ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

নান্দাইলে অসহায় হত দরিদ্র কিশোরী সাদিয়ার আকুতি সুস্হ্য হয়ে পুনরায় লেখাপড়া করতে চায়

মোঃ মোখলেছুর রহমান-নান্দাইল (ময়মনসিংহ):
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩ ১১২২ বার পঠিত

আমি সকলের কাছে একটু দয়া চাই ও সহযোগিতা চাই, আমি সুস্থ্য হয়ে পুনরায় লেখাপড়া করতে চাই আবার স্কুলে যেতে চাই। বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে কোমরে ও মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত সাদিয়া আক্তার (১৬) এভাবেই কথা গুলো বলছে ।

ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার ১৩ নং চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের ও মোছাঃ হাজেরা খাতুনের মেয়ে সাদিয়ার।
সে বসত ঘরের পাশে একটি জাম্বুরা গাছে পুরাতন শাড়ী দিয়ে একটি দোলনা বানিয়ে খেলা করার সময় হঠাৎ ছিরে নীচে পড়ে গিয়ে কোমর ও মেরুদন্ডে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে চিৎকার শুরু করলে তার মা ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করলে ঢাকা মেডিফেয়ার হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার জানান তার পুরোপুরি সুস্থ হতে ৫/৭ লক্ষ টাকা লাগবে।

এদিকে সাদিয়ার মা বিধবা হাজেরা খাতুন বলেন আমার স্বামী ৮ বছর আগে মারা যায়। আমি ৪টি মেয়ে ১টি ছেলেকে নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করে আসছি। আমার একমাত্র ছেলে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে কোন প্রকার বেঁচে আছি।

বর্তমানে ছেলে একটি মাহিন্দ্র গাড়ির গেরেজে কাজ করে ৬ জনের সংসার অনাহারে অর্ধাহারে চালিয়ে আসছে। সংসারের খরচ মেটাতে না পারায় সাদিয়াকে তার নানার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হলে সেখানে একটি মাদ্রাসায় মক্তব শাখায় ২/৩ বৎসর পড়াশোনা করে কোরআন শরীফ পড়ে ।তখনি নানীর বাড়িতে সংসারে অভাব দেখা দেওয়ায় চলে আসে বাড়িতে।গত তিন মাস পূর্বে সাদিয়া দোলনা থেকে পড়ে গিয়ে কোমর ও মেরুদন্ডে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে আর অজর ধারায় কাঁদছে।

প্রতিবেশী রেনু বলেন ,এত সুন্দর ফুটফুটে মেয়েটি আজ অসহায়। আমরা প্রাথমিক অবস্থায় সকলে মিলে তার চিকিৎসা করেছি। এখন ৫/৭ লক্ষ টাকা লাগবে এত টাকা কোথায় পাবে একমাত্র সম্বল বাড়ি ভিটা ।খুব সুন্দর ফুটফুটে মেয়েটার টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছিনা। সাদিয়ার মা আকুতি মিনতি করে বলেন দয়া করে আপনারা আমার মেয়েটাকে বাচাতে একটু সহযোগিতা করুন ০১৬৩১ ৩২৮৮১০ এই নম্বরে।মেয়েটি আবার সুস্থ হয়ে যাতে স্কুলে যেতে পারে পড়াশোনা করতে পারে। সাদিয়ার জীবন বাঁচাতে ও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ সহ ‌সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন অসহায় পরিবারটি।

নান্দাইলে অসহায় হত দরিদ্র কিশোরী সাদিয়ার আকুতি সুস্হ্য হয়ে পুনরায় লেখাপড়া করতে চায়

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩

আমি সকলের কাছে একটু দয়া চাই ও সহযোগিতা চাই, আমি সুস্থ্য হয়ে পুনরায় লেখাপড়া করতে চাই আবার স্কুলে যেতে চাই। বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে কোমরে ও মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত সাদিয়া আক্তার (১৬) এভাবেই কথা গুলো বলছে ।

ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার ১৩ নং চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের ও মোছাঃ হাজেরা খাতুনের মেয়ে সাদিয়ার।
সে বসত ঘরের পাশে একটি জাম্বুরা গাছে পুরাতন শাড়ী দিয়ে একটি দোলনা বানিয়ে খেলা করার সময় হঠাৎ ছিরে নীচে পড়ে গিয়ে কোমর ও মেরুদন্ডে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে চিৎকার শুরু করলে তার মা ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করলে ঢাকা মেডিফেয়ার হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার জানান তার পুরোপুরি সুস্থ হতে ৫/৭ লক্ষ টাকা লাগবে।

এদিকে সাদিয়ার মা বিধবা হাজেরা খাতুন বলেন আমার স্বামী ৮ বছর আগে মারা যায়। আমি ৪টি মেয়ে ১টি ছেলেকে নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করে আসছি। আমার একমাত্র ছেলে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে কোন প্রকার বেঁচে আছি।

বর্তমানে ছেলে একটি মাহিন্দ্র গাড়ির গেরেজে কাজ করে ৬ জনের সংসার অনাহারে অর্ধাহারে চালিয়ে আসছে। সংসারের খরচ মেটাতে না পারায় সাদিয়াকে তার নানার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হলে সেখানে একটি মাদ্রাসায় মক্তব শাখায় ২/৩ বৎসর পড়াশোনা করে কোরআন শরীফ পড়ে ।তখনি নানীর বাড়িতে সংসারে অভাব দেখা দেওয়ায় চলে আসে বাড়িতে।গত তিন মাস পূর্বে সাদিয়া দোলনা থেকে পড়ে গিয়ে কোমর ও মেরুদন্ডে প্রচন্ড আঘাত পেয়ে বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে আর অজর ধারায় কাঁদছে।

প্রতিবেশী রেনু বলেন ,এত সুন্দর ফুটফুটে মেয়েটি আজ অসহায়। আমরা প্রাথমিক অবস্থায় সকলে মিলে তার চিকিৎসা করেছি। এখন ৫/৭ লক্ষ টাকা লাগবে এত টাকা কোথায় পাবে একমাত্র সম্বল বাড়ি ভিটা ।খুব সুন্দর ফুটফুটে মেয়েটার টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারছিনা। সাদিয়ার মা আকুতি মিনতি করে বলেন দয়া করে আপনারা আমার মেয়েটাকে বাচাতে একটু সহযোগিতা করুন ০১৬৩১ ৩২৮৮১০ এই নম্বরে।মেয়েটি আবার সুস্থ হয়ে যাতে স্কুলে যেতে পারে পড়াশোনা করতে পারে। সাদিয়ার জীবন বাঁচাতে ও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ সহ ‌সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন অসহায় পরিবারটি।