ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক ও অপরাধমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ইউপি সদস্য প্রার্থী মাকছুদুর রহমান গোয়ালন্দে মুক্তিযোদ্ধা-রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বোয়ালমারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন আলফাডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর

গোয়ালন্দে ড্রেজিংয়ের খালে ডুবে চতুর্থ শ্রেনীর স্কুল শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

মো. সাজ্জাদ হোসেন-গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী):
  • আপডেট সময় : ০৯:০১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুন ২০২৩ ৪২১ বার পঠিত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ড্রেজিংয়ের খালে ডুবে আহাদ ফকির ওরফে রাতুল (১০) নামে চতুর্থ শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

সে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের নতুন ময়ছের মাতুব্বর পাড়ার বাসিন্দা কাঠমিস্ত্রী মিলন ফকিরের একমাত্র ছেলে।

রাতুল গোয়ালন্দের লোটাস কলেজিয়েট স্কুলের চতুর্থ শ্রেনীর কপোতাক্ষ শাখার ছাত্র।

স্হানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্কুল বন্ধ থাকায় রাতুল বুধবার (৭ জুন) দুপুর ২ টার দিকে খেলাধুলা শেষে গ্রামের খেলার সাথীদের সাথে বাড়ির পাশের মরা পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায়। নদীর অধিকাংশ এলাকা শুষ্ক থাকায় তারা সকলে মিলে কাছাকাছি একটি গভীর খালে নামে। ড্রেজিং করে মাটি তোলায় সেখানে এ খালের সৃষ্টি হয়।

রাতুলের বন্ধু হাসান,জুবায়ের, সৌরভসহ কয়েকজন জানায়, রাতুল সাঁতার জানত না। ও পানির কিনারেই ছিল। কিন্তু সম্ভবত কাঁদায় পা পিছলে গভীর পানিতে চলে যায়। আমরা ভেবেছিলাম সে গোছলের জন্যই ডুব দিয়েছে। কিন্তু অনেকক্ষন পরও না ওঠায় আমরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। কিন্তু না পেয়ে দৌড়ে গিয়ে বড়দের ডেকে আনি।

প্রতিবেশী উজ্জ্বল শেখ জানান, রাতুলের পানিতে ডোবার খবর শোনা মাত্রই আমিসহ কয়েকজন দৌড়ে সেখানে যাই। কিন্তু পানির গভীরতা বেশী হওয়ায় তাকে উদ্ধার করা খুব কষ্টকর হয়। পরে অনেকজন মিলে তল্লাশি করে তাকে খুঁজে পাই। পরে দ্রুত গোয়ালন্দ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

স্হানীয় বাসিন্দা ও একটি মাদ্রাসার সহকারী সুপার সাইদুর রহমান, স্কুল শিক্ষক শামীম শেখসহ অনেকেই বলেন, মরাপদ্মা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার দিয়ে দেদারছে বালু তোলা হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তীতে বহু গভীর খালের সৃষ্টি হয়েছে। এই রকম খালে ডুবে দুই/তিন বছর আগেও তাদের এলাকার আরেকটি ছেলে মারা যায়। এভাবে একেক সময় একেক মায়ের কোল খালি হলেও নদীর বালি বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বালু খেকো চক্র। যেন দেখার কেউ নেই!

গোয়ালন্দে ড্রেজিংয়ের খালে ডুবে চতুর্থ শ্রেনীর স্কুল শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:০১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জুন ২০২৩

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ড্রেজিংয়ের খালে ডুবে আহাদ ফকির ওরফে রাতুল (১০) নামে চতুর্থ শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

সে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের নতুন ময়ছের মাতুব্বর পাড়ার বাসিন্দা কাঠমিস্ত্রী মিলন ফকিরের একমাত্র ছেলে।

রাতুল গোয়ালন্দের লোটাস কলেজিয়েট স্কুলের চতুর্থ শ্রেনীর কপোতাক্ষ শাখার ছাত্র।

স্হানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্কুল বন্ধ থাকায় রাতুল বুধবার (৭ জুন) দুপুর ২ টার দিকে খেলাধুলা শেষে গ্রামের খেলার সাথীদের সাথে বাড়ির পাশের মরা পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায়। নদীর অধিকাংশ এলাকা শুষ্ক থাকায় তারা সকলে মিলে কাছাকাছি একটি গভীর খালে নামে। ড্রেজিং করে মাটি তোলায় সেখানে এ খালের সৃষ্টি হয়।

রাতুলের বন্ধু হাসান,জুবায়ের, সৌরভসহ কয়েকজন জানায়, রাতুল সাঁতার জানত না। ও পানির কিনারেই ছিল। কিন্তু সম্ভবত কাঁদায় পা পিছলে গভীর পানিতে চলে যায়। আমরা ভেবেছিলাম সে গোছলের জন্যই ডুব দিয়েছে। কিন্তু অনেকক্ষন পরও না ওঠায় আমরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। কিন্তু না পেয়ে দৌড়ে গিয়ে বড়দের ডেকে আনি।

প্রতিবেশী উজ্জ্বল শেখ জানান, রাতুলের পানিতে ডোবার খবর শোনা মাত্রই আমিসহ কয়েকজন দৌড়ে সেখানে যাই। কিন্তু পানির গভীরতা বেশী হওয়ায় তাকে উদ্ধার করা খুব কষ্টকর হয়। পরে অনেকজন মিলে তল্লাশি করে তাকে খুঁজে পাই। পরে দ্রুত গোয়ালন্দ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

স্হানীয় বাসিন্দা ও একটি মাদ্রাসার সহকারী সুপার সাইদুর রহমান, স্কুল শিক্ষক শামীম শেখসহ অনেকেই বলেন, মরাপদ্মা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার দিয়ে দেদারছে বালু তোলা হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তীতে বহু গভীর খালের সৃষ্টি হয়েছে। এই রকম খালে ডুবে দুই/তিন বছর আগেও তাদের এলাকার আরেকটি ছেলে মারা যায়। এভাবে একেক সময় একেক মায়ের কোল খালি হলেও নদীর বালি বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বালু খেকো চক্র। যেন দেখার কেউ নেই!