ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

বিয়ের প্রলোভনে ভাগিয়ে নিষিদ্ধ পল্লী বিক্রি ॥ পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে উদ্ধার

শেখ সাইদ আহমেদ সাবাব, শেরপুর :
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩ ২১০ বার পঠিত

শেরপুর শ্রীবরদী থানা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে জামালপুর নিষিদ্ধ পল্লী থেকে এক যুবতীকে উদ্ধার করা হয়েছে। শ্রীবরদী থানা পুলিশ আজ ১০ আগষ্ট বিকেলে যুবতীকে উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চত করে।

পুলিশ জানায় ওই যুবতীকে তার প্রেমিক লোকমান হোসেন বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে জামালপুর রানীগাওয়ে(দয়াময়ী মোড়) এলাকার নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করে দেয়।

পুলিশ প্রেমিক লোকমান হোসেনকে খোজঁছে।
অভিযুক্ত লোকমান শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর নিচপাড়া এলাকার জনৈক ইসমাইল হোসেন ওরফে ডাইয়ার ছেলে।
আজ ১০ আগষ্ঠ উদ্ধারকৃত যুবতীকে আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। যুবতীর বাড়ী শ্রীবরদী উপজেলাতে। গত ২০ জুন ওই যুবতীর প্রেমিক
লোকমান মিয়া প্রেমিকাকে নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করে দেয়। এনিয়ে মেয়ের অভিভাবক গত ৯ আগষ্ঠ শ্রীবরদী থানায় মামলা করলে নড়েচরে বসে পুলিশ।

তাৎক্ষনিক নানা প্রযুক্তি ব্যবহার করে যুবতীর অবস্থান ঠিক করে ওইদিন রাতেই সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে যুবতীকে রক্ষা করা হয়।

মামলা পুলিশ ও যুবতীর স্বীকারোক্তি থেকে জানা গেছে, বছর দুই আগে ওই নারীর পার্শবর্তি উপজেলা ঝিনাইগাতিতে বিয়ে হয়।স্বামীর সাথে সংসারে বনিবনা না হওয়ায় যুবতী মা বাবার কাছে চলে আসে।

মা-বাবা গাজীপুর জেলার পোষাক শ্রমিকের চাকরি কর। স্বামীর কাছ থেকে আসার পর মেয়ে সেখানেই থাকাতো।
এরই মধ্যে মোবাইলে ওই নারীর সাথে লোকমানের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। মাস দুই আগে ওই যুবতীর মা-বাবা যুবতীকে শ্রীবরদীতে দাদার বাড়ীতে
রেখে যায়। ঘটনার দিন ২০ জুন বিকালে প্রেমিকা নিয়ে প্রেমিক লোকমান পালিয়ে যায়। বিয়ের প্রলোভনে নানা জায়গায় ঘোরাঘুরি করে ওই রাতেই আরও ২/৩ জানের
সহয়তায় প্রেমিকাকে নিয়ে নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করে দেয়।

এঘটনার পর অনেক খোজাঁখুজির পর মেয়েকে না পেয়ে যুবতীর বাবা শ্রীবরদী থানায় মামলা করে।
শ্রীবরদী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, অভিযোগ পেয়েই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে সাঁড়াশি অভিযানে ওই যুবতীকে উদ্ধার করা
হয়েছে।

প্রেমিক ওই পিশাচকে ধরতে পুলিশের দুইটি টিম বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। বিষয়টি জেলার পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম পিপিএম তদারকি করছেন।
আশা করছি খুব দ্রুতই অপরাধীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :

বিয়ের প্রলোভনে ভাগিয়ে নিষিদ্ধ পল্লী বিক্রি ॥ পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:৩৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

শেরপুর শ্রীবরদী থানা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে জামালপুর নিষিদ্ধ পল্লী থেকে এক যুবতীকে উদ্ধার করা হয়েছে। শ্রীবরদী থানা পুলিশ আজ ১০ আগষ্ট বিকেলে যুবতীকে উদ্ধারের ঘটনাটি নিশ্চত করে।

পুলিশ জানায় ওই যুবতীকে তার প্রেমিক লোকমান হোসেন বিয়ের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে জামালপুর রানীগাওয়ে(দয়াময়ী মোড়) এলাকার নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করে দেয়।

পুলিশ প্রেমিক লোকমান হোসেনকে খোজঁছে।
অভিযুক্ত লোকমান শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর নিচপাড়া এলাকার জনৈক ইসমাইল হোসেন ওরফে ডাইয়ার ছেলে।
আজ ১০ আগষ্ঠ উদ্ধারকৃত যুবতীকে আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। যুবতীর বাড়ী শ্রীবরদী উপজেলাতে। গত ২০ জুন ওই যুবতীর প্রেমিক
লোকমান মিয়া প্রেমিকাকে নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করে দেয়। এনিয়ে মেয়ের অভিভাবক গত ৯ আগষ্ঠ শ্রীবরদী থানায় মামলা করলে নড়েচরে বসে পুলিশ।

তাৎক্ষনিক নানা প্রযুক্তি ব্যবহার করে যুবতীর অবস্থান ঠিক করে ওইদিন রাতেই সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে যুবতীকে রক্ষা করা হয়।

মামলা পুলিশ ও যুবতীর স্বীকারোক্তি থেকে জানা গেছে, বছর দুই আগে ওই নারীর পার্শবর্তি উপজেলা ঝিনাইগাতিতে বিয়ে হয়।স্বামীর সাথে সংসারে বনিবনা না হওয়ায় যুবতী মা বাবার কাছে চলে আসে।

মা-বাবা গাজীপুর জেলার পোষাক শ্রমিকের চাকরি কর। স্বামীর কাছ থেকে আসার পর মেয়ে সেখানেই থাকাতো।
এরই মধ্যে মোবাইলে ওই নারীর সাথে লোকমানের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। মাস দুই আগে ওই যুবতীর মা-বাবা যুবতীকে শ্রীবরদীতে দাদার বাড়ীতে
রেখে যায়। ঘটনার দিন ২০ জুন বিকালে প্রেমিকা নিয়ে প্রেমিক লোকমান পালিয়ে যায়। বিয়ের প্রলোভনে নানা জায়গায় ঘোরাঘুরি করে ওই রাতেই আরও ২/৩ জানের
সহয়তায় প্রেমিকাকে নিয়ে নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করে দেয়।

এঘটনার পর অনেক খোজাঁখুজির পর মেয়েকে না পেয়ে যুবতীর বাবা শ্রীবরদী থানায় মামলা করে।
শ্রীবরদী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, অভিযোগ পেয়েই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে সাঁড়াশি অভিযানে ওই যুবতীকে উদ্ধার করা
হয়েছে।

প্রেমিক ওই পিশাচকে ধরতে পুলিশের দুইটি টিম বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। বিষয়টি জেলার পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম পিপিএম তদারকি করছেন।
আশা করছি খুব দ্রুতই অপরাধীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।