ঢাকা ১২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

হিলিতে কমছে আদার, স্বস্তি ফিরছে ক্রেতার

প্রতিদিনের খবর ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪ ২২১ বার পঠিত

ঈদুল আজহার পর দিনাজপুরের হিলিতে কমতে শুরু করেছে আদার দাম। ঈদের আগে প্রতিকেজি আদা ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর এখন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা কেজি দরে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মাঝে।

ক্রেতারা বলছেন, ঈদের একমাস আগে প্রতিকেজি আদা বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে। কিন্তু ঈদের এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ বেড়েছে যায় আদার দাম। ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩২০ টাকা টাকা কেজি বিক্রি হয়। তবে ফের কিছুটা কমতে শুরু করেছে দাম বুধবারর( ৩জুলাই) প্রতিকেজি আদা ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানির ঈদের আগে সবধরনের মসলার দাম বেড়ে যায়। তবে আদার দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছিল। তারা ক্রেতাদের কাছে দাম চাইতেই সংকোচবোধ করতেন। বর্তমানে প্রতিকেজি আদা ৩২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা কমে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। 

হিলিবাজারে কথা হয় আদা কিনতে আসা মো. ছালেক মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ঈদের আগে ১৬০ টাকা দিয়ে ৫০০ গ্রাম আদা কিনেছিলাম। অথচ একমাস আগেও প্রতিকেজি আদার দাম ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। ঈদের পর আর আদা কেনা হয়নি। আজ বাজারে এসেছি আদা কিনতে। এখন দেখছি দাম কিছুটা কমেছে। ৩২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা কমে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তাই ১৪০ টাকা দিয়ে ৫০০ গ্রাম আদা কিনলাম। তবে আদার দাম ২০০ টাকা নিচে নামলে ভালো হতো।’ 

আরেক ক্রেতা মো. মোকছেদ আলী বলেন, ‘আমার ৫০ বছরের জীবনে ৩২০ টাকা আদার দাম দেখিনি। এবার ঈদের দেখলাম আদার কেজি ৩২০ টাকা। তবে এখন আবার দাম কিছুটা কমেছে। তবে মঙ্গলবার প্রতিকেজি আদা কিনলাম ২৮০ টাকা।’

হিলি বাজারের আদা বিক্রেতা মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘আমরা হিলি বাজারে যেসব আদা বিক্রি করছি, সবগুলোই ভারত থেকে আমদানিকৃত। ঈদের আগে আমদানিকারকদের কাছ থেকে মানভেদে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে কিনে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। বর্তমানে আদার দাম কমতে শুরু করেছে। এখন ২৬০ টাকা কেজি দরে কিনে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি করছি।’ 

ফেরদৌস রহমান আরও বলেন, ‘আদা, রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচের দামনির্ভর করে আমদানিরকারকদের ওপর। তাদের কাছ থেকে যে দামে কিনি, তার চেয়ে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি। আমদানি কমলে দাম বাড়ে আবার আমদানি বাড়লে দাম কমে।’

হিলিতে কমছে আদার, স্বস্তি ফিরছে ক্রেতার

আপডেট সময় : ০৪:০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪

ঈদুল আজহার পর দিনাজপুরের হিলিতে কমতে শুরু করেছে আদার দাম। ঈদের আগে প্রতিকেজি আদা ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর এখন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা কেজি দরে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মাঝে।

ক্রেতারা বলছেন, ঈদের একমাস আগে প্রতিকেজি আদা বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে। কিন্তু ঈদের এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ বেড়েছে যায় আদার দাম। ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩২০ টাকা টাকা কেজি বিক্রি হয়। তবে ফের কিছুটা কমতে শুরু করেছে দাম বুধবারর( ৩জুলাই) প্রতিকেজি আদা ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানির ঈদের আগে সবধরনের মসলার দাম বেড়ে যায়। তবে আদার দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছিল। তারা ক্রেতাদের কাছে দাম চাইতেই সংকোচবোধ করতেন। বর্তমানে প্রতিকেজি আদা ৩২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা কমে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। 

হিলিবাজারে কথা হয় আদা কিনতে আসা মো. ছালেক মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ঈদের আগে ১৬০ টাকা দিয়ে ৫০০ গ্রাম আদা কিনেছিলাম। অথচ একমাস আগেও প্রতিকেজি আদার দাম ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। ঈদের পর আর আদা কেনা হয়নি। আজ বাজারে এসেছি আদা কিনতে। এখন দেখছি দাম কিছুটা কমেছে। ৩২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা কমে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তাই ১৪০ টাকা দিয়ে ৫০০ গ্রাম আদা কিনলাম। তবে আদার দাম ২০০ টাকা নিচে নামলে ভালো হতো।’ 

আরেক ক্রেতা মো. মোকছেদ আলী বলেন, ‘আমার ৫০ বছরের জীবনে ৩২০ টাকা আদার দাম দেখিনি। এবার ঈদের দেখলাম আদার কেজি ৩২০ টাকা। তবে এখন আবার দাম কিছুটা কমেছে। তবে মঙ্গলবার প্রতিকেজি আদা কিনলাম ২৮০ টাকা।’

হিলি বাজারের আদা বিক্রেতা মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘আমরা হিলি বাজারে যেসব আদা বিক্রি করছি, সবগুলোই ভারত থেকে আমদানিকৃত। ঈদের আগে আমদানিকারকদের কাছ থেকে মানভেদে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে কিনে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। বর্তমানে আদার দাম কমতে শুরু করেছে। এখন ২৬০ টাকা কেজি দরে কিনে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি করছি।’ 

ফেরদৌস রহমান আরও বলেন, ‘আদা, রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচের দামনির্ভর করে আমদানিরকারকদের ওপর। তাদের কাছ থেকে যে দামে কিনি, তার চেয়ে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি। আমদানি কমলে দাম বাড়ে আবার আমদানি বাড়লে দাম কমে।’