ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

হাতীবান্ধায় অপহরণ মামলায় আটক ২

জাহিদুল ইসলাম জাহিদ-হাতীবান্ধা((লালমনিরহাট)
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৯৬ বার পঠিত

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী এলাকায় গরু চোরাকারবারি তৌফিক হাসান তপুর সংঘবদ্ধ দল কর্তৃক নওদাবাস ইউনিয়নের হোসাইনুর রহমান হিরুকে অপহরণ মামলায় মায়ানুর রহমান পলাশ ও সোহানুর রহমান সোহান আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে আটক হয়েছে।
গত ১৭ ডিসেম্বর বিজ্ঞ আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে আটক হন তারা।
এ অপহরণের ঘটনায় হোসাইনুর রহমান হিরু বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও মামলাটি সেখানে আমলে নেয়নি হাতীবান্ধা থানা পুলিশ পরে আদালতে গিয়ে মামলা করেন হিরু।
অভিযুক্তরা হলেন, পূর্ব বেজগ্রাম এলাকার মৃত মফিকুল ইসলামের পুত্র তৌফিক হাসান তপু (৩৮), কেতকিবাড়ী এলাকার মৃত ইসব আলীর পুত্র মায়ানুর রহমান পলাশ (৪৫), মৃত মান্নানের পুত্র সোহানুর রহমান সোহেল (৪২), আব্দুল আজিজের পুত্র মিলন (৩৮), উত্তর গোতামারী এলাকার মৃত লালু শেখ এর পুত্র লিখন (৪৫), কেতকিবাড়ী এলাকার সুধীর রায়ের পুত্র সোহান (৪১), জাবেদ আলীর পুত্র তরিকুজ্জামান তরিফ (৩৮) ও উত্তর গোতামারী এলাকার একরামুল হকের পুত্র মীর (৪৩)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত মাসের ২৪ তারিখে হোসাইনুর রহমান হিরুকে অপহরণ করেন কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী। অপহরণ করে হিরুকে নওদাবাস ইউনিয়নের মাশানের কুড়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে মারধরসহ চাপাতি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে ও পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। পরে সেখান থেকে উত্তর গোতামারী এলাকার কাটাতারের বেড়ার কাছে মীরের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আবারও হত্যার চেষ্টা করে। অপহরণকারীদের আঘাতে হিরু আর্তনাদ করলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে মামলার বাদী হোসাইনুর রহমান হিরু বলেন, অপহরণকারী চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র, চোরাকারবারি, মাদক, ভারতীয় গরু পারাপার, নারী পাচার সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। এদের অপকর্ম প্রচার হওয়ায় আমাকে পুলিশের সোর্স মনে করে রাতের আঁধারে আমার চোখ বেঁধে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাকে ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়ার কাছে নিয়ে যায় এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে। পরে মীরের বাড়িতে নিয়ে যায়। তাদের পরিকল্পনা ছিল পিস্তল দিয়ে গুলি করে হত্যা করে ভারতীয় সিমান্তে ফেলে আসবে যাতে এলাকাবাসী মনে করে ভারতীয় বিএসএফ এর গুলিতে নিহত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রহারের যন্ত্রণা ও তাদের কথোপকথন শুনে চিৎকার করলে এলাকাবাসী এসে আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় মামলার আসামী তৌফিক হাসান তপু ও মীরের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

হাতীবান্ধায় অপহরণ মামলায় আটক ২

আপডেট সময় : ০৯:১২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী এলাকায় গরু চোরাকারবারি তৌফিক হাসান তপুর সংঘবদ্ধ দল কর্তৃক নওদাবাস ইউনিয়নের হোসাইনুর রহমান হিরুকে অপহরণ মামলায় মায়ানুর রহমান পলাশ ও সোহানুর রহমান সোহান আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে আটক হয়েছে।
গত ১৭ ডিসেম্বর বিজ্ঞ আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে আটক হন তারা।
এ অপহরণের ঘটনায় হোসাইনুর রহমান হিরু বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও মামলাটি সেখানে আমলে নেয়নি হাতীবান্ধা থানা পুলিশ পরে আদালতে গিয়ে মামলা করেন হিরু।
অভিযুক্তরা হলেন, পূর্ব বেজগ্রাম এলাকার মৃত মফিকুল ইসলামের পুত্র তৌফিক হাসান তপু (৩৮), কেতকিবাড়ী এলাকার মৃত ইসব আলীর পুত্র মায়ানুর রহমান পলাশ (৪৫), মৃত মান্নানের পুত্র সোহানুর রহমান সোহেল (৪২), আব্দুল আজিজের পুত্র মিলন (৩৮), উত্তর গোতামারী এলাকার মৃত লালু শেখ এর পুত্র লিখন (৪৫), কেতকিবাড়ী এলাকার সুধীর রায়ের পুত্র সোহান (৪১), জাবেদ আলীর পুত্র তরিকুজ্জামান তরিফ (৩৮) ও উত্তর গোতামারী এলাকার একরামুল হকের পুত্র মীর (৪৩)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত মাসের ২৪ তারিখে হোসাইনুর রহমান হিরুকে অপহরণ করেন কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী। অপহরণ করে হিরুকে নওদাবাস ইউনিয়নের মাশানের কুড়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে মারধরসহ চাপাতি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে ও পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। পরে সেখান থেকে উত্তর গোতামারী এলাকার কাটাতারের বেড়ার কাছে মীরের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আবারও হত্যার চেষ্টা করে। অপহরণকারীদের আঘাতে হিরু আর্তনাদ করলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে মামলার বাদী হোসাইনুর রহমান হিরু বলেন, অপহরণকারী চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র, চোরাকারবারি, মাদক, ভারতীয় গরু পারাপার, নারী পাচার সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। এদের অপকর্ম প্রচার হওয়ায় আমাকে পুলিশের সোর্স মনে করে রাতের আঁধারে আমার চোখ বেঁধে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাকে ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়ার কাছে নিয়ে যায় এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে। পরে মীরের বাড়িতে নিয়ে যায়। তাদের পরিকল্পনা ছিল পিস্তল দিয়ে গুলি করে হত্যা করে ভারতীয় সিমান্তে ফেলে আসবে যাতে এলাকাবাসী মনে করে ভারতীয় বিএসএফ এর গুলিতে নিহত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রহারের যন্ত্রণা ও তাদের কথোপকথন শুনে চিৎকার করলে এলাকাবাসী এসে আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় মামলার আসামী তৌফিক হাসান তপু ও মীরের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।