রাজবাড়ীতে আমি কারো বাড়া ভাতে ছাই দিতে আসিনি– অবসর প্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মতিউর রহমান জুয়েল
- আপডেট সময় : ০৭:১৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪ ৮৮ বার পঠিত

মানুষের জন্য কাজ করতে হলে বা মানুষের কল্যানে নিয়োজিত থাকার জন্য কোন রাজনৈতিক দলের সাথে থাকতে হবে এমন কোন কথা নাই।
আমি কোন বিশেষ রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নই।কোন রাজনৈতিক বক্তব্য কখনো দেইনাই।আমি রাজবাড়িতে আসার কারনে অনেকে মনে করছে আমি রাজনীতি করবো বা কারো কিছুতে ভাগ বসাবো।যারা এই চিন্তাটা করেছেন তাদের আশস্ত করতো চাই আমি কারো বাড়া ভাতে ছাই দিতে আসিন।আমি যদি নিজের ইচ্ছায় মানুষের ভালোবাসায় কিছু করতে পারি তাহলে সেটা করবো। আমি এতকাল পর্যন্ত যা করেছি তা বিনা স্বার্থে করেছি।নিজ জেলা সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব মানুষ আমার কাছে এসেছেন তারা বলতে পারবেনা আমি কাউকে উপকার করতো গিয়ে স্বার্থের কথা বলেছি বা কোন দল করেন তা জানতে চেয়েছি। আমি পুরোপুরি একজন সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত মানুষ। রাজবাড়ী পাংশা উপজেলার৷ কসবামাজাইল উচ্চ বিদ্যালয় ও আমজাদ হোসেন ডিগ্রি কলেজ মাঠে তার এলাকার সাধারন মানুষের সাথে দীর্ঘদিন পর সাক্ষাতের পর মত বিনিময় সভায় এসব কথা বলেন কসবামাজইল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ভাটশালা গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মতিউর রহমান জুয়েল।
তিনি আরো বলেন আমার মধ্যে মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ নাই।জাতি ধর্ম, হিন্দু,মুসলমান সবাই আমার কাছে সমান।তাদের আমি ছোট করিনা ও আলাদা করার চেষ্টা করিনা।আমি ছোটকাল থেকেই দেখে আসছি এই কসবামাজাইল সহ অত্র অঞ্চলে সন্ত্রাসী কাযক্রম ও অস্ত্রের ঝনঝনানি। এটা কোন সভ্য সমাজের কাজ হতে পারেনা।এগুলো থেকে আমাদের বেড়িয়ে আসতে হবে।তবে আম গ্রামের বাড়িতে আসতে চেয়েছি গত এক মাস আগে।কিন্তু দুঃখ জনক আমার বাড়িতে আসাকে অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।গত কয়েকদিন আগে একটি খবর বেড়িয়েছে ২২ জন সেনা কর্মকর্তা তাদের পাসপোর্ট বাতিল ও বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ পরা হয়েছে।কিন্তু খবরটা ঠিক। কিন্তু খবরটা যেভাবে প্রচার হয়েছে তা সঠিক না। গত ১৬ বছরের একটা সরকারের শাষন ব্যবস্থা ছিলো।এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের তদন্ত চলছে।এই তদম্তে আমাদের ২২ জন সেনা কর্মকর্তার নাম প্রাকাশিত হয়েছে। তার মধ্যে শুধু আমার ছবিটা দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।কিন্তু ২২ জনের মধ্যে আমার সিরিয়াল নম্বর ১০।কিন্তু সংবাদ মাধ্যম উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাব আমাকে হেয় করার জন্য নিউজ ছাপানো হয়েছে। আমি যদি দোষী হতাম বাংলাদেশ থেকে চলে যেতে চাইতাম,তাহলে আমিতো বিদেশে আসা যাওয়া করছি, আমি তো বিদেশ থেকে আসতামইনা।আমাকে তো বিদেশ থেকে কেউ নিয়ে আসেনাই। তবে সবাই এইসব অনিয়মের মধ্যে যুক্ত নেই।তবে আমার নিউজে নাম থাকায় রাজবাড়ীর একটি মহল উৎসাহ করছে,মিষ্ট খাচ্ছে।আমি বলি তারা বেশি করে মিষ্টি খাক আনন্দ করুক,তারা পার্টি দিক।আমার মত আমি চলি।আমি অন্তর্বতীকালীন সরকারকে সহযোগীতা করতে চাই।সরকারে তদন্তে যেকোন বিষয়ে শতভাগ সহযোগীতা করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান তিনি। সংবাদে ২২ জনকে চাকরীচূত করা হয়েছে জেনে রাজবাড়ী অনেকই খুশি হয়েছেন।কিন্তু আমিতো গত ২৩ নভেম্বর তারিখে চাকরী শেষে অবসরে এসেছি।তাহলে আমি চাকরীচূত হলাম কিভাবে।এটা প্রধান উপদেষ্টার অফিস থেকে নিজ্ঞপ্তি প্রাকাশ করা হয়েছে চাকরীচূত হওয়ার সংবাদটি ছিলো ভুয়া।বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে শুধু রাজবাড়ী জেলাতেই সংবাদটি ভাইরাল করা হয়েছে।তবে আমি যদি রাজবাড়ীতে না আসতাম তবে সবাই ধরে খবর প্রকাশের কারনে আমি রাজবাড়ীতে আসিনাই।তবে তিনি তার বাড়ি, ঘর, তার এলাকা জনসাধারনের সাথে সখ্যতা,তাদের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক ও ভালোবাসার কারনেই আমি বাড়িতে এসেছি।তবে তারা চাচ্ছিলো আমি যেন না আসি।তবে আগামীতে আমি দীর্ঘ সময় আমাদের এ এলাকায় এসে সবার সাথে সময় দিবেন বলে জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মতিউর রহমান জুয়েলের ভাতিজা কসবামাজাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহারিয়ার সুফল মাহমুদ,ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন খান প্রমূখ।




















