রাজবাড়ীর মুলঘরে স্বর্ণালংকার লুট ও মারধরের অভিযোগে ৬ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা
- আপডেট সময় : ১২:৪১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ৩২৭ বার পঠিত

রাজবাড়ী সদর উপজেলার মুলঘর ইউনিয়নের এরেন্দা গ্রামে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট এবং মারধরের অভিযোগে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে আদালতে ডাকাতি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাজবাড়ী সদর আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন এরেন্দা গ্রামের বাসিন্দা এসএম আজাহার আলী। মামলাটি বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪৪৮, ৩২৩, ৩০৭, ৩৫৪, ৩৮০, ৩৯৫, ৩৯৭ ও ৫০৬ ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতের অন্ধকারে নামীয় আসামিসহ একদল সন্ত্রাসী আগ্নেয়াস্ত্র, লোহার রড, রামদা ও বাঁশের লাঠি নিয়ে আজাহার আলীর বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে। এ সময় তারা বাড়ির লোকজনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং লুটপাটের চেষ্টা চালায়।
মামলায় কোলা গ্রামের ইকলাস বিশ্বাসের ছেলে মো. ইমরান বিশ্বাসকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ঘনশ্যামপুর গ্রামের ইমন, গাফফারের ছেলে লাদেন, কোলা গ্রামের কোবাদ বিশ্বাসের ছেলে হাসমত বিশ্বাস, এরেন্দা গ্রামের মৃত ফজের আলীর ছেলে আসিফ এবং বাঘিয়ার ইমরানসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় মামলার ৩ নম্বর সাক্ষী আলেয়া বেগমকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। একই সময় ২ নম্বর সাক্ষী ইব্রাহিম মন্ডলের স্ত্রী তমাকে মারধর করে শোকেসের চাবি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় তার পরনের কাপড় টেনে ছিঁড়ে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে ঘরে থাকা স্বর্ণের চেইন, রুলি, হার, দুটি আংটিসহ প্রায় সোয়া ৯ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার এবং বড়ই বিক্রির ৪৪ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
লুটপাটের সময় বাধা দিলে ইব্রাহিম মন্ডল ও তার স্ত্রী তমাকে এলোপাতাড়ি মারধর এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে তাদের রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মামলার বাদী এসএম আজাহার আলী বলেন, আসামিরা এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তাদের ভয়ে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এদিকে মামলার এক আসামি ইমনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছু বলব না। আপনি আমার পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।”
রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোন্দকার জিয়াউর রহমান জানান,আদালতের নির্দেশনা এখনো হাতে পাননি।আদালতের কপি হাতে পেলে নির্দেশনা মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান তিনি।




















