ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

বারি জাতের কচু চাষে ঝুঁকছে  গোয়ালন্দের কৃষকেরা

প্রতিদিনের খবর ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় : ০৮:৩১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৫৮ বার পঠিত
মোঃ মজিবুর জুয়েল , গোয়ালন্দ( রাজবাড়ী):
সবার কাছে অতি পরিচিত সবজি কচু।  কচুতে রোগ বালাই কম ও কীটনাশক ছাড়াই আবাদ করা যায়। বারি জাতের কচু চাষে দিনে দিনে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। অন্যন্য ফসলের চেয়ে আবাদে খরচ খুব কম ও ততটা পচনশীল নয়। তাই  কৃষিতে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষকেরা   বারি৫ জাতের কচু চাষে ঝুঁকছে।
সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, উপজেলার চরাঞ্চলে দৌলতদিয়া, দেবগ্রাম, উজানচর কাওয়ালজানি, চরকর্ণশনা, দেবিপুর, চরমজলিশপুর,  চরমহিদাপুর এ সব এলাকাতে পানি বারি জাতের কচু বেশি চাষ করছে চরাঞ্চলে কৃষকেরা। কচু এমন একটি সবজি যার আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত খাওয়া যায় অথচ দামের খুবী  সন্তা।কচুর লতি ডাটা ও কচিপাতা সমাজের সর্বস্তরের  মানুষের কাছে সুষম পুষ্টিকর সবজি হিসাবে পরিচিত  কচু  পুষ্টিগুনে ভরপুর। কচু চাষকৃত প্রাচীন উদ্ভিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। কচু স্থলভূমি ও জলভূমি উভয় স্থানে জম্মাতে পারে তবে স্থালভাগেই জম্মানো কচুর সংখ্যা বেশি। রাস্তা পাশে  বাড়ির আনাচে কানাচে অনাবাদি জমিতে নিচু দোআঁশ মাটির জমিতে বারি জাতের কচুর চাষ রয়েছে। কচুর বহু জাতের হয়ে থাকে যেমন বনকচু, বিষকচু, কাটাকচু, মুখীকচু, শোলাকচু, ওলকচু, মানকচু, ক্যানকচু, সালকচু, দুধকচু, ঘেটুকচু, মৌলবীকচু, গাঢ়কচু, পানিকচু ইত্যাদি। সাধারণত বনে এ ধরনের অনেক জাতের কচু নিজে নিজেই জম্মায় তাকে বনোকচু বলে সে গুলো খাবারের উপযোগী নয়। বিভিন্ন জাতের কচু অঞ্চলভেদে ভিন্ন ভিন্ন নামে ও পরিচিত। তবে কৃষি সম্প্রসারন কার্যালয় সূত্রে  কচুর নাম রয়েছে  মুখীকচু, বারি পানিকচু, বারিকচু ১ বারিকচু ২ ইত্যাদি।বারি  পানি জাতের কচু বিঘা প্রতি ১২৫ থেকে ১৫০ মণ ও লতি ২০ থেকে ৩০ মণ উৎপাদিত হয়। বারি জাতের কচু চাষে  খরচ কম লাভ বেশি।
চরাঞ্চলের কৃষক হুমায়ন বলেন, আমি কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে দুই বিঘা জমিতে  বারি ৫  জাতের কচু চাষ করেছি। তাতে  খুবী  খরচ কম হয়েছে। এতে ভালো ফলনের আশা করছি। বারি৫ জাতের কচু  এই প্রথম চাষ করেছি। আগে কখনো এ জাতের কচু চাষ করিনি। এক একটা বারি৫ জাতের কচুর ওজন হবে ১৫ থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত। তাতে খরচ পুষিয়ে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছি।
চরাঞ্চলের আরেক কৃষক বলেন, আমি এই প্রথম আমার এক বিঘা জমিতে বারি৫ জাতের কচু চাষ করছি। এক বিঘা জমিতে যে কচু চাষ করেছি তাতে খরচ হয়েছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মত। জমিতে যে  কচুর ফলন হয়েছে। যদি বাজারদর ঠিক থাকে তাতে খরচ পুষিয়ে অনেক টাকাই লাভ হবে।
গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. খোকনুজ্জামান বলেন, বারি৫ জাতের কচু চাষে কৃষকের খরচ খুবী কম হয়। এতে কৃষক অল্পদিনে লাভবান হয়। এ বছরে গোয়ালন্দ উপজেলায় ১৫ হেক্টর জমিতে বারি৫ জাতের কচু আবাদ হয়েছে।
ট্যাগস :

বারি জাতের কচু চাষে ঝুঁকছে  গোয়ালন্দের কৃষকেরা

আপডেট সময় : ০৮:৩১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
মোঃ মজিবুর জুয়েল , গোয়ালন্দ( রাজবাড়ী):
সবার কাছে অতি পরিচিত সবজি কচু।  কচুতে রোগ বালাই কম ও কীটনাশক ছাড়াই আবাদ করা যায়। বারি জাতের কচু চাষে দিনে দিনে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। অন্যন্য ফসলের চেয়ে আবাদে খরচ খুব কম ও ততটা পচনশীল নয়। তাই  কৃষিতে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষকেরা   বারি৫ জাতের কচু চাষে ঝুঁকছে।
সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, উপজেলার চরাঞ্চলে দৌলতদিয়া, দেবগ্রাম, উজানচর কাওয়ালজানি, চরকর্ণশনা, দেবিপুর, চরমজলিশপুর,  চরমহিদাপুর এ সব এলাকাতে পানি বারি জাতের কচু বেশি চাষ করছে চরাঞ্চলে কৃষকেরা। কচু এমন একটি সবজি যার আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত খাওয়া যায় অথচ দামের খুবী  সন্তা।কচুর লতি ডাটা ও কচিপাতা সমাজের সর্বস্তরের  মানুষের কাছে সুষম পুষ্টিকর সবজি হিসাবে পরিচিত  কচু  পুষ্টিগুনে ভরপুর। কচু চাষকৃত প্রাচীন উদ্ভিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। কচু স্থলভূমি ও জলভূমি উভয় স্থানে জম্মাতে পারে তবে স্থালভাগেই জম্মানো কচুর সংখ্যা বেশি। রাস্তা পাশে  বাড়ির আনাচে কানাচে অনাবাদি জমিতে নিচু দোআঁশ মাটির জমিতে বারি জাতের কচুর চাষ রয়েছে। কচুর বহু জাতের হয়ে থাকে যেমন বনকচু, বিষকচু, কাটাকচু, মুখীকচু, শোলাকচু, ওলকচু, মানকচু, ক্যানকচু, সালকচু, দুধকচু, ঘেটুকচু, মৌলবীকচু, গাঢ়কচু, পানিকচু ইত্যাদি। সাধারণত বনে এ ধরনের অনেক জাতের কচু নিজে নিজেই জম্মায় তাকে বনোকচু বলে সে গুলো খাবারের উপযোগী নয়। বিভিন্ন জাতের কচু অঞ্চলভেদে ভিন্ন ভিন্ন নামে ও পরিচিত। তবে কৃষি সম্প্রসারন কার্যালয় সূত্রে  কচুর নাম রয়েছে  মুখীকচু, বারি পানিকচু, বারিকচু ১ বারিকচু ২ ইত্যাদি।বারি  পানি জাতের কচু বিঘা প্রতি ১২৫ থেকে ১৫০ মণ ও লতি ২০ থেকে ৩০ মণ উৎপাদিত হয়। বারি জাতের কচু চাষে  খরচ কম লাভ বেশি।
চরাঞ্চলের কৃষক হুমায়ন বলেন, আমি কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে দুই বিঘা জমিতে  বারি ৫  জাতের কচু চাষ করেছি। তাতে  খুবী  খরচ কম হয়েছে। এতে ভালো ফলনের আশা করছি। বারি৫ জাতের কচু  এই প্রথম চাষ করেছি। আগে কখনো এ জাতের কচু চাষ করিনি। এক একটা বারি৫ জাতের কচুর ওজন হবে ১৫ থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত। তাতে খরচ পুষিয়ে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছি।
চরাঞ্চলের আরেক কৃষক বলেন, আমি এই প্রথম আমার এক বিঘা জমিতে বারি৫ জাতের কচু চাষ করছি। এক বিঘা জমিতে যে কচু চাষ করেছি তাতে খরচ হয়েছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মত। জমিতে যে  কচুর ফলন হয়েছে। যদি বাজারদর ঠিক থাকে তাতে খরচ পুষিয়ে অনেক টাকাই লাভ হবে।
গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. খোকনুজ্জামান বলেন, বারি৫ জাতের কচু চাষে কৃষকের খরচ খুবী কম হয়। এতে কৃষক অল্পদিনে লাভবান হয়। এ বছরে গোয়ালন্দ উপজেলায় ১৫ হেক্টর জমিতে বারি৫ জাতের কচু আবাদ হয়েছে।