ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

বেনাপোল কাস্টমসে লক্ষ্য মাত্রা পূরণ হয়নি,রাজস্ব ঘাটতি ১৮০ কোটি টাকা

মোঃ নজরুল ইসলাম- বিশেষ প্রতিনিধ:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩ ২২৫ বার পঠিত

মঙ্গলবার (১১ জুলাই) বেনাপোল কাস্টমসে গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮০ কোটি টাকা কম আদায় হয়েছে।

গত অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা। সেখানে আদায় হয়েছে ৫ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। একই সময়ে গত অর্থবছরের পণ্য আমদানি হয়েছে ২০ লাখ ৩৫ হাজার ৪৯৯ মেট্রিক টন। যা ২০২১-২২ অর্থবছরের চেয়ে এক লাখ ৪৩ হাজার ৯২১ মেট্রিক টন কম । বেনাপোল কাস্টমসের একটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

কাস্টমস ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে ডলার সংকটের কারণে খাদ্যপণ্য ছাড়া অন্য পণ্য আমদানিতে ব্যাংক এলসি খুলছে না। এতে ব্যবসায়ীরা চাহিদা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করতে পারেনি।

বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও ব্যবসায়ীরা বলেন, কাস্টসম ও বন্দরের নানা রকম হয়রানি আর বন্দর অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক ব্যবসায়ী বেনাপোল বন্দর ছেড়ে অন্য বন্দরে চলে গেছে। অভিযোগ রয়েছে কাস্টমস ও বন্দরের কর্মকর্তাদের নানা অনিয়মের কারণে গত ১০ বছর ধরে বেনাপোল কাস্টমস লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে পারেনি। গত কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলো এলসি খুলছে না। এতে আমদানির সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার ব্যবসায়ী অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামসুর রহমান বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের বেনাপোল দিয়ে বাণিজ্যে আগ্রহ বেশি। তবে বর্তমানে ডলার সংকটের কারণে সরকার এলসিতে শতভাগ মার্জিন শর্ত দিয়েছে। আবার ব্যাংকগুলো ডলার সংকট দেখিয়ে এলসি খুলছে না। যেকারণে গত বছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে পন্য আমদানি কমে গেছে। ডলার সংকট কেটে গেলে আমদানির হার বেড়ে যাবে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের যুগ্ম কমিশনার সাফায়েত হোসেন জানান, ডলার সংকটে ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে এলসি খুলতে পারছে না। যেকারণে পণ্য আমদানি কমে গেছে। আর আমদানি কমলে আমাদের রাজস্ব আয়ও কমে যায়। তারপরও আমাদের রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ২৮ শতাংশ। ঈদের ছুটির কারণে জুন মাসের কয়েকদনি বন্ধ ছিল। যেকারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছুটা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। আমাদের এখানে কোনো হয়রানি হয় না বলে তিনি দাবি করেন।

ট্যাগস :

বেনাপোল কাস্টমসে লক্ষ্য মাত্রা পূরণ হয়নি,রাজস্ব ঘাটতি ১৮০ কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩

মঙ্গলবার (১১ জুলাই) বেনাপোল কাস্টমসে গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮০ কোটি টাকা কম আদায় হয়েছে।

গত অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা। সেখানে আদায় হয়েছে ৫ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। একই সময়ে গত অর্থবছরের পণ্য আমদানি হয়েছে ২০ লাখ ৩৫ হাজার ৪৯৯ মেট্রিক টন। যা ২০২১-২২ অর্থবছরের চেয়ে এক লাখ ৪৩ হাজার ৯২১ মেট্রিক টন কম । বেনাপোল কাস্টমসের একটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

কাস্টমস ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে ডলার সংকটের কারণে খাদ্যপণ্য ছাড়া অন্য পণ্য আমদানিতে ব্যাংক এলসি খুলছে না। এতে ব্যবসায়ীরা চাহিদা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করতে পারেনি।

বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও ব্যবসায়ীরা বলেন, কাস্টসম ও বন্দরের নানা রকম হয়রানি আর বন্দর অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক ব্যবসায়ী বেনাপোল বন্দর ছেড়ে অন্য বন্দরে চলে গেছে। অভিযোগ রয়েছে কাস্টমস ও বন্দরের কর্মকর্তাদের নানা অনিয়মের কারণে গত ১০ বছর ধরে বেনাপোল কাস্টমস লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে পারেনি। গত কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলো এলসি খুলছে না। এতে আমদানির সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার ব্যবসায়ী অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামসুর রহমান বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের বেনাপোল দিয়ে বাণিজ্যে আগ্রহ বেশি। তবে বর্তমানে ডলার সংকটের কারণে সরকার এলসিতে শতভাগ মার্জিন শর্ত দিয়েছে। আবার ব্যাংকগুলো ডলার সংকট দেখিয়ে এলসি খুলছে না। যেকারণে গত বছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে পন্য আমদানি কমে গেছে। ডলার সংকট কেটে গেলে আমদানির হার বেড়ে যাবে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের যুগ্ম কমিশনার সাফায়েত হোসেন জানান, ডলার সংকটে ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে এলসি খুলতে পারছে না। যেকারণে পণ্য আমদানি কমে গেছে। আর আমদানি কমলে আমাদের রাজস্ব আয়ও কমে যায়। তারপরও আমাদের রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ২৮ শতাংশ। ঈদের ছুটির কারণে জুন মাসের কয়েকদনি বন্ধ ছিল। যেকারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছুটা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। আমাদের এখানে কোনো হয়রানি হয় না বলে তিনি দাবি করেন।