ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক ও অপরাধমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ইউপি সদস্য প্রার্থী মাকছুদুর রহমান গোয়ালন্দে মুক্তিযোদ্ধা-রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বোয়ালমারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন আলফাডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর

পাইকগাছায় পাবলিক লাইব্রেরি ও জাদুঘরটি দেখভালের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে করুণাবস্থা দেখার কেউ নেই 

মোঃ ফসিয়ার রহমান, পাইকগাছা (খুলনা):
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯৮ বার পঠিত

” খুলনার পাইকগাছা উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরী ও জাদুঘরের করুণাবস্থা। সরকার নিয়নন্ত্রিত এ প্রতিষ্ঠানটি ১০-১৫ বছর যাবৎ হয়ে পড়েছে পাঠক ও দর্শণার্থী শুন্য। 
পাবলিক লাইব্রেরি ও  জাদুঘরটি দেখভালের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে করুণাবস্থা দেখা দিয়েছে।  প্রতিবছর  এটা পুর্বের অবস্থায় নেয়া হবে এমন আশ্বাসের কমতি নেই। কিন্তু ১০-১৫ বছরেও

পূর্বে সংস্কার ও আধুনিকায়নের আশ্বাস মিললেও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এক সময় শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী ও সাধারণ পাঠকদের পদচারণায় মুখরিত এই জ্ঞানকেন্দ্র এখন পরিণত হয়েছে অব্যবহৃত ও ধুলোবালিতে ঢেকে থাকা এক নিস্তব্ধ ভবনে।

 উপজেলার একমাত্র সরকারি পাঠাগারে বোবা কান্না দেখা বা শোনার কেউ নেই।  পাইকগাছা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে ১৯৮৫ সালে পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী প্রতিষ্ঠা করেন। যার আজীবন সদস্য ১৪৬ জন ও সাধারণ সদস্য ৯৩৮ জন। দু’শ বই নিয়ে শুরু হয় এর যাত্রা। পরবর্তীতে যার সংখ্যা ছিল ৫ হাজার। ে  কয়েক বছর যাবৎ প্রতিষ্ঠানটি নামে থাকলেও বাস্তবে এর অবকাঠামো থেকে  সব কিছু বিনষ্ট হয়ে গেছে। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে লাইব্রেরিতে নতুন কোন বই পুস্তক দেয়া হয়নি। 

পুরাতন বইগুলো  নষ্ট ও হারিয়ে গেছে। সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানটি পাইকগাছা পৌরসভা ১৯৯৯ সালে অলিখিতভাবে উপজেলা প্রশাসন থেকে থেকে নিজেরা নিয়ন্ত্রণ নেয়। কিন্তু পৌর কতৃপক্ষের  দায়িত্বহীনতার কারণে লাইব্রেরি ও জাদুঘরটি  ধ্বংস হয়ে গেছে। ভাঙ্গা আলমারী ও  ময়লা আবর্জনা ভরা। যেখানে ইদুর ও পোকা মাকড়ে বাসা বেঁধেছে। 

মাষ্টার রোলে দায়িত্বে থাকা লাইব্রেরিয়ান শেখ রাকিব সিফাত বলেন, আমি আছি না থাকার মতো।লাইব্রেরি ও যাদুঘরের করুণ অবস্থা। 

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন,লাইব্রেরী ও যাদুঘরটি যাতে পুনর্জীবিত করা যায় সে ব্যাপারে  পদক্ষেপ নেয়া হবে।

পাইকগাছায় পাবলিক লাইব্রেরি ও জাদুঘরটি দেখভালের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে করুণাবস্থা দেখার কেউ নেই 

আপডেট সময় : ০৬:৫১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

” খুলনার পাইকগাছা উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরী ও জাদুঘরের করুণাবস্থা। সরকার নিয়নন্ত্রিত এ প্রতিষ্ঠানটি ১০-১৫ বছর যাবৎ হয়ে পড়েছে পাঠক ও দর্শণার্থী শুন্য। 
পাবলিক লাইব্রেরি ও  জাদুঘরটি দেখভালের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে করুণাবস্থা দেখা দিয়েছে।  প্রতিবছর  এটা পুর্বের অবস্থায় নেয়া হবে এমন আশ্বাসের কমতি নেই। কিন্তু ১০-১৫ বছরেও

পূর্বে সংস্কার ও আধুনিকায়নের আশ্বাস মিললেও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এক সময় শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী ও সাধারণ পাঠকদের পদচারণায় মুখরিত এই জ্ঞানকেন্দ্র এখন পরিণত হয়েছে অব্যবহৃত ও ধুলোবালিতে ঢেকে থাকা এক নিস্তব্ধ ভবনে।

 উপজেলার একমাত্র সরকারি পাঠাগারে বোবা কান্না দেখা বা শোনার কেউ নেই।  পাইকগাছা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে ১৯৮৫ সালে পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী প্রতিষ্ঠা করেন। যার আজীবন সদস্য ১৪৬ জন ও সাধারণ সদস্য ৯৩৮ জন। দু’শ বই নিয়ে শুরু হয় এর যাত্রা। পরবর্তীতে যার সংখ্যা ছিল ৫ হাজার। ে  কয়েক বছর যাবৎ প্রতিষ্ঠানটি নামে থাকলেও বাস্তবে এর অবকাঠামো থেকে  সব কিছু বিনষ্ট হয়ে গেছে। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে লাইব্রেরিতে নতুন কোন বই পুস্তক দেয়া হয়নি। 

পুরাতন বইগুলো  নষ্ট ও হারিয়ে গেছে। সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানটি পাইকগাছা পৌরসভা ১৯৯৯ সালে অলিখিতভাবে উপজেলা প্রশাসন থেকে থেকে নিজেরা নিয়ন্ত্রণ নেয়। কিন্তু পৌর কতৃপক্ষের  দায়িত্বহীনতার কারণে লাইব্রেরি ও জাদুঘরটি  ধ্বংস হয়ে গেছে। ভাঙ্গা আলমারী ও  ময়লা আবর্জনা ভরা। যেখানে ইদুর ও পোকা মাকড়ে বাসা বেঁধেছে। 

মাষ্টার রোলে দায়িত্বে থাকা লাইব্রেরিয়ান শেখ রাকিব সিফাত বলেন, আমি আছি না থাকার মতো।লাইব্রেরি ও যাদুঘরের করুণ অবস্থা। 

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন,লাইব্রেরী ও যাদুঘরটি যাতে পুনর্জীবিত করা যায় সে ব্যাপারে  পদক্ষেপ নেয়া হবে।