পাইকগাছায় পাবলিক লাইব্রেরি ও জাদুঘরটি দেখভালের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে করুণাবস্থা দেখার কেউ নেই
- আপডেট সময় : ০৬:৫১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮২ বার পঠিত

” খুলনার পাইকগাছা উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরী ও জাদুঘরের করুণাবস্থা। সরকার নিয়নন্ত্রিত এ প্রতিষ্ঠানটি ১০-১৫ বছর যাবৎ হয়ে পড়েছে পাঠক ও দর্শণার্থী শুন্য।
পাবলিক লাইব্রেরি ও জাদুঘরটি দেখভালের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে করুণাবস্থা দেখা দিয়েছে। প্রতিবছর এটা পুর্বের অবস্থায় নেয়া হবে এমন আশ্বাসের কমতি নেই। কিন্তু ১০-১৫ বছরেও
পূর্বে সংস্কার ও আধুনিকায়নের আশ্বাস মিললেও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এক সময় শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী ও সাধারণ পাঠকদের পদচারণায় মুখরিত এই জ্ঞানকেন্দ্র এখন পরিণত হয়েছে অব্যবহৃত ও ধুলোবালিতে ঢেকে থাকা এক নিস্তব্ধ ভবনে।
উপজেলার একমাত্র সরকারি পাঠাগারে বোবা কান্না দেখা বা শোনার কেউ নেই। পাইকগাছা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে ১৯৮৫ সালে পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী প্রতিষ্ঠা করেন। যার আজীবন সদস্য ১৪৬ জন ও সাধারণ সদস্য ৯৩৮ জন। দু’শ বই নিয়ে শুরু হয় এর যাত্রা। পরবর্তীতে যার সংখ্যা ছিল ৫ হাজার। ে কয়েক বছর যাবৎ প্রতিষ্ঠানটি নামে থাকলেও বাস্তবে এর অবকাঠামো থেকে সব কিছু বিনষ্ট হয়ে গেছে। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে লাইব্রেরিতে নতুন কোন বই পুস্তক দেয়া হয়নি।
পুরাতন বইগুলো নষ্ট ও হারিয়ে গেছে। সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানটি পাইকগাছা পৌরসভা ১৯৯৯ সালে অলিখিতভাবে উপজেলা প্রশাসন থেকে থেকে নিজেরা নিয়ন্ত্রণ নেয়। কিন্তু পৌর কতৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার কারণে লাইব্রেরি ও জাদুঘরটি ধ্বংস হয়ে গেছে। ভাঙ্গা আলমারী ও ময়লা আবর্জনা ভরা। যেখানে ইদুর ও পোকা মাকড়ে বাসা বেঁধেছে।
মাষ্টার রোলে দায়িত্বে থাকা লাইব্রেরিয়ান শেখ রাকিব সিফাত বলেন, আমি আছি না থাকার মতো।লাইব্রেরি ও যাদুঘরের করুণ অবস্থা।
পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন,লাইব্রেরী ও যাদুঘরটি যাতে পুনর্জীবিত করা যায় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হবে।




















