ঢাকা ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমবায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে দ্রুত আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে গড়ে তোলা যাবে- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ খোকসা জনতা ব্যাংক থেকে জাল স্বাক্ষর করে দুই লাখ সত্তর হাজার টাকা উত্তলোনের অভিযোগ আলফাডাঙ্গায় নানা আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন সালথায় সমবায় দিবসের সভায় সমিতির কার্যক্রম নিয়ে নীরব কর্মকর্তা, অতিথিদের ক্ষোভ মথুরাপুরে ফরজ উল্লাহর পক্ষে ৪৩৫ মোটরসাইকেলের বিশাল শোডাউন মাদক ও অপরাধমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ইউপি সদস্য প্রার্থী মাকছুদুর রহমান গোয়ালন্দে মুক্তিযোদ্ধা-রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বোয়ালমারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন আলফাডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা

জোয়ারে নিমজ্জিত সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্র

সৈকত মন্ডল-বাগেরহাট:
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮৮ বার পঠিত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও চলতি পূর্ণিমার গোনের প্রভাবে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট পানি বেড়েছে সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন নদী ও খালে।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরের জোয়ারে তলিয়েছে করমজলসহ বেশ কিছু এলাকা। তবে এতে কোনো প্রাণীর ক্ষয়ক্ষতি ও পর্যটকদের পোহাতে হয়নি কোন ভোগান্তি বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। জোয়ারের পানিতে ভিজে পর্যটকটা বাড়তি আনন্দ উপভোগ করেছেন। তবে সুন্দরবনের কটকা ও কচিকালী এলাকা প্রায় চার ফুট পানিতে তলিয়েছে। পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে সুন্দরবনের দুবলার চরও।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির এসব জানান।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে জোয়ারের পানি এভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করমজলসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পর্যটকরা এ পানিতে ভিজে বাড়তি আনন্দ উপভোগ করছে। ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে বন্যপ্রাণীর আশ্রয়ের জন্য বনের ভেতরের বিভিন্ন জায়গায় উঁচু টিলা তৈরির কারণে বনের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পেলে বন্যপ্রাণীরা সেসব টিলায় গিয়ে আশ্রয় নিয়ে থাকে।

জোয়ারে নিমজ্জিত সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দ্র

আপডেট সময় : ০৫:৫০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও চলতি পূর্ণিমার গোনের প্রভাবে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট পানি বেড়েছে সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন নদী ও খালে।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরের জোয়ারে তলিয়েছে করমজলসহ বেশ কিছু এলাকা। তবে এতে কোনো প্রাণীর ক্ষয়ক্ষতি ও পর্যটকদের পোহাতে হয়নি কোন ভোগান্তি বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। জোয়ারের পানিতে ভিজে পর্যটকটা বাড়তি আনন্দ উপভোগ করেছেন। তবে সুন্দরবনের কটকা ও কচিকালী এলাকা প্রায় চার ফুট পানিতে তলিয়েছে। পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে সুন্দরবনের দুবলার চরও।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির এসব জানান।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে জোয়ারের পানি এভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করমজলসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পর্যটকরা এ পানিতে ভিজে বাড়তি আনন্দ উপভোগ করছে। ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে বন্যপ্রাণীর আশ্রয়ের জন্য বনের ভেতরের বিভিন্ন জায়গায় উঁচু টিলা তৈরির কারণে বনের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পেলে বন্যপ্রাণীরা সেসব টিলায় গিয়ে আশ্রয় নিয়ে থাকে।