দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে নাব্যতা সংকটে ফেরি চলাচল ব্যাহত
- আপডেট সময় : ০৮:৪২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৩ ১২১ বার পঠিত

শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই নব্যতা সংকটে কবলে পরেছে দক্ষিণ বঙ্গের প্রবেশদ্বারখ্যাত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌরুট।
রোববার (২৬ নভেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, পদ্মা যমুনার পানি কমে মাঝখানে সরু চর পরে চ্যানেল তৈরির ফলে, দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়াগামী ফেরি দুই থেকে তিন কিলোমিটার ভাটিপথ ঘুরে চলাচল করছে। এতে নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে অধিকতর বেশি সময় লাগছে ফেরি পারাপারে।
আবার এসব চ্যানেলের বিভিন্ন পয়েন্টে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অনেক ডুবোচর। সেখানে প্রয়োজনীয় পানির গভীরতা না থাকায় রো রো (বড়) ফেরিগুলো নির্দিষ্ট চ্যানেল ছেড়ে দুই-তিন কিলোমিটার ভাটিপথ ঘুরে চলাচল করছে। এতে ফেরি পারাপারে সময় লাগছে অনেক বেশি। কিন্তু গত বর্ষায় উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে পলি-বালু জমে নৌ চ্যানেলের দীর্ঘ অংশ অনেকটা ভরাট ও সরু হয়ে গেছে। আবার বর্ষা শেষে নদীতে পানি কমে নৌ চ্যানেলের বিভিন্ন পয়েন্টে ছোট-বড় অনেক ডুবোচর সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিটি রো রো (বড়) ফেরি চলাচলের জন্য কমপক্ষে ৮ ফিট পানির গভীরতা থাকা দরকার। কিন্তু নদীতে পানি কমে যাওয়ায় এই নৌপথের বিভিন্ন পয়েন্টে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় পানির গভীরতা না থাকায় চলাচলকারী বড় ফেরিগুলো নির্দিষ্ট চ্যানেল ছেড়ে গোয়ালন্দ উপজেলার আংকেল শেখেরপাড়া ও শিবালয় উপজেলার নয়াকান্দি এলাকা ঘুরে চলাচল করছে। দুই থেকে তিন কিলোমিটার ভাটিপথ ঘুরে চলাচল করায় ফেরি পারাপারে স্বাভাবিকের চেয়ে বর্তমান সময় অনেক বেশি লেগে যাচ্ছে।
আরিচা অফিসের বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং ইউনিটের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আক্কাস আলী মোল্লা জানান, পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে নব্যতা সংকটের কারণে ইতিমধ্যে ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং করে চ্যানেল সচল রাখা হচ্ছে।
বিআইডাব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. খোরশেদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পদ্মা ও যমুনা নদীর পানি কমে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে নাব্যতা সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তবে, ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নৌ চ্যানেলের বিভিন্ন পয়েন্টে একাধিক ড্রেজার দিয়ে খনন কাজ চালাচ্ছে বিআইডাব্লিউটিএ।


















