ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

সোনালী আঁশে কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গ

মো: মিজানুর রহমান-সদরপুর (ফরিদপুর):
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৩ ১৬৭ বার পঠিত

ফরিদপুরের সদরপুরে চলতি মৌসুমে পাটের ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজার মূল্য নিয়ে অসন্তোষ চাষীরা।
গত বছর প্রতি মণ পাট ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২৩ থেকে ২৫শত টাকায় নেমে এসেছে। পাট রোপণ থেকে বাজারজাত করণ পর্যন্ত বিঘা প্রতি খরচের তুলনায় ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না চাষীরা।

উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পাট চাষী মিরাজুল ইসলাম জানান, তারা প্রতি বিঘা জমিতে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করে সর্বোচ্চ ১৫ মণ পাট উৎপাদন হয়। বর্তমানে বাজারে পাটের যে দাম আগামীতে উপজেলায় পাট চাষ অনেকটা কমে যাবে।

উপজেলার ভাষাণচরের চাষী আবুল কালাম জানান, গতবারের তুলনায় এবছর পাট চাষে খরচ বেশী হয়েছে। খরচের তুলনায় বাজারে দাম অনেক কম। অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পাট মজুদ করছে। প্রশাসনের উচিত পাটের বাজার মনিটরিং করা। বাজারে পাটের দাম এমন হলে ভবিষ্যতে চাষীরা আর পাট চাষ থেকে সরে আসবে।

উপজেলার কৃষ্ণপুর বাজারের পাট ব্যবসায়ী আ. ছামাদ বলেন, বর্তমানে দেশে পাটের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশী বলে হয়তো পাটের দাম কম হতে পারে। তিনি বলেন, আমরা ছোট ব্যবসায়ী। বড় বড় ব্যবসায়ীরা পাট মজুদ করে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিটুল রায়ের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এবছর উপজেলায় ৬ হাজার ৫২৮ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। অনাবৃষ্টি, রাসায়নিক সার ও জালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে। তবে বাজার দামে গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম।

সোনালী আঁশে কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গ

আপডেট সময় : ০৫:১৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৩

ফরিদপুরের সদরপুরে চলতি মৌসুমে পাটের ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজার মূল্য নিয়ে অসন্তোষ চাষীরা।
গত বছর প্রতি মণ পাট ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২৩ থেকে ২৫শত টাকায় নেমে এসেছে। পাট রোপণ থেকে বাজারজাত করণ পর্যন্ত বিঘা প্রতি খরচের তুলনায় ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না চাষীরা।

উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পাট চাষী মিরাজুল ইসলাম জানান, তারা প্রতি বিঘা জমিতে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করে সর্বোচ্চ ১৫ মণ পাট উৎপাদন হয়। বর্তমানে বাজারে পাটের যে দাম আগামীতে উপজেলায় পাট চাষ অনেকটা কমে যাবে।

উপজেলার ভাষাণচরের চাষী আবুল কালাম জানান, গতবারের তুলনায় এবছর পাট চাষে খরচ বেশী হয়েছে। খরচের তুলনায় বাজারে দাম অনেক কম। অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পাট মজুদ করছে। প্রশাসনের উচিত পাটের বাজার মনিটরিং করা। বাজারে পাটের দাম এমন হলে ভবিষ্যতে চাষীরা আর পাট চাষ থেকে সরে আসবে।

উপজেলার কৃষ্ণপুর বাজারের পাট ব্যবসায়ী আ. ছামাদ বলেন, বর্তমানে দেশে পাটের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশী বলে হয়তো পাটের দাম কম হতে পারে। তিনি বলেন, আমরা ছোট ব্যবসায়ী। বড় বড় ব্যবসায়ীরা পাট মজুদ করে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিটুল রায়ের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এবছর উপজেলায় ৬ হাজার ৫২৮ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। অনাবৃষ্টি, রাসায়নিক সার ও জালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে। তবে বাজার দামে গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম।