ঢাকা ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে প্রধান উপদেষ্টা কাছ থেকে স্বর্ণপদক পেলেন পাইকগাছার সফল চিংড়ি চাষী “রিপন”

মোঃ ফসিয়ার রহমান- পাইকগাছা (খুলনা):
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫ ২৯১ বার পঠিত

Oplus_0

“জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫-এ চিংড়ি(বাগদা) উৎপাদন ও দেশের অর্থনীতিতে অবদান এবং নারী -পুরুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির কারণে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন পাইকগাছার গোলাম কিবরিয়া রিপন। তিনি রয়্যাল ফিস ক্যালচার ও রয়্যাল রয়্যাল ফিস ট্রেডিং নামক দুটি প্রতিষ্ঠানের সত্বাধীকারি। গোলাম কিবরিয়া রিপন একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,দানবীর,সমাজ সেবক ও তরুণ উদ্যোক্তা।

গোলাম কিবরিয়া রিপন এর এ অর্জন
যা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয় বরং দেশের মৎস্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা। তাঁর নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও উদ্ভাবনী চিন্তা দেখিয়ে দিয়েছে, তরুণরাই পারে কৃষি ও মৎস্যকে আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিশ্বমানে পৌঁছে দিতে।

বিশ্ববরেণ্য ও নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিত্ব এবং বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ ইউনুসের হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণের মুহূর্তটিই ছিল জাতির জন্য গর্বের,তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার এবং সর্বোপরি খুলনা ও পাইকগাছা মানুষের জন্য বিরল সম্মানের। দানবীর রিপনের এই অর্জন প্রমাণ করে,সঠিক দিকনির্দেশনা ও সাহস এবং পরিশ্রম থাকলে যেকোনো ক্ষেত্রেই সাফল্য অর্জন সম্ভব।

তিনি শুধু চিংড়ি উৎপাদন করেননি, বরং একটি টেকসই ও রপ্তানিমুখী মডেল তৈরি করেছেন যা অন্যদের জন্য পথ প্রদর্শক।
তাঁর উদ্যোগে স্থানীয় কর্মসংস্থান বেড়েছে এছাড়াও নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার হয়েছে। এই পদক তাঁর স্বপ্নের স্বীকৃতি এবং ভবিষ্যতের আরও বড় অর্জনের পূর্বাভাস। সফল ব্যবসায়ী রিপনের মতো তরুণরাও আমাদের দেখিয়ে দেয়, গ্রামই হতে পারে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। তাঁর সাফল্য দেশের তরুণদের আহ্বান জানায়, তরুণদের পাশে দাঁড়াও, তাদের স্বপ্নে বিনিয়োগ করো। মৎস্য খাতে প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের যে সম্ভাবনা রয়েছে, রিপন তা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।
এই অর্জন শুধু একটি পদক নয়, এটি একটি বার্তা, বাংলাদেশ প্রস্তুত, তরুণরাই চালকের আসনে। তাঁর মতো উদ্যোক্তারা আমাদের অর্থনীতিকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে পারে।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে তার স্বর্ণপদক সকলকে মনে করিয়ে দেয়, সাফল্য আসে সাহস ও শ্রমের সমন্বয়ে। আর তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে প্রয়োজন সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও নীতিগত সহায়তা। যা গোলাম কিবরিয়া রিপন দেখিয়ে দিয়েছেন যে , স্বপ্ন দেখো, কাজ করো “সাফল্য তোমার অপেক্ষায়, তোমরাও পারবে”।

উল্লেখ্য: সোমবার সকালে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস এর কাছ থেকে তিনি এ পদক গ্রহণ করেন। গোলাম কিবরিয়া রিপনের পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় রয়েছে রয়েছে ৭ শতাধিক বিঘার চিংড়ী ঘের। যেখানে তিনি চাষ করেছেন বাগদা চিংড়ী এছাড়াও গলদা, হরিনা, চাকা চিংড়ীসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ । তার ঘের সমুহে ব্যাপক চিংড়ী উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন। সরকার তার থেকে আয় করছে প্রচুর রাজস্ব।

এ দিকে তিনি জাতীয় স্বর্ণপদক পাওয়ায় বিভিন্ন ভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকবৃন্দসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে প্রধান উপদেষ্টা কাছ থেকে স্বর্ণপদক পেলেন পাইকগাছার সফল চিংড়ি চাষী “রিপন”

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

“জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫-এ চিংড়ি(বাগদা) উৎপাদন ও দেশের অর্থনীতিতে অবদান এবং নারী -পুরুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির কারণে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন পাইকগাছার গোলাম কিবরিয়া রিপন। তিনি রয়্যাল ফিস ক্যালচার ও রয়্যাল রয়্যাল ফিস ট্রেডিং নামক দুটি প্রতিষ্ঠানের সত্বাধীকারি। গোলাম কিবরিয়া রিপন একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,দানবীর,সমাজ সেবক ও তরুণ উদ্যোক্তা।

গোলাম কিবরিয়া রিপন এর এ অর্জন
যা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয় বরং দেশের মৎস্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা। তাঁর নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও উদ্ভাবনী চিন্তা দেখিয়ে দিয়েছে, তরুণরাই পারে কৃষি ও মৎস্যকে আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিশ্বমানে পৌঁছে দিতে।

বিশ্ববরেণ্য ও নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিত্ব এবং বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ ইউনুসের হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণের মুহূর্তটিই ছিল জাতির জন্য গর্বের,তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার এবং সর্বোপরি খুলনা ও পাইকগাছা মানুষের জন্য বিরল সম্মানের। দানবীর রিপনের এই অর্জন প্রমাণ করে,সঠিক দিকনির্দেশনা ও সাহস এবং পরিশ্রম থাকলে যেকোনো ক্ষেত্রেই সাফল্য অর্জন সম্ভব।

তিনি শুধু চিংড়ি উৎপাদন করেননি, বরং একটি টেকসই ও রপ্তানিমুখী মডেল তৈরি করেছেন যা অন্যদের জন্য পথ প্রদর্শক।
তাঁর উদ্যোগে স্থানীয় কর্মসংস্থান বেড়েছে এছাড়াও নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার হয়েছে। এই পদক তাঁর স্বপ্নের স্বীকৃতি এবং ভবিষ্যতের আরও বড় অর্জনের পূর্বাভাস। সফল ব্যবসায়ী রিপনের মতো তরুণরাও আমাদের দেখিয়ে দেয়, গ্রামই হতে পারে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। তাঁর সাফল্য দেশের তরুণদের আহ্বান জানায়, তরুণদের পাশে দাঁড়াও, তাদের স্বপ্নে বিনিয়োগ করো। মৎস্য খাতে প্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের যে সম্ভাবনা রয়েছে, রিপন তা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।
এই অর্জন শুধু একটি পদক নয়, এটি একটি বার্তা, বাংলাদেশ প্রস্তুত, তরুণরাই চালকের আসনে। তাঁর মতো উদ্যোক্তারা আমাদের অর্থনীতিকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে পারে।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে তার স্বর্ণপদক সকলকে মনে করিয়ে দেয়, সাফল্য আসে সাহস ও শ্রমের সমন্বয়ে। আর তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে প্রয়োজন সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও নীতিগত সহায়তা। যা গোলাম কিবরিয়া রিপন দেখিয়ে দিয়েছেন যে , স্বপ্ন দেখো, কাজ করো “সাফল্য তোমার অপেক্ষায়, তোমরাও পারবে”।

উল্লেখ্য: সোমবার সকালে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস এর কাছ থেকে তিনি এ পদক গ্রহণ করেন। গোলাম কিবরিয়া রিপনের পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় রয়েছে রয়েছে ৭ শতাধিক বিঘার চিংড়ী ঘের। যেখানে তিনি চাষ করেছেন বাগদা চিংড়ী এছাড়াও গলদা, হরিনা, চাকা চিংড়ীসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ । তার ঘের সমুহে ব্যাপক চিংড়ী উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন। সরকার তার থেকে আয় করছে প্রচুর রাজস্ব।

এ দিকে তিনি জাতীয় স্বর্ণপদক পাওয়ায় বিভিন্ন ভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকবৃন্দসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।