ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক ও অপরাধমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ইউপি সদস্য প্রার্থী মাকছুদুর রহমান গোয়ালন্দে মুক্তিযোদ্ধা-রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বোয়ালমারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন আলফাডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর

জামালপুরে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ, এসপিসহ আহত ১২ পুলিশ, আটক ১০

মো: আল আমিন - জামালপুর :
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪ ১০২ বার পঠিত

জামালপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ইট-পাথরের আঘাতে পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামানসহ ১০-১২ জন পুলিশ সদস্য এবং অন্তত ২০ জন সাধারণ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে ১০ জনকে।

বৃহষ্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে জেলা শহরের গেটপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে। পুলিশের বুলেটের আঘাতে বেশকিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হলেও বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে সংবাদ সংগ্রহকালে ডেইলি স্টারের জেলা প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম নিরবসহ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয় আন্দোলনকারীরা। তারা সাংবাদিকদের ক্যামেরা নিয়ে ছবি ও ভিডিও ডিলিট করে দেয়।

এরআগে সকাল থেকে কোটা সংস্কার এবং সারাদেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা শহরের বিভিন্নস্থান থেকে জড়ো হয়ে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে স্টেশন এলাকায় অবস্থান নেয়।

দুপুর ১২টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী জামালপুর রেলওয়ে স্টেশন জংশনে দেওয়ানগঞ্জগামী আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেন অবরোধ করে রাখে। এসময় ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান নেয় এবং শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এসময় অন্তত ২০ জন আন্দোলনকারী আহত হন।

জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহরাব হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। এসময় আন্দোলনকারীরা অতর্কিত ইট-পাটকেল নিক্ষেপসহ হামলা চালায়। এতে পুলিশ সুপারসহ ২০-১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ১০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ট্যাগস :

জামালপুরে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ, এসপিসহ আহত ১২ পুলিশ, আটক ১০

আপডেট সময় : ০৭:২২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

জামালপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ইট-পাথরের আঘাতে পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামানসহ ১০-১২ জন পুলিশ সদস্য এবং অন্তত ২০ জন সাধারণ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে ১০ জনকে।

বৃহষ্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে জেলা শহরের গেটপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে। পুলিশের বুলেটের আঘাতে বেশকিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হলেও বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে সংবাদ সংগ্রহকালে ডেইলি স্টারের জেলা প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম নিরবসহ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয় আন্দোলনকারীরা। তারা সাংবাদিকদের ক্যামেরা নিয়ে ছবি ও ভিডিও ডিলিট করে দেয়।

এরআগে সকাল থেকে কোটা সংস্কার এবং সারাদেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা শহরের বিভিন্নস্থান থেকে জড়ো হয়ে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে স্টেশন এলাকায় অবস্থান নেয়।

দুপুর ১২টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী জামালপুর রেলওয়ে স্টেশন জংশনে দেওয়ানগঞ্জগামী আন্তঃনগর তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেন অবরোধ করে রাখে। এসময় ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান নেয় এবং শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এসময় অন্তত ২০ জন আন্দোলনকারী আহত হন।

জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহরাব হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। এসময় আন্দোলনকারীরা অতর্কিত ইট-পাটকেল নিক্ষেপসহ হামলা চালায়। এতে পুলিশ সুপারসহ ২০-১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ১০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে তিনি জানান।