ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

শ্রমিকদের মন উৎফুল্ল ও কাজের অগ্রগতির জন্যই বিনোদনের আয়োজন

মাসুদুর রহমান রুবেল-সাভার(ঢাকা):
  • আপডেট সময় : ০১:০৬:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৭২ বার পঠিত

এসো মিলি বন্ধনে প্রকৃতির সন্ধানে…
“হৈ হুল্লোরে সব মন জুড়ে, জাগো খুশির প্লাবনে, আজ ছুটিতে, বাধি জুটিতে, হবে বনভোজন। এই স্লোগান ধারন করে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ফ্রেন্ডস নীটওয়্যার এন্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড বার্ষিক বনভোজন -২০২৫।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারী)আশুলিয়ার তৈয়বপুর এলাকায় ফ্রেন্ডস নীটওয়্যার এন্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড কারখানার শ্রমিকদের নিয়ে রাজ পার্ক এন্ড পিকনিক স্পর্ট এ বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। বনভোজনে এসময় ওই পোশাক কারখানার ৭৫০ জন শ্রমিক অংশগ্রহণ করে।

ফ্রেন্ডস নীটওয়্যার এন্ড এক্সেসরিজ লিঃ এর এইচ আর এডমিন মোঃ জুয়েল আহমেদ বলেন –
শ্রমিকদের জীবনে কাজের পাশাপাশি বিনোদনও প্রয়োজন আছে, এই উপলব্ধি থেকেই আমাদের ম্যানেজিং ডাইরেক্ট স্যার  শ্রমিকদের জন্য বনভোজনের আয়োজন করেছে।  এটা বনভোজন বললে ভুল হবে আসলে এটা হলো মালিক শ্রমিকদের এক মিলন মেলা।

ফ্রেন্ডস নীটওয়্যার এন্ড এক্সেসরিজ লিঃ এর মেডিকেল এসিস্ট্যান্টের মৌশিক্ষা আক্তার বলেন-শ্রমিকদের মনকে উৎফুল্ল ও কাজে উৎসাহ যোগাতে আজকের এই বনভোজনের আয়োজন। এটা মালিক শ্রমিকের মিলন মেলা।

বনভোজনে শ্রমিকদের জন্য দুপুরে খাবার হিসেবে পরিবেশন করা হয় গরু ও খাসির রেজালা,চিকেন এবং কোমল পানীয়। শ্রমিকরা সারাদিন নেচে-গেয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

শ্রমিকরা জানায়,ছেলে-মেয়েদেরকে নিয়ে তারা বনভোজনে আসতে পেরে অনেক খুশি।
পার্কের ঘোরাঘুরি করে তারা ব্যাপক আনন্দ পেয়েছেন এবং সারাদিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দদায়ক সময় কেটেছে।

ফ্রেন্ডস নীটওয়্যার এন্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড এর এমডি মো: ইমরান আলী বলেন,পোশাক কারখানায় শ্রমিকরা সারা বছর উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করেন। ভোর বেলা সামান্য নাস্তা মুখে গুজেই তারা দায়িত্ব পালনে কারখানায় ছুটে আসে। আর বাসায় ফিরে রাতের বেলা। তাই স্বাভাবিক কারণেই তাদের বিনোদনের কোনো সুযোগ থাকে না। আর সে কারণেই অন্তত একটি দিনের জন্য শ্রমিকদের বিনোদন দেওয়ার লক্ষ্যে এই বনভোজনের আয়োজন।

ট্যাগস :

শ্রমিকদের মন উৎফুল্ল ও কাজের অগ্রগতির জন্যই বিনোদনের আয়োজন

আপডেট সময় : ০১:০৬:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

এসো মিলি বন্ধনে প্রকৃতির সন্ধানে…
“হৈ হুল্লোরে সব মন জুড়ে, জাগো খুশির প্লাবনে, আজ ছুটিতে, বাধি জুটিতে, হবে বনভোজন। এই স্লোগান ধারন করে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ফ্রেন্ডস নীটওয়্যার এন্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড বার্ষিক বনভোজন -২০২৫।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারী)আশুলিয়ার তৈয়বপুর এলাকায় ফ্রেন্ডস নীটওয়্যার এন্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড কারখানার শ্রমিকদের নিয়ে রাজ পার্ক এন্ড পিকনিক স্পর্ট এ বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। বনভোজনে এসময় ওই পোশাক কারখানার ৭৫০ জন শ্রমিক অংশগ্রহণ করে।

ফ্রেন্ডস নীটওয়্যার এন্ড এক্সেসরিজ লিঃ এর এইচ আর এডমিন মোঃ জুয়েল আহমেদ বলেন –
শ্রমিকদের জীবনে কাজের পাশাপাশি বিনোদনও প্রয়োজন আছে, এই উপলব্ধি থেকেই আমাদের ম্যানেজিং ডাইরেক্ট স্যার  শ্রমিকদের জন্য বনভোজনের আয়োজন করেছে।  এটা বনভোজন বললে ভুল হবে আসলে এটা হলো মালিক শ্রমিকদের এক মিলন মেলা।

ফ্রেন্ডস নীটওয়্যার এন্ড এক্সেসরিজ লিঃ এর মেডিকেল এসিস্ট্যান্টের মৌশিক্ষা আক্তার বলেন-শ্রমিকদের মনকে উৎফুল্ল ও কাজে উৎসাহ যোগাতে আজকের এই বনভোজনের আয়োজন। এটা মালিক শ্রমিকের মিলন মেলা।

বনভোজনে শ্রমিকদের জন্য দুপুরে খাবার হিসেবে পরিবেশন করা হয় গরু ও খাসির রেজালা,চিকেন এবং কোমল পানীয়। শ্রমিকরা সারাদিন নেচে-গেয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।

শ্রমিকরা জানায়,ছেলে-মেয়েদেরকে নিয়ে তারা বনভোজনে আসতে পেরে অনেক খুশি।
পার্কের ঘোরাঘুরি করে তারা ব্যাপক আনন্দ পেয়েছেন এবং সারাদিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দদায়ক সময় কেটেছে।

ফ্রেন্ডস নীটওয়্যার এন্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড এর এমডি মো: ইমরান আলী বলেন,পোশাক কারখানায় শ্রমিকরা সারা বছর উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করেন। ভোর বেলা সামান্য নাস্তা মুখে গুজেই তারা দায়িত্ব পালনে কারখানায় ছুটে আসে। আর বাসায় ফিরে রাতের বেলা। তাই স্বাভাবিক কারণেই তাদের বিনোদনের কোনো সুযোগ থাকে না। আর সে কারণেই অন্তত একটি দিনের জন্য শ্রমিকদের বিনোদন দেওয়ার লক্ষ্যে এই বনভোজনের আয়োজন।