ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটে নতুন পালক:পলাশবাড়ীর তালুক জামিরা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাফল্য সাখাওয়াত হোসেন

মোঃ আবু জাফর মন্ডল,গাইবান্ধা:
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ৯৮ বার পঠিত

Oplus_131072

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার শিক্ষা অঙ্গনে সাফল্যের অনন্য নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে পলাশবাড়ীর ৯ নং হরিনাথপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী তালুক জামিরা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যায়।দীর্ঘ ৫৯ বছরের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি শুধু শিক্ষার আলো ছড়ায়নি,বরং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে পলাশবাড়ী উপজেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পরিনত হয়েছে।

পলাশবাড়ী উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় বিদ্যালয়টির নানা সাফল্য যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা।প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন তার কর্মদক্ষতা একাগ্রতা এবং শিক্ষায় বিশেষ অবদানে স্বীকৃতি স্বরূপ উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।স্যারের এই অর্জনে বিদ্যালয় সহ পুরো এলাকায় যেন আনন্দের জোয়ার বইছে। আর এমন আনন্দের জোয়ারে শিক্ষক কর্মচারীরা প্রধান শিক্ষকে উপহার স্বরূপ ক্রেষ্ট তার হাতে তুলে দিয়ে সন্মানিত করেন।
এদিকে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠটির ভিত্তি ছিল অত্যন্ত মজবুত। এলাকার গন্যমান্য,সুশিক্ষিত সুধীজন এবং দীনি মহলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু করে। এলাকার মানুষের শিক্ষার চাহিদা পুরন এবং একটি আর্দশ সমাজ গড়ার লক্ষ্যেই এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছিল।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ফলাফল উল্লেখ করা হচ্ছে যে, বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০২০ জন।বিদ্যালয়টিতে একঝাঁক ডিজিটাল অভিজ্ঞ ও নিবেদিত প্রান শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। পাঠদানের বিশেষ পদ্ধতি এবং শিক্ষকদের নিবিড় তদারকির ফলে প্রতি বছর বোর্ড পরিক্ষা গুলোতে এই বিদ্যালয়ের ফলাফল উপজেলার অন্যান্য বিদ্যালয়ের তুলনায় বরাবরই এগিয়ে থাকে।
এলাকা সূত্রে স্হানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, নিভৃত পল্লী গ্রাম পর্যায়ে এমন একটি উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠায় অবহেলিত জনপদ ও জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। সুধীজনদের মতে,প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হওয়া বিদ্যালয়ের সামগ্রিক সুশৃঙ্খলার বহিঃপ্রকাশ। এমন শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পড়ায় বিদ্যালয়ের অবিভাবক ও এলাকার সুশিক্ষিত মহল জানান, প্রধান শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেনের মতো শিক্ষক যেন প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বভারে নিয়োজিত থাকেন।

ট্যাগস :

শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটে নতুন পালক:পলাশবাড়ীর তালুক জামিরা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাফল্য সাখাওয়াত হোসেন

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার শিক্ষা অঙ্গনে সাফল্যের অনন্য নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে পলাশবাড়ীর ৯ নং হরিনাথপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী তালুক জামিরা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যায়।দীর্ঘ ৫৯ বছরের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি শুধু শিক্ষার আলো ছড়ায়নি,বরং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে পলাশবাড়ী উপজেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পরিনত হয়েছে।

পলাশবাড়ী উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় বিদ্যালয়টির নানা সাফল্য যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা।প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন তার কর্মদক্ষতা একাগ্রতা এবং শিক্ষায় বিশেষ অবদানে স্বীকৃতি স্বরূপ উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।স্যারের এই অর্জনে বিদ্যালয় সহ পুরো এলাকায় যেন আনন্দের জোয়ার বইছে। আর এমন আনন্দের জোয়ারে শিক্ষক কর্মচারীরা প্রধান শিক্ষকে উপহার স্বরূপ ক্রেষ্ট তার হাতে তুলে দিয়ে সন্মানিত করেন।
এদিকে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠটির ভিত্তি ছিল অত্যন্ত মজবুত। এলাকার গন্যমান্য,সুশিক্ষিত সুধীজন এবং দীনি মহলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু করে। এলাকার মানুষের শিক্ষার চাহিদা পুরন এবং একটি আর্দশ সমাজ গড়ার লক্ষ্যেই এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছিল।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ফলাফল উল্লেখ করা হচ্ছে যে, বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০২০ জন।বিদ্যালয়টিতে একঝাঁক ডিজিটাল অভিজ্ঞ ও নিবেদিত প্রান শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। পাঠদানের বিশেষ পদ্ধতি এবং শিক্ষকদের নিবিড় তদারকির ফলে প্রতি বছর বোর্ড পরিক্ষা গুলোতে এই বিদ্যালয়ের ফলাফল উপজেলার অন্যান্য বিদ্যালয়ের তুলনায় বরাবরই এগিয়ে থাকে।
এলাকা সূত্রে স্হানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, নিভৃত পল্লী গ্রাম পর্যায়ে এমন একটি উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠায় অবহেলিত জনপদ ও জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। সুধীজনদের মতে,প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হওয়া বিদ্যালয়ের সামগ্রিক সুশৃঙ্খলার বহিঃপ্রকাশ। এমন শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পড়ায় বিদ্যালয়ের অবিভাবক ও এলাকার সুশিক্ষিত মহল জানান, প্রধান শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেনের মতো শিক্ষক যেন প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বভারে নিয়োজিত থাকেন।