ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

বোয়ালমারীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক ২ মামলা, আসামি ৮৭৬

এমএম জামান,বোয়ালমারী (ফরিদপুর):
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫ ২১১ বার পঠিত

Oplus_131072

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুই পক্ষেরই নামেই শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

২ মামলায় আসামি করা হয়েছে ৮৭৬ জন। মামলার কোন আসামি এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার নাই।
গত ৭ নভেম্বর বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপ ও বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের সময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর, অগ্নি সংযোগ, বিএনপির অফিস ভাঙচুর, মারধরের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপের বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়াকে প্রধান করে,জনতা পার্টির ১নং উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরকে ২ নং ও আবুল কালাম আজাদ বাচ্চুকে ৩ নং আসামী করে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক ও অজ্ঞাতনামা ৩০০/৪০০ জনকে আসামী করে মামলা করেছেন।

অপরদিকে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়া গ্রুপের উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর রহমান বাবু বাদী হয়ে খন্দকার নাসিরুল ইসলামকে ১ নম্বর আসামি করে ১৮৮ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক ২০০/২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন।

মালার ব্যাপারে সাবেক সাংসদ ও বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি দুঃখ জনক,নিন্দা জানাই,আমি ঘটনানার দিন ২০ কিঃ দুরে মধুখালি উপজেলাতে প্রগ্রামে ছিলাম,ঘটনার সাথে সালতার বাচ্চু রাজাকার ও বিএন এমএর শাহ্ জাফর জড়িত, কারন তারা দীর্ঘদিন ফরিদপুর-১ আসন নিয়ে ষড়যন্ত্রে নেমেছে।

“উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু বলেন, নাসির একটা সন্ত্রাসী ও কখনো বিএনপিতে ভোট দেয়নী, ইগলের নির্বাচন করেছে, ওর সন্ত্রাসী বাহিনী ৭নভেম্বর সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়ে খালেদা জিয়ার ও তারেক জিয়ার ছবি ভাংচুর চালায়।

জনতা পার্টির ১ নং উপদেষ্টা ও সাবেক সাংসদ শাহ্ জাফর বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় যারা আহত হয়েছে তাদের প্রতি সমবেদনা জানাই, আমি দীর্ঘদিন বলাচলে” রাজনীতির বাইরে ছিলাম, আমি এলাকায় ছিলামনা, কিভাবে মামলা দিতে পারে, তিনি বলেন, বাচ্চুর মতো একজন আলেমকে কিভাবে মামলায় জড়াতে পারে, আমি বিষয় গুলির তীব্র নিন্দা জানাই।

বোয়ালমারী,থানা অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর, মোটরসাইকেলে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই পৃথক দুটি বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেপ্তার নেই। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বোয়ালমারীতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক ২ মামলা, আসামি ৮৭৬

আপডেট সময় : ০৮:৪৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুই পক্ষেরই নামেই শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

২ মামলায় আসামি করা হয়েছে ৮৭৬ জন। মামলার কোন আসামি এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার নাই।
গত ৭ নভেম্বর বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপ ও বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের সময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর, অগ্নি সংযোগ, বিএনপির অফিস ভাঙচুর, মারধরের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপের বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়াকে প্রধান করে,জনতা পার্টির ১নং উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরকে ২ নং ও আবুল কালাম আজাদ বাচ্চুকে ৩ নং আসামী করে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক ও অজ্ঞাতনামা ৩০০/৪০০ জনকে আসামী করে মামলা করেছেন।

অপরদিকে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়া গ্রুপের উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর রহমান বাবু বাদী হয়ে খন্দকার নাসিরুল ইসলামকে ১ নম্বর আসামি করে ১৮৮ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক ২০০/২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন।

মালার ব্যাপারে সাবেক সাংসদ ও বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি দুঃখ জনক,নিন্দা জানাই,আমি ঘটনানার দিন ২০ কিঃ দুরে মধুখালি উপজেলাতে প্রগ্রামে ছিলাম,ঘটনার সাথে সালতার বাচ্চু রাজাকার ও বিএন এমএর শাহ্ জাফর জড়িত, কারন তারা দীর্ঘদিন ফরিদপুর-১ আসন নিয়ে ষড়যন্ত্রে নেমেছে।

“উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু বলেন, নাসির একটা সন্ত্রাসী ও কখনো বিএনপিতে ভোট দেয়নী, ইগলের নির্বাচন করেছে, ওর সন্ত্রাসী বাহিনী ৭নভেম্বর সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়ে খালেদা জিয়ার ও তারেক জিয়ার ছবি ভাংচুর চালায়।

জনতা পার্টির ১ নং উপদেষ্টা ও সাবেক সাংসদ শাহ্ জাফর বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় যারা আহত হয়েছে তাদের প্রতি সমবেদনা জানাই, আমি দীর্ঘদিন বলাচলে” রাজনীতির বাইরে ছিলাম, আমি এলাকায় ছিলামনা, কিভাবে মামলা দিতে পারে, তিনি বলেন, বাচ্চুর মতো একজন আলেমকে কিভাবে মামলায় জড়াতে পারে, আমি বিষয় গুলির তীব্র নিন্দা জানাই।

বোয়ালমারী,থানা অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর, মোটরসাইকেলে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই পৃথক দুটি বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেপ্তার নেই। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।