পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগে কুলটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির মোটা অংকের অর্থ বাণিজ্য
- আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩ ৫৭১ বার পঠিত

স্কুলে ডোনেশন নেওয়া যাবে না। টাকা ছাড়া গরীব অসহায় পরিবারকে নিয়োগ দিতে হবে। সকল শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের এমন ছবক দিয়ে সভাপতি নিজেই সামান্য পরিচ্ছনতা কর্মী নিয়োগ দিয়ে হাতিয়ে নিলেন মোটা অংকের টাকা। এমনই ঘটনা ঘটেছে খুলনা ডুমুরিয়া উপজেলার কুলটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী পরিচ্ছনতা কর্মী নিয়োগে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ সেপ্টম্বর শুক্রবার কম্পিউটার অপারেটর ও পরিচ্ছনতা কর্মী নিয়োগের নির্ধারিত দিন ছিলো। ৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২ জন হাজির হওয়ায় কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় স্থগিত করেন নিয়োগ কতৃপক্ষ।
তবে ৫ প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন হাজির হওয়ায় পরিচ্ছনতা কর্মীর পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ডুমুরিয়া সরকারি বালিকা বিদ্যালয়। একটি দায়িত্বশীল সুত্রে জানা গেছে, পরিচ্ছনতা কর্মী নিয়োগের আগেই তুষার ফৌজদারের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন সভাপতি শিশির ফৌজদার। বিনিময়ে তুষার ফৌজদারের স্ত্রী তনুশ্রী ফৌজদারকে নিয়োগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে টুম্পাকে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে ৫ লাখ টাকা জোগাড় করতে বলেন। পরীক্ষার হলে এক লাখ টাকা নিয়ে যেতে বলেন। টুম্পার অভিভাবকরা ধার দেনা করে টাকা নিয়ে গেলেও তাদের চাকরী না হওয়ায় পথে বসার উপক্রম হয়েছে। অপর দিকে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে নিয়োগ নেওয়ার কথা বলে বিদ্যালয়টির পেছনের বাসিন্দা এবং ওই বিদ্যালয়ের জমিদাতা নিরাপদ ফৌজদারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সভাপতি শিশির ফৌজদার। একই পদে উপজেলার শিবপুর গ্রামের কুমুদ মন্ডলের পুত্র সুদিপ্ত মন্ডলের কাছ থেকে প্রধান শিক্ষক চন্ডিদাস মন্ডল ১লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন,তবে সভাপতি শিশির ফৌজদারের চাপাচাপিতে সুদিপ্ত মন্ডলের কাছ থেকে নেওয়া এক লাখ টাকা ইতিমধ্যে ফেরত দিয়েছেন বলে
জানিয়েছেন সুদিপ্ত মন্ডল।এনিয়ে এলাকায়
নানান গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক চন্ডিদাস মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিনিধিকে বলেন,আমি কারও কাছ থেকে কোন প্রকার অর্থ লেনদেন করি নাই।এটা সুদীপ্ত এর মনগড়া কথা।তবে সভাপতি কোন অর্থ নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার তেমন কিছু জানা নেই।
নিয়োগ বোর্ডের আর এক সদস্য সমারেশ চদ্র সরকার বলেন, গত শুক্রবার একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কোন অর্থ লেনদেন হয়েছে কিনা তিনি তা জানেন না।
সভাপতি শিশির কুমার ফৌজাদারের কাছে অর্থনৈতিক লেনদেনের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান নিয়োগ প্রার্থিদের কাছ থেকে কোনো টাকাপয়সা লেনদেন করি নাই।


















