ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

রাজবাড়ীতে নোটিশ ছাড়া সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়ি ভাঙার অভিযোগ

রাজবাড়ী প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০৪:০৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫ ১২২ বার পঠিত

Oplus_131072

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌর এলাকায় নোটিশ ছাড়াই সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা রব্বানীর নির্মিত বসতবাড়ি ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে আড়তপট্টি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। ভাঙচুর অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার কর্মকর্তাসহ থানা পুলিশের একাধিক সদস্য।

এ বিষয়ে আফরোজা রব্বানী সাংবাদিকদের বলেন, “২০১৫ সালে পৌরসভার আড়তপট্টি এলাকায় আমি ৩ শতাংশ জমি ক্রয় করি এবং নিয়মমাফিক মিউটেশন করে সেখানে একটি বাড়ি নির্মাণ করি, যা পরবর্তীতে ভাড়া দেই। রাস্তা নির্মাণের জন্য একটি নোটিশ পেলেও আমি তাৎক্ষণিকভাবে জমি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণের অনুরোধ করি। প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনাও করি। কিন্তু বৃহস্পতিবার কোনো প্রকার নতুন নোটিশ না দিয়েই আমার বসতবাড়ি ভেঙে ফেলা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “এক মাস আগে আমার ভাড়াটিয়াকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি রাস্তার স্বার্থে জমি ছাড়তে রাজি ছিলাম, কিন্তু সরকারিভাবে পরিমাপ না করে জোরপূর্বক দখল ও ভাঙচুর করাটা সম্পূর্ণ বেআইনি। আমি এর প্রতিকার চাই এবং আইনের আশ্রয় নেব।”

ঘটনার বিষয়ে আফরোজার স্বামী ও গোয়ালন্দ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মাহবুব রব্বানী বলেন, “প্রথম নোটিশ পাওয়ার পর আমি নিজে পৌর প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করে বলি, রাস্তার স্বার্থে জমি দিতে রাজি আছি। শুধু মাপঝোঁক করে আমাদের অংশ বুঝিয়ে দিন। এরপর আর কোনো নোটিশ ছাড়াই আমার স্ত্রীর নামীয় সম্পত্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এটি প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছু নয়। পৌর প্রশাসক হিসাবে আমাদের সাথে তার এমন আচরণ খুবই দুঃখজনক।”

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রশাসক ও ইউএনও মো. নাহিদুর রহমান ক্যামেরায় কথা বলেননি তবে তিনি মুঠোফোনে জানান, “ঘর ভাঙার আগে নিয়ম মেনেই তিনবার নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। যেই জায়গায় ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল তা মূলত সরকারি খাস জমি। আগের মালিক জমির চেয়ে বেশি অংশ রেকর্ড করেছিলেন। পরিমাপ করে দখলমুক্ত করা হয়েছে।”

রাজবাড়ীতে নোটিশ ছাড়া সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়ি ভাঙার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:০৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌর এলাকায় নোটিশ ছাড়াই সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা রব্বানীর নির্মিত বসতবাড়ি ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে আড়তপট্টি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। ভাঙচুর অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার কর্মকর্তাসহ থানা পুলিশের একাধিক সদস্য।

এ বিষয়ে আফরোজা রব্বানী সাংবাদিকদের বলেন, “২০১৫ সালে পৌরসভার আড়তপট্টি এলাকায় আমি ৩ শতাংশ জমি ক্রয় করি এবং নিয়মমাফিক মিউটেশন করে সেখানে একটি বাড়ি নির্মাণ করি, যা পরবর্তীতে ভাড়া দেই। রাস্তা নির্মাণের জন্য একটি নোটিশ পেলেও আমি তাৎক্ষণিকভাবে জমি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণের অনুরোধ করি। প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনাও করি। কিন্তু বৃহস্পতিবার কোনো প্রকার নতুন নোটিশ না দিয়েই আমার বসতবাড়ি ভেঙে ফেলা হয়।”

তিনি আরও বলেন, “এক মাস আগে আমার ভাড়াটিয়াকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি রাস্তার স্বার্থে জমি ছাড়তে রাজি ছিলাম, কিন্তু সরকারিভাবে পরিমাপ না করে জোরপূর্বক দখল ও ভাঙচুর করাটা সম্পূর্ণ বেআইনি। আমি এর প্রতিকার চাই এবং আইনের আশ্রয় নেব।”

ঘটনার বিষয়ে আফরোজার স্বামী ও গোয়ালন্দ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মাহবুব রব্বানী বলেন, “প্রথম নোটিশ পাওয়ার পর আমি নিজে পৌর প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করে বলি, রাস্তার স্বার্থে জমি দিতে রাজি আছি। শুধু মাপঝোঁক করে আমাদের অংশ বুঝিয়ে দিন। এরপর আর কোনো নোটিশ ছাড়াই আমার স্ত্রীর নামীয় সম্পত্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এটি প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছু নয়। পৌর প্রশাসক হিসাবে আমাদের সাথে তার এমন আচরণ খুবই দুঃখজনক।”

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রশাসক ও ইউএনও মো. নাহিদুর রহমান ক্যামেরায় কথা বলেননি তবে তিনি মুঠোফোনে জানান, “ঘর ভাঙার আগে নিয়ম মেনেই তিনবার নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। যেই জায়গায় ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল তা মূলত সরকারি খাস জমি। আগের মালিক জমির চেয়ে বেশি অংশ রেকর্ড করেছিলেন। পরিমাপ করে দখলমুক্ত করা হয়েছে।”