ঢাকা ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

প্রবাসী স্বামী ও সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অবস্থান

রাজবাড়ী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১৪ বার পঠিত

Oplus_0

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া ইউনিয়নের ভট্টাচার্যপাড়া গ্রামে প্রবাসী স্বামী ও সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন এক গৃহবধূ। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাগুড়াডাঙ্গী গ্রামের সৌদিআরব প্রবাসী মহিদুলের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার (২৫) মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত থেকে ভট্টাচার্যপাড়া গ্রামের কামরুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মীমাংসার চেষ্টা করলেও তিনি সেখান থেকে সরেননি। মহিদুল ও মরিয়মের সংসারে পাঁচ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

অন্যদিকে, কামরুল ইসলামও বিবাহিত। তার স্ত্রী ও চার বছরের এক পুত্র সন্তান রয়েছে। মরিয়ম সেখানে অবস্থান শুরু করার পর থেকে কামরুল পলাতক রয়েছেন।

মরিয়ম আক্তার জানান, প্রায় আট-নয় মাস আগে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয় এবং স্বামী প্রবাসে যাওয়ার পর সম্পর্কটি আরও ঘনিষ্ঠ হয়।

তিনি বলেন, “স্বামীর সংসার কিংবা বাবার বাড়ি কোথাও আমার জায়গা নেই। তাই আমি কামরুলের কাছ থেকে সামাজিক স্বীকৃতি চাই।”

এ বিষয়ে কামরুলের স্ত্রী বলেন, “আমার স্বামীর ফোনে ও ফোন করত। আমি ধরলে বলত ভাই পেতেছে। এখন আমার সংসার নষ্ট হওয়ার পথে। আমি চাই না আমার জীবন বা ওর জীবন নষ্ট হোক।”

এলাকাবাসী জানান, মঙ্গলবার রাতে গ্রাম্য সালিশে মরিয়মকে বাবার বাড়ি চলে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি রাতেই আবার কামরুলের বাড়িতে ফিরে আসেন।

কামরুলের মা ও প্রতিবেশীরা অভিযোগ করে বলেন, মরিয়ম কামরুলকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। মোবাইলে কথা বললেই সম্পর্ক হয়ে যায় না।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, স্বামী ও সন্তান রেখে আরেকজন বিবাহিত পুরুষকে বিয়ে করার ঘটনা সামাজিক ও ধর্মীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। সবাই মরিয়মকে তার স্বামীর সংসার বা বাবার বাড়িতে ফিরে যেতে পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রবাসী স্বামী ও সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে গৃহবধূর অবস্থান

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া ইউনিয়নের ভট্টাচার্যপাড়া গ্রামে প্রবাসী স্বামী ও সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন এক গৃহবধূ। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাগুড়াডাঙ্গী গ্রামের সৌদিআরব প্রবাসী মহিদুলের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার (২৫) মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত থেকে ভট্টাচার্যপাড়া গ্রামের কামরুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মীমাংসার চেষ্টা করলেও তিনি সেখান থেকে সরেননি। মহিদুল ও মরিয়মের সংসারে পাঁচ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

অন্যদিকে, কামরুল ইসলামও বিবাহিত। তার স্ত্রী ও চার বছরের এক পুত্র সন্তান রয়েছে। মরিয়ম সেখানে অবস্থান শুরু করার পর থেকে কামরুল পলাতক রয়েছেন।

মরিয়ম আক্তার জানান, প্রায় আট-নয় মাস আগে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয় এবং স্বামী প্রবাসে যাওয়ার পর সম্পর্কটি আরও ঘনিষ্ঠ হয়।

তিনি বলেন, “স্বামীর সংসার কিংবা বাবার বাড়ি কোথাও আমার জায়গা নেই। তাই আমি কামরুলের কাছ থেকে সামাজিক স্বীকৃতি চাই।”

এ বিষয়ে কামরুলের স্ত্রী বলেন, “আমার স্বামীর ফোনে ও ফোন করত। আমি ধরলে বলত ভাই পেতেছে। এখন আমার সংসার নষ্ট হওয়ার পথে। আমি চাই না আমার জীবন বা ওর জীবন নষ্ট হোক।”

এলাকাবাসী জানান, মঙ্গলবার রাতে গ্রাম্য সালিশে মরিয়মকে বাবার বাড়ি চলে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি রাতেই আবার কামরুলের বাড়িতে ফিরে আসেন।

কামরুলের মা ও প্রতিবেশীরা অভিযোগ করে বলেন, মরিয়ম কামরুলকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। মোবাইলে কথা বললেই সম্পর্ক হয়ে যায় না।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, স্বামী ও সন্তান রেখে আরেকজন বিবাহিত পুরুষকে বিয়ে করার ঘটনা সামাজিক ও ধর্মীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। সবাই মরিয়মকে তার স্বামীর সংসার বা বাবার বাড়িতে ফিরে যেতে পরামর্শ দিয়েছেন।