ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

খাগড়াছগিতে প্রথমবারের মতো ‘সমলয় চাষাবাদ’ পদ্ধতিতে বোরো (হাইব্রিড) ধান রোপন

মো: আরিফুল ইসলাম-খাগড়াছড়ি:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪ ৫৩৮ বার পঠিত

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বোরো (হাইব্রিড) ধানের ফলন বাড়াতে ‘সমলয় চাষাবাদ’ পদ্ধতিতে বোরো হাইব্রিড ধানের চারা রোপন শুরু করেছেন কৃষকরা। নতুন এ চাষাবাদ পদ্ধতি পাহাড়ের কৃষকদের মাঝে বেশ সাড়া জাগিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে মাটিরাঙ্গার সীমান্তঘেঁষা তবলছড়িতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদ্ধতিতে বোরো ( হাইব্রিড) ধানের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ তপন কুমার পাল। মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি বিভাগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

‘সমলয় চাষাবাদ’ পদ্ধতিতে বোরো (হাইব্রিড) ধানের চারা রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সুবিধাভোগী কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ তপন কুমার পাল।

খাগাড়ছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ কিশোর কুমার মজুমদার‘র সভাপতিত্বে ও উপ-সহকারী কৃষি অফিসার এম নুর মোহাম্মদ এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সবুজ আলী।

কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ তপন কুমার পাল বলেন, মানুষ বাড়লেও, বাড়ছে না কৃষি জমি। তাই স্বল্প জমিতে অধিক ধান উৎপাদন করে মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে হবে- কৃষি মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনায় খাগাড়ছড়ির মাটিরাঙ্গায় প্রথমবারের মতো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষাবাদ শুরু করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষন অফিসার কৃষিবিদ মো. বাছিরুল আলম, গুইমারা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ওঙ্কার বিশ্বাস, রামগড় উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মিজানুর রহমান, মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. কামরুল হাসান, মহালছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, কৃষি প্রকৌশলী দেবাশীষ চাকমা, বিনা সাব স্টেশন সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অংহ্লা মারমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সিংহপাড়া গ্রামের কৃষক হায়দার আলী জানান, সমলয়ে চাষাবাদে আগে কখনও বোরো ধান করা হয়নি। স্থানীয় কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় এই প্রথমে বোরো ধানের চারা রোপন করা হচ্ছে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়তো ভালো ফলন পাওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত, সমলয় চাষাবাদে সনাতন পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি না করে প্লাস্টিকের ফ্রেম বা ট্রেতে (গত ১৯/১২/২৩ মঙ্গলবারে) বীজ বপন করা হয়েছে। এরপর বীজ ছিটিয়ে পুনরায় অর্ধেক মাটি ও গোবর মিশ্রণ দিয়ে সমতল জায়গায় রেখে পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হয়। বীজতলা তৈরির ৩ দিনের মধ্যে অঙ্কুর বের হয়ে যায়। ২০-২৫ দিনের মধ্যে চারা উৎপাদন করা যায়। পরবর্তীতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপণ করা হয়।

এর আগে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মাটিরাঙ্গা উপজেলার কৃষি অফিসার ও উপ সহকারী কৃষি অফিসার বৃন্দ।

খাগড়াছগিতে প্রথমবারের মতো ‘সমলয় চাষাবাদ’ পদ্ধতিতে বোরো (হাইব্রিড) ধান রোপন

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৪

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বোরো (হাইব্রিড) ধানের ফলন বাড়াতে ‘সমলয় চাষাবাদ’ পদ্ধতিতে বোরো হাইব্রিড ধানের চারা রোপন শুরু করেছেন কৃষকরা। নতুন এ চাষাবাদ পদ্ধতি পাহাড়ের কৃষকদের মাঝে বেশ সাড়া জাগিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে মাটিরাঙ্গার সীমান্তঘেঁষা তবলছড়িতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদ্ধতিতে বোরো ( হাইব্রিড) ধানের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ তপন কুমার পাল। মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি বিভাগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

‘সমলয় চাষাবাদ’ পদ্ধতিতে বোরো (হাইব্রিড) ধানের চারা রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সুবিধাভোগী কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ তপন কুমার পাল।

খাগাড়ছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ কিশোর কুমার মজুমদার‘র সভাপতিত্বে ও উপ-সহকারী কৃষি অফিসার এম নুর মোহাম্মদ এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সবুজ আলী।

কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ তপন কুমার পাল বলেন, মানুষ বাড়লেও, বাড়ছে না কৃষি জমি। তাই স্বল্প জমিতে অধিক ধান উৎপাদন করে মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে হবে- কৃষি মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনায় খাগাড়ছড়ির মাটিরাঙ্গায় প্রথমবারের মতো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষাবাদ শুরু করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষন অফিসার কৃষিবিদ মো. বাছিরুল আলম, গুইমারা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ওঙ্কার বিশ্বাস, রামগড় উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মিজানুর রহমান, মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. কামরুল হাসান, মহালছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, কৃষি প্রকৌশলী দেবাশীষ চাকমা, বিনা সাব স্টেশন সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অংহ্লা মারমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সিংহপাড়া গ্রামের কৃষক হায়দার আলী জানান, সমলয়ে চাষাবাদে আগে কখনও বোরো ধান করা হয়নি। স্থানীয় কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় এই প্রথমে বোরো ধানের চারা রোপন করা হচ্ছে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়তো ভালো ফলন পাওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত, সমলয় চাষাবাদে সনাতন পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি না করে প্লাস্টিকের ফ্রেম বা ট্রেতে (গত ১৯/১২/২৩ মঙ্গলবারে) বীজ বপন করা হয়েছে। এরপর বীজ ছিটিয়ে পুনরায় অর্ধেক মাটি ও গোবর মিশ্রণ দিয়ে সমতল জায়গায় রেখে পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হয়। বীজতলা তৈরির ৩ দিনের মধ্যে অঙ্কুর বের হয়ে যায়। ২০-২৫ দিনের মধ্যে চারা উৎপাদন করা যায়। পরবর্তীতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপণ করা হয়।

এর আগে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মাটিরাঙ্গা উপজেলার কৃষি অফিসার ও উপ সহকারী কৃষি অফিসার বৃন্দ।