার শংঙ্কায় এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। তবে অনেকে ব্রিজটির নড়বড়ে অবস্থা অনুভব করে নিরুপায় হয়ে যশোর হয়ে অতিরিক্ত যানবাহন খরচ দিয়ে মালামাল আনা নেয়া করছেন। এতে তারা লাভের পরিবর্তে লোকসানের সম্মুখিন হচ্ছে।
চুকনগর যতিন-কাশেম সড়কে ভদ্রা নদীর উপর ব্রীজটি অত্যান্ত জন গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এই ব্রীজটি সংষ্কার করার জন্য কারোর মাথা ব্যথা নেই।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান নুতন একটি ব্রীজ নির্মাণের নকশা করা হয়েছে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুর হবে।
সরেজমিন দেখা যায় ব্রীজের ফাটল ধরা স্থানে নড়বড়িয়ে পড়েছে যেকোন মুহুর্তে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। তাছাড়া ব্রীজটির দুধারের রেলিং জরাজির্ণ হয়ে পড়েছে সিংহভাগ ভেঙ্গে গেছে এই অবস্থায় যানবাহন চলাচল করছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে। পদ্মা সেতু খুলে দেওয়ার পর থেকে দক্ষিণ অঞ্চলের সকল রুটে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। ফলে চুকনগর-দৌলতপুর সড়কে যানবাহন চলাচলের প্রভাব দিন দিন বেড়ে চলেছে।
এলাকাবাসীর দাবি এই ব্রিজটি খুলনা, যশোর ও সাতক্ষীরা এই ৩টি জেলার সংযোগস্থল হওয়ার
অনতিবিলম্বেএকটি বড়, টেকসই ও মানসম্পন্ন ব্রিজ নির্মাণের।

এবিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ আসিফ রহমান বলেন, ২০১৮ সালে ব্রিজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটা আমার জানা ছিল না। যখন জানতে পারলান আমি বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে নতুন একটি টেকসই ও মানসম্মত ব্রিজ নির্মাণের নকশা ইতিমধ্যে তৈরি করা হয়েছে খুব দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

ভদ্রা নদীর পরিত্যাক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়েই চলছে যানবাহন, বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা

আপডেট সময় : ০৩:৩০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩

ডুমুরিয়ার চুকনগর ভদ্রা নদীর উপর নির্মিত ব্রিজটি তলদেশ থেকে মাঝ বরাবর ফাটলের ৫ বছর অতিবাহিত হলেও আজও সংস্কার করা হয়নি। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশংঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এতে চুকনগরের সাথে শিল্পনগরী নওয়াপাড়া,দৌলতপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। ফলে খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার ব্যবসায়ীদের সাথে যশোর জেলার ব্যবসায়ীদের (তিন জেলার মানুষের) ব্যবসায়ীক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ যেন দেখার কেউ নেই। প্রতিদিন এ ব্রিজ দিয়ে প্রায় হাজার খানেক পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল করে। দক্ষিণ অঞ্চলের পণ্যবাহী গাড়ী এই ব্রীজ এর উপর দিয়ে শিল্পনগরী নওয়াপাড়া- দৌলতপুর-খালিশপুর-খুলনা শহরে আসা-যাওয়া করে থাকে।
২০১৮ সালে ব্রিজের দুই মাথায় মাঝখানে বিপদ সীমার চিহৃ ও ব্রিজের মাঝ বরাবর দুই পাশে দুটি পিলার জমিয়ে দিয়ে ব্রিজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশেক হাসান।
এদিকে প্রায় ৫ বছর অতিবাহিত হলেও ব্রিজটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় শিল্পনগরী নওয়াপাড়ার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারে বিচ্ছিন্ন হওয়ার শংঙ্কায় এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। তবে অনেকে ব্রিজটির নড়বড়ে অবস্থা অনুভব করে নিরুপায় হয়ে যশোর হয়ে অতিরিক্ত যানবাহন খরচ দিয়ে মালামাল আনা নেয়া করছেন। এতে তারা লাভের পরিবর্তে লোকসানের সম্মুখিন হচ্ছে।
চুকনগর যতিন-কাশেম সড়কে ভদ্রা নদীর উপর ব্রীজটি অত্যান্ত জন গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এই ব্রীজটি সংষ্কার করার জন্য কারোর মাথা ব্যথা নেই।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান নুতন একটি ব্রীজ নির্মাণের নকশা করা হয়েছে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুর হবে।
সরেজমিন দেখা যায় ব্রীজের ফাটল ধরা স্থানে নড়বড়িয়ে পড়েছে যেকোন মুহুর্তে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। তাছাড়া ব্রীজটির দুধারের রেলিং জরাজির্ণ হয়ে পড়েছে সিংহভাগ ভেঙ্গে গেছে এই অবস্থায় যানবাহন চলাচল করছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে। পদ্মা সেতু খুলে দেওয়ার পর থেকে দক্ষিণ অঞ্চলের সকল রুটে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। ফলে চুকনগর-দৌলতপুর সড়কে যানবাহন চলাচলের প্রভাব দিন দিন বেড়ে চলেছে।
এলাকাবাসীর দাবি এই ব্রিজটি খুলনা, যশোর ও সাতক্ষীরা এই ৩টি জেলার সংযোগস্থল হওয়ার
অনতিবিলম্বেএকটি বড়, টেকসই ও মানসম্পন্ন ব্রিজ নির্মাণের।

এবিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ আসিফ রহমান বলেন, ২০১৮ সালে ব্রিজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটা আমার জানা ছিল না। যখন জানতে পারলান আমি বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে নতুন একটি টেকসই ও মানসম্মত ব্রিজ নির্মাণের নকশা ইতিমধ্যে তৈরি করা হয়েছে খুব দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু হবে।