ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক ও অপরাধমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ইউপি সদস্য প্রার্থী মাকছুদুর রহমান গোয়ালন্দে মুক্তিযোদ্ধা-রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বোয়ালমারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন আলফাডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর

গোয়ালন্দে ভুয়া মৎস্যজীবির ছড়াছড়ি।। তালিকা হতে ২ হাজার নাম বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত

মো. সাজ্জাদ হোসেন-গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী):
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩ ২১৪ বার পঠিত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় বিদ্যমান মৎস্যজীবি তালিকায় ব্যাপক ভূয়া মৎস্যজীবি রয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিষয়টি স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, তার কাছে এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমানাদিসহ অনেকগুলো অভিযোগ ইতিমধ্যে জমা পড়েছে। শীঘ্রই এ তালিকা হালনাগাদ করে নতুন তালিকা করা হবে। এতে অন্তত দুই হাজারের মতো নাম বাদ পড়তে পারে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত লোভের বশবতি হয়ে জেলেরা জাটকা ইলিশ, মা ইলিশ সহ নির্বিচারে ডিমওয়ালা দেশীয় মাছ শিকার করে থাকেন।এর জন্য কারেন্ট জাল,চায়না দোয়ারী, নদীতে বিষ প্রয়োগ, ইলেকট্রিক শট সহ নানাবিধ অবৈধ পন্হা ব্যাবহার করা হয়। মৎস্য সম্পদ সংরক্ষনে এ থেকে জেলেদের বিরত থাকতে হবে। তিনি এ সকলের বিরুদ্ধে শীঘ্রই জোড়ালো অভিযান চালাবেন বলে জানান।

গত সোমবার (২৪ জুলাই) জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ -২০২৩ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মুন্সি। সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জনপ্রতিনিধি, উপজেলার শতাধিক জেলে, মৎস্য ব্যাবসায়ী ও সাংবাদিকদের উপস্হিতিতে মৎস্য সেক্টরে সরকারের নানা অগ্রগতি ও বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তফা-আল-রাজিব বলেন, ২০১৬/১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী গোয়ালন্দে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১ হাজার ৬২৭ জন। সাম্প্রতিক সময়ে আরো ৩ হাজার ৭০০ জনের একটি তালিকা জরিপ করে নিবন্ধনের জন্য মৎস্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। কিন্তু এই জরিপে ব্যাপক ত্রুটি ছিল। বিধায় তা সংশোধন করা হবে। রাজবাড়ী সদর উপজেলাতেও তিনি দায়িত্ত্ব পালনকালে এ রুপ তালিকা সংশোধন করে সারে ৪ হাজার জেলে থেকে বর্তমানে প্রায় ২ হাজারে নামিয়ে এনেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিবন্ধিত জেলেরা জাটকা ইলিশ সংরক্ষনকালে ফেব্রুয়ারী হতে মে মাস পর্যন্ত ৪ মাস ৪০ কেজি করে এবং অক্টোবর মাসে মা ইলিশ সংরক্ষনকালে ২৫ কেজি করে সরকারী খাদ্য সহায়তার চাল পেয়ে থাকেন। এছাড়া বিকল্প পেশায় পূনর্বাসনের জন্য অনেক জেলেকে প্রতিবছর গরু-ছাগল কিনে দেয়া হয়। এ সকল সহায়তার লোভ সামলাতে না পেরে অনেকে অনেকভাবে জেলে তালিকায় ঢুকে পড়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গোয়ালন্দে ভুয়া মৎস্যজীবির ছড়াছড়ি।। তালিকা হতে ২ হাজার নাম বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৪:১৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় বিদ্যমান মৎস্যজীবি তালিকায় ব্যাপক ভূয়া মৎস্যজীবি রয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিষয়টি স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, তার কাছে এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমানাদিসহ অনেকগুলো অভিযোগ ইতিমধ্যে জমা পড়েছে। শীঘ্রই এ তালিকা হালনাগাদ করে নতুন তালিকা করা হবে। এতে অন্তত দুই হাজারের মতো নাম বাদ পড়তে পারে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত লোভের বশবতি হয়ে জেলেরা জাটকা ইলিশ, মা ইলিশ সহ নির্বিচারে ডিমওয়ালা দেশীয় মাছ শিকার করে থাকেন।এর জন্য কারেন্ট জাল,চায়না দোয়ারী, নদীতে বিষ প্রয়োগ, ইলেকট্রিক শট সহ নানাবিধ অবৈধ পন্হা ব্যাবহার করা হয়। মৎস্য সম্পদ সংরক্ষনে এ থেকে জেলেদের বিরত থাকতে হবে। তিনি এ সকলের বিরুদ্ধে শীঘ্রই জোড়ালো অভিযান চালাবেন বলে জানান।

গত সোমবার (২৪ জুলাই) জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ -২০২৩ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা মুন্সি। সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জনপ্রতিনিধি, উপজেলার শতাধিক জেলে, মৎস্য ব্যাবসায়ী ও সাংবাদিকদের উপস্হিতিতে মৎস্য সেক্টরে সরকারের নানা অগ্রগতি ও বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তফা-আল-রাজিব বলেন, ২০১৬/১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী গোয়ালন্দে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১ হাজার ৬২৭ জন। সাম্প্রতিক সময়ে আরো ৩ হাজার ৭০০ জনের একটি তালিকা জরিপ করে নিবন্ধনের জন্য মৎস্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। কিন্তু এই জরিপে ব্যাপক ত্রুটি ছিল। বিধায় তা সংশোধন করা হবে। রাজবাড়ী সদর উপজেলাতেও তিনি দায়িত্ত্ব পালনকালে এ রুপ তালিকা সংশোধন করে সারে ৪ হাজার জেলে থেকে বর্তমানে প্রায় ২ হাজারে নামিয়ে এনেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিবন্ধিত জেলেরা জাটকা ইলিশ সংরক্ষনকালে ফেব্রুয়ারী হতে মে মাস পর্যন্ত ৪ মাস ৪০ কেজি করে এবং অক্টোবর মাসে মা ইলিশ সংরক্ষনকালে ২৫ কেজি করে সরকারী খাদ্য সহায়তার চাল পেয়ে থাকেন। এছাড়া বিকল্প পেশায় পূনর্বাসনের জন্য অনেক জেলেকে প্রতিবছর গরু-ছাগল কিনে দেয়া হয়। এ সকল সহায়তার লোভ সামলাতে না পেরে অনেকে অনেকভাবে জেলে তালিকায় ঢুকে পড়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।