শিরগ্রামে ভোকেশনাল শিক্ষা উদ্যোগ, দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্য
- আপডেট সময় : ১০:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১০৩ বার পঠিত

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিরগ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোকেশনাল কোর্স চালুকরণ বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আলফাডাঙ্গা উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ দাউদ মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল কালাম মোঃ আখতারুজ্জামান, ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবজাল হোসেন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কে এম রায়হানুর রহমান।
সভায় বক্তারা বলেন,বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের শুধু প্রথাগত শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। ভোকেশনাল শিক্ষা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মত দেন।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও রিফাত নূর মৌসুমী বলেন, “দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ভোকেশনাল শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।” তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী ও কর্মমুখী শিক্ষায় মনোযোগী হতে হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে আত্মনির্ভরশীল হয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।
প্রধান অতিথি মোঃ দাউদ মিয়া তার বক্তব্যে বলেন, সরকার কারিগরি শিক্ষার প্রসারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি শিরগ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোকেশনাল কোর্স চালুর উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে স্থানীয় পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষার বিস্তার ঘটলে বেকারত্ব হ্রাস পাবে এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ভোকেশনাল কোর্স চালুর সম্ভাবনা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, প্রশিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন,দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয়ে ভোকেশনাল শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হবে, যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



















