ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

খানসামায় বিচার ও হামলাকারীদের বহিষ্কারের দাবিতে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

মোঃ লায়ন ইসলাম,খানসামা (দিনাজপুর) :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫ ২০৫ বার পঠিত

Oplus_131072

দিনাজপুরের খানসামায় বিএনপির শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশে হামলার ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, দিনাজপুর-৪ (খানসামা-চিরিরবন্দর) আসনের বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশ কর্ণেল (অবঃ) মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর ওউপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দরা। শনিবার (১২ জুলাই) শনিবার সকালে খানসামা উপজেলার চৌধুরী রাইস মিল চত্বরে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।  উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, হামলায় আহত নেতাকর্মীরাসহ অনেকে। এ সময় আহতরা শারীরিক আঘাতের চিহ্ন ও ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, দিনাজপুর-৪ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী (অব.) কর্ণেল মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন, “গতকাল (১১ জুলাই) কেন্দ্র ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে কাচিনিয়া বাজারে আয়োজিত একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। এই হামলার নেতৃত্ব দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান মিয়া এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভাবকী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল আলম তুহিন।”তিনি আরও জানান, ওই হামলায় তিনিসহ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। তাদের অনেককে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিতে হয়। হামলাকারীরা লাঠি, রড, পাইপ ও ইটপাটকেল ব্যবহার করে ভাংচুর চালায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শতাধিক মোটরসাইকেল।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, “ঘটনার সময় পুলিশকে অবগত করারপরও ইচ্ছাকৃত ভাবে অনেক সময় ক্ষেপন করেন।  অথচ যদি আগেভাগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হতো, তাহলে এ ন্যাক্কারজনক হামলা এড়ানো যেত।”স্থানীয় বিএনপি নেতারা এ ঘটনায় অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কারের দাবি জানান। তারা বলেন, “বিএনপি কখনোই সহিংস রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। যারা দলের মধ্যে থেকে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, তাদের বিচারের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।”সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা, আহত নেতাকর্মীরা, স্থানীয় সাংবাদিক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। আহতদের মধ্যে কয়েকজন সংবাদ সম্মেলনে তাদের মাথা, হাত ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে হামলার নির্মমতা তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নেতারা দলীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

খানসামায় বিচার ও হামলাকারীদের বহিষ্কারের দাবিতে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৩:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

দিনাজপুরের খানসামায় বিএনপির শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশে হামলার ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, দিনাজপুর-৪ (খানসামা-চিরিরবন্দর) আসনের বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশ কর্ণেল (অবঃ) মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর ওউপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দরা। শনিবার (১২ জুলাই) শনিবার সকালে খানসামা উপজেলার চৌধুরী রাইস মিল চত্বরে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।  উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, হামলায় আহত নেতাকর্মীরাসহ অনেকে। এ সময় আহতরা শারীরিক আঘাতের চিহ্ন ও ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, দিনাজপুর-৪ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী (অব.) কর্ণেল মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন, “গতকাল (১১ জুলাই) কেন্দ্র ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে কাচিনিয়া বাজারে আয়োজিত একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। এই হামলার নেতৃত্ব দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান মিয়া এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভাবকী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল আলম তুহিন।”তিনি আরও জানান, ওই হামলায় তিনিসহ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। তাদের অনেককে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিতে হয়। হামলাকারীরা লাঠি, রড, পাইপ ও ইটপাটকেল ব্যবহার করে ভাংচুর চালায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শতাধিক মোটরসাইকেল।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, “ঘটনার সময় পুলিশকে অবগত করারপরও ইচ্ছাকৃত ভাবে অনেক সময় ক্ষেপন করেন।  অথচ যদি আগেভাগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হতো, তাহলে এ ন্যাক্কারজনক হামলা এড়ানো যেত।”স্থানীয় বিএনপি নেতারা এ ঘটনায় অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কারের দাবি জানান। তারা বলেন, “বিএনপি কখনোই সহিংস রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। যারা দলের মধ্যে থেকে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, তাদের বিচারের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।”সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা, আহত নেতাকর্মীরা, স্থানীয় সাংবাদিক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। আহতদের মধ্যে কয়েকজন সংবাদ সম্মেলনে তাদের মাথা, হাত ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে হামলার নির্মমতা তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নেতারা দলীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।