ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমবায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে দ্রুত আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে গড়ে তোলা যাবে- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ খোকসা জনতা ব্যাংক থেকে জাল স্বাক্ষর করে দুই লাখ সত্তর হাজার টাকা উত্তলোনের অভিযোগ আলফাডাঙ্গায় নানা আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন সালথায় সমবায় দিবসের সভায় সমিতির কার্যক্রম নিয়ে নীরব কর্মকর্তা, অতিথিদের ক্ষোভ মথুরাপুরে ফরজ উল্লাহর পক্ষে ৪৩৫ মোটরসাইকেলের বিশাল শোডাউন মাদক ও অপরাধমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ইউপি সদস্য প্রার্থী মাকছুদুর রহমান গোয়ালন্দে মুক্তিযোদ্ধা-রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বোয়ালমারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন আলফাডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা

রাজবাড়ীর খানগঞ্জে হাইকোর্টের রায়ে মীমাংসিত জমি জবরদখল করলো প্রতিপক্ষ- থানায় অভিযোগ

ইমরান হোসেন মনিম- রাজবাড়ী:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪ ২১৯ বার পঠিত

রাজবাড়ী জেলা সদরের খানগঞ্জ ইউনিয়নের হাটবাড়িয়া ঘুগুশাইল গ্রামের মো. আল আমিন (মন্টু) হাইকোর্টের রায়ে মিমাংসিত ও সামবন্টন করে বুঝিয়ে পাওয়া পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখল করেছে প্রতিপক্ষরা।

শুক্রবার সকালে ওই ইউনিয়নের ঘুগুশাইলে আলামিন ওরফে মন্টুর বাড়ির পাশে থাকা নিজের ভোগ দখল করা কয়েক বিঘা সম্পত্তি সম্প্রতি গম কেটে নেওয়ার পর প্রতিপক্ষরা জোর জবরদোস্তি করে এই জমিগুলো জবরদখল করে হালচাষ করে পাট আবাদ করে।


প্রতিপক্ষের হারুন অর রশিদ ও তার ছেলে মামুনের নেতৃত্বে শতাধিক সন্ত্রসীদের নিয়ে আলামিন ওরফে (মন্টর) আবাদি জমি গুলোতে ইঞ্জিন চালিত ট্রাকটর দিয়ে চাষ করে দখলে নেয়।

এ বিষয়ে শনিবার( ৩০ মার্চ) দুপুরে সদর থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন বাদী আলামিন মন্টু। অভিযোগে ১ নং আসামী করা হয়েছে স্থানীয় হারুন অর রশিদ, মামুন, রাসেল, সূর্য্য মন্ডল, রমজান মন্ডল বারেক মোল্লা,আফজাল, সজিব,আইনুদ্দিন শেখ,জহির ও লাল চাঁদ সহ এজাহারে অজ্ঞাত আরো ৩০/৪০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

অভিযোগে জানানো হয় হাটবাড়িয়া৷ মৌজার মো. আলামিন মন্টুর পৈত্রিক ও ক্রয় কৃত ৪২৫ নং খতিয়ানের ৩৯ নং দাগের ৮২ শতাংশের মধ্যে ৫৭ শতাংশ,খোশবাড়ি মৌজার ২২৯,২৭৮, ২৭৯,৩১৪ খতিয়ানভুক্ত ৪৯৯,৫৩১,৫০৪,৫২২,৫২৩,৫২৪,৫২৫,৫২৬,৫৩০,৪২ দাগে ২২ টি খতিয়ানে জমিগুলোর খতিয়ানভুক্ত গুলোর ৩৫০ শতাংশ জমির মধ্যে ২৪০ শতাংশ,ঘুগুশাইল মৌজার ১৬,৬৬,৬৭,৬৯, খতিয়ানের১০,১৫,১৬,১৭,২৭,২৩,২৫,১৪,৪৮,৪৯,৫০,৪৪ দাগের ৩২০ শতাংশ জমির মধ্যে ২৩২ শতাংশ জমি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করা হয়।

এ জমির ১১ আনার মালিকানার (পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত) দাবিদার আলামিন মন্টু। বাকী ১ আনা ১০ গন্ডা জমির মালিকানা তার চাচা কফিলউদ্দিন ও ৩ আনা ৯ গন্ডা জমি তার আরেক চাচা আইজউদ্দিন ভোগ দখল করছে।

কিন্তু আলামিন মন্টু বিশাল একটি জমির অংশ থাকায় প্রতিপক্ষ ক্ষোভের বশবতী হয়ে তার আবাদী এ জমি গুলো জবরদখল করার পায়তারা করছে।

এ জমি নিয়ে পূর্বশত্রতার জেরে হাইকোর্ট মামলা হওয়ার পর রাজবাড়ী সদর সাব জজ কোর্ট সাম বন্টন করে জমির মৌজায় শশরীরে হাজির হয়ে নিষ্পত্তি করে বুঝিয়ে দিয়ে যায় আলামিন মন্টুর পক্ষে।

হাইকোর্টে যার মামলা নং ৯৯২/১৯৯০। হাইকোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধি ২০ অর্ডার ৬ ও ৭ নং রুল অনুযায়ী রাজবাড়ী সাব জজ আদালত এ জমি সাম বন্টন করে।সে অনুযায়ী মো. আলামিন (মন্টু) এ জমি গুলো ভোগদখল করে আসছে।

ঘুগুশাইল এলাকার প্রতিপক্ষ ও অভিযোগে ১ নং আসামী মো. হারুন অর রশিদ বলেন,আমাদের জমি গুলো আলামি মন্টুর বাবার কাছ থেকে ওয়ারিশ সিত্রে চার একর ৩৫ শতাংশ ও ক্রয় সুত্রে ১ একর সাড়ে ৪০ সহ মোট ৫ একর সাড়ে ৭৫ শতাংশ জমি রয়েছে।বর্তমানে সাড়ে তিন একর জমি চাষাবাদ করছি।

বাকি জমি গুলো মন্টু ভোগ দখলে। এই জমির দলিল ও রেকর্ডও আমাদের রয়েছে।কিন্তু এই ক্রয় কৃত জমি এখন আমাদের চাষাবাদ করতে দিচ্ছেনা।এ কারনে আমরা যারা জমি ক্রয় করেছি।তারা সবাই এক হয়ে জমি চাষ করেছি।আলামিন মন্টু ১১ আনার যে একাই দাবী করছেন,কিন্তু এই ১১ আনার মধ্যে চারজন অংশিদার রয়েছে। শুকুর আলী,ছকির উদ্দীন,শান্তা বলে বি ও জয়গন বিবি রয়েছে।

শুকুর আলী তার সমস্ত জমি অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছে।এবং আলামিন মন্টু ফাইনাল ডিক্রিতে কবলাদের নাম না দিয়ে তার নিজের নামে করে নিয়েছে।আমার মত আরো ১৫/২০ জনের জমিও সে ভোগদখল করে খায়।

মো.আলামিন মন্টু বলেন, আমি জমির পৈত্রিক ও ক্রয় অনুসারে মালিকানাসত্ত্বে ভোগদখল করছি।হাইকোর্টের রায়ে সদর সাব জজ কোর্ট সামবন্টন করে সম্পত্তি চাষাবাদ করছি।কিন্তু হাইকোর্টের রায় অমান্য করে প্রতিপক্ষ কোন বলে, কিসের শক্তিতে আমার আবাদী জমিতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে চাষ দিয়েছে।তাই আমি সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আজ শুক্রবার সকালে শতাধিক বেআইনী সন্ত্রাসী লোক লাঠিসোটা, লোহার রড,কাঠের বাটাম সহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দখল করতে আসে। আমার এই জমি গুলো জোর জবরদোস্তি করে চাষাবাদ করতে আসলে আমি সহ আমার পরিবারের লোকজন বাঁধা দিলে আমাদের মারপিট করতে উদ্যত হয় ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
পরে আমাদের আর্তচিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে আমাদের প্রান নাশের হুমকি দেয়।

প্রতি পক্ষের জমি দখলের ব্যাপারে চেয়ারম্যান শরিফুর রহমান সোহানের সমর্থন আছে।

এ কারনে আমি ভিতসন্ত্রস্থ্য হয়ে সদর থানায় অভিযোগ দায়েের করি।আমি আশা করি কতৃপক্ষ আমার অভিযোগ আমলে নিয়ে তা দ্রুত সঠিক সমাধানের ব্যবস্থা করবেন।

তবে এই খানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুর রহমান সোহান বলেন,এই জমির বিষয়ে ৩০ মার্চ তারিখে ইউনিয়ন পরিষদে বসে দুই পক্ষের সাথে কথা বলার সময় নির্ধারন করা হয়েছিল।

এর আগে কোন পক্ষই জমি চাষ করবেনা বলে কথা হয়েছিল। কিন্তু এর আগে আলামিন মন্টু গম কাটার পর জমি চাষ করে নিয়ম ভঙ্গ করে।পরে অন্য পক্ষ জমির দাবিদার তারা একত্রিত হয়ে গত কাল শুক্রবার জমি চাষ করে।আর আমাদের ওই মাঠে জমি আছে তাই আমার ছোট ভাইও সেখান উপস্থিত ছিল।তবে আলামিন মন্টু আমাকে জমি দখলের ব্যাপারে যেভাবে দোষী করছে সেটা মিথ্যা ও বানোয়াট।আমি এর সাথে সংযুক্ত নই।

রাজবাড়ীর খানগঞ্জে হাইকোর্টের রায়ে মীমাংসিত জমি জবরদখল করলো প্রতিপক্ষ- থানায় অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪

রাজবাড়ী জেলা সদরের খানগঞ্জ ইউনিয়নের হাটবাড়িয়া ঘুগুশাইল গ্রামের মো. আল আমিন (মন্টু) হাইকোর্টের রায়ে মিমাংসিত ও সামবন্টন করে বুঝিয়ে পাওয়া পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখল করেছে প্রতিপক্ষরা।

শুক্রবার সকালে ওই ইউনিয়নের ঘুগুশাইলে আলামিন ওরফে মন্টুর বাড়ির পাশে থাকা নিজের ভোগ দখল করা কয়েক বিঘা সম্পত্তি সম্প্রতি গম কেটে নেওয়ার পর প্রতিপক্ষরা জোর জবরদোস্তি করে এই জমিগুলো জবরদখল করে হালচাষ করে পাট আবাদ করে।


প্রতিপক্ষের হারুন অর রশিদ ও তার ছেলে মামুনের নেতৃত্বে শতাধিক সন্ত্রসীদের নিয়ে আলামিন ওরফে (মন্টর) আবাদি জমি গুলোতে ইঞ্জিন চালিত ট্রাকটর দিয়ে চাষ করে দখলে নেয়।

এ বিষয়ে শনিবার( ৩০ মার্চ) দুপুরে সদর থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন বাদী আলামিন মন্টু। অভিযোগে ১ নং আসামী করা হয়েছে স্থানীয় হারুন অর রশিদ, মামুন, রাসেল, সূর্য্য মন্ডল, রমজান মন্ডল বারেক মোল্লা,আফজাল, সজিব,আইনুদ্দিন শেখ,জহির ও লাল চাঁদ সহ এজাহারে অজ্ঞাত আরো ৩০/৪০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

অভিযোগে জানানো হয় হাটবাড়িয়া৷ মৌজার মো. আলামিন মন্টুর পৈত্রিক ও ক্রয় কৃত ৪২৫ নং খতিয়ানের ৩৯ নং দাগের ৮২ শতাংশের মধ্যে ৫৭ শতাংশ,খোশবাড়ি মৌজার ২২৯,২৭৮, ২৭৯,৩১৪ খতিয়ানভুক্ত ৪৯৯,৫৩১,৫০৪,৫২২,৫২৩,৫২৪,৫২৫,৫২৬,৫৩০,৪২ দাগে ২২ টি খতিয়ানে জমিগুলোর খতিয়ানভুক্ত গুলোর ৩৫০ শতাংশ জমির মধ্যে ২৪০ শতাংশ,ঘুগুশাইল মৌজার ১৬,৬৬,৬৭,৬৯, খতিয়ানের১০,১৫,১৬,১৭,২৭,২৩,২৫,১৪,৪৮,৪৯,৫০,৪৪ দাগের ৩২০ শতাংশ জমির মধ্যে ২৩২ শতাংশ জমি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করা হয়।

এ জমির ১১ আনার মালিকানার (পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত) দাবিদার আলামিন মন্টু। বাকী ১ আনা ১০ গন্ডা জমির মালিকানা তার চাচা কফিলউদ্দিন ও ৩ আনা ৯ গন্ডা জমি তার আরেক চাচা আইজউদ্দিন ভোগ দখল করছে।

কিন্তু আলামিন মন্টু বিশাল একটি জমির অংশ থাকায় প্রতিপক্ষ ক্ষোভের বশবতী হয়ে তার আবাদী এ জমি গুলো জবরদখল করার পায়তারা করছে।

এ জমি নিয়ে পূর্বশত্রতার জেরে হাইকোর্ট মামলা হওয়ার পর রাজবাড়ী সদর সাব জজ কোর্ট সাম বন্টন করে জমির মৌজায় শশরীরে হাজির হয়ে নিষ্পত্তি করে বুঝিয়ে দিয়ে যায় আলামিন মন্টুর পক্ষে।

হাইকোর্টে যার মামলা নং ৯৯২/১৯৯০। হাইকোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধি ২০ অর্ডার ৬ ও ৭ নং রুল অনুযায়ী রাজবাড়ী সাব জজ আদালত এ জমি সাম বন্টন করে।সে অনুযায়ী মো. আলামিন (মন্টু) এ জমি গুলো ভোগদখল করে আসছে।

ঘুগুশাইল এলাকার প্রতিপক্ষ ও অভিযোগে ১ নং আসামী মো. হারুন অর রশিদ বলেন,আমাদের জমি গুলো আলামি মন্টুর বাবার কাছ থেকে ওয়ারিশ সিত্রে চার একর ৩৫ শতাংশ ও ক্রয় সুত্রে ১ একর সাড়ে ৪০ সহ মোট ৫ একর সাড়ে ৭৫ শতাংশ জমি রয়েছে।বর্তমানে সাড়ে তিন একর জমি চাষাবাদ করছি।

বাকি জমি গুলো মন্টু ভোগ দখলে। এই জমির দলিল ও রেকর্ডও আমাদের রয়েছে।কিন্তু এই ক্রয় কৃত জমি এখন আমাদের চাষাবাদ করতে দিচ্ছেনা।এ কারনে আমরা যারা জমি ক্রয় করেছি।তারা সবাই এক হয়ে জমি চাষ করেছি।আলামিন মন্টু ১১ আনার যে একাই দাবী করছেন,কিন্তু এই ১১ আনার মধ্যে চারজন অংশিদার রয়েছে। শুকুর আলী,ছকির উদ্দীন,শান্তা বলে বি ও জয়গন বিবি রয়েছে।

শুকুর আলী তার সমস্ত জমি অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছে।এবং আলামিন মন্টু ফাইনাল ডিক্রিতে কবলাদের নাম না দিয়ে তার নিজের নামে করে নিয়েছে।আমার মত আরো ১৫/২০ জনের জমিও সে ভোগদখল করে খায়।

মো.আলামিন মন্টু বলেন, আমি জমির পৈত্রিক ও ক্রয় অনুসারে মালিকানাসত্ত্বে ভোগদখল করছি।হাইকোর্টের রায়ে সদর সাব জজ কোর্ট সামবন্টন করে সম্পত্তি চাষাবাদ করছি।কিন্তু হাইকোর্টের রায় অমান্য করে প্রতিপক্ষ কোন বলে, কিসের শক্তিতে আমার আবাদী জমিতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে চাষ দিয়েছে।তাই আমি সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আজ শুক্রবার সকালে শতাধিক বেআইনী সন্ত্রাসী লোক লাঠিসোটা, লোহার রড,কাঠের বাটাম সহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দখল করতে আসে। আমার এই জমি গুলো জোর জবরদোস্তি করে চাষাবাদ করতে আসলে আমি সহ আমার পরিবারের লোকজন বাঁধা দিলে আমাদের মারপিট করতে উদ্যত হয় ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
পরে আমাদের আর্তচিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে আমাদের প্রান নাশের হুমকি দেয়।

প্রতি পক্ষের জমি দখলের ব্যাপারে চেয়ারম্যান শরিফুর রহমান সোহানের সমর্থন আছে।

এ কারনে আমি ভিতসন্ত্রস্থ্য হয়ে সদর থানায় অভিযোগ দায়েের করি।আমি আশা করি কতৃপক্ষ আমার অভিযোগ আমলে নিয়ে তা দ্রুত সঠিক সমাধানের ব্যবস্থা করবেন।

তবে এই খানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুর রহমান সোহান বলেন,এই জমির বিষয়ে ৩০ মার্চ তারিখে ইউনিয়ন পরিষদে বসে দুই পক্ষের সাথে কথা বলার সময় নির্ধারন করা হয়েছিল।

এর আগে কোন পক্ষই জমি চাষ করবেনা বলে কথা হয়েছিল। কিন্তু এর আগে আলামিন মন্টু গম কাটার পর জমি চাষ করে নিয়ম ভঙ্গ করে।পরে অন্য পক্ষ জমির দাবিদার তারা একত্রিত হয়ে গত কাল শুক্রবার জমি চাষ করে।আর আমাদের ওই মাঠে জমি আছে তাই আমার ছোট ভাইও সেখান উপস্থিত ছিল।তবে আলামিন মন্টু আমাকে জমি দখলের ব্যাপারে যেভাবে দোষী করছে সেটা মিথ্যা ও বানোয়াট।আমি এর সাথে সংযুক্ত নই।