ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

‘বান্ধবী থেকে বোন’

পুলক সরকার- বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩ ৫২২ বার পঠিত

স্কুল জীবনের গন্ডী পার করেই কলেজে ভর্তি হইল অপরাজিতা।,, দিন দিন কলেজে সময় যেতে থাকে অপরাজিতার।,, অপরাজিতার একটু অন্য রকমের মানুষ, চুপ চাপ থাকা ওর একটা সমস্যা। অপরাজিতা নিজের ক্লাস এর একটা ক্লাস মেট দেখে বেশ ভালো লাগলো। তার নাম ছিলো সাবরিনা। সাবরিনার সাথে কথা বলতে চাইলে সাবরিনা কথা বলে অপরাজিতার সাথে।অপরাজিতা এমন একজন ব্যক্তি ও ফ্রেন্ড শিপ এর সাথে সাথে ভালো বাসতে থাকে সাবরিনাকে। হঠাৎ অপরাজিতা জীবিনে নেমে আসে নতুন অধ্যায় , অপরাজিতার বিয়ে হয় । অপরাজিতার কাছের ফ্রেন্ড সাবরিনাকে বলার সুযোগ হয় না, হঠাৎ সকাল বেলা সাবরিনা কে ফোন কলে জানাই আমার না বিয়ে হইছে। সাবরিনা বিশ্বাস করে না পরবর্তীতে বিশ্বাস করে।এই ভাবে ২ বান্ধবীর বেশ সময় কাটতে থাকে অপরাজিতার কিছু খারাপ স্বভাবের আছে সে সব সময় তার বন্ধুত্বের প্রমান দেখাতে চাইতো (হাত কাটা সহ বিভিন্ন খারাপ স্বভাব)। একটা পর্যায়ে সাবরিনার এই গুলো পছন্দ না তাই ওদের মাঝে বড় ধরনের ঝামেলা তৈরি হয়ে গেলো যোগাযোগ অফ হয়ে গেলো সাবরিনার সাথে অপরাজিতা ইন্টার শেষ করে এডমিশন এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে সাবরিনা। আর এইদিকে অপরাজিতা প্রস্তুতি নিচ্ছে শশুড় বাড়িতে যাওয়ার। হঠাৎ অপরাজিতার জীবিনে নেমে আসলো কালো ছায়া।,, কিন্তু অপরাজিতা চাইত তার সব থেকে প্রিয় ফ্রেন্ড সাবরিনা তার পাশে থাক কোন ভাবে সাবরিনার সাথে যোগাযোগ করতে পারেনাই অপরাজিতা। কারণ অপরাজিতা সব ব্লক লিষ্ট,, সাবরিনা ইচ্ছা কৃত ভাবে এমন টা করছে যে অপরাজিতা নিজের যে কষ্ট দিত ভালোবাসা বা বন্ধুত্ব প্রমান করার জন্য অই টা চেঞ্জ হয়,,। তাই যোগাযোগ এর রাস্তা সব বন্ধ, সাবরিনা- অপরাজিতা মাঝে অনেক ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়ে গেছিলো তাই সাবরিনা চাইত অপরাজিতা একটু চেঞ্জ হোক।১ টা বছর কোন যোগাযোগ ছিলো না হঠাৎ সাবরিনার সাথে অপরাজিতার দেখা ক্যাম্পাসে, ঠিক সেই মুহুর্তে সাবরিনা কথা বলে উঠে অপরাজিতার সাথে। আবেগে অপরাজিতার বুক ফেটে কান্না চলে আচ্ছে কোন মত বুঝিয়ে নিলো নিজেকে ভেজ্ঞে পড়লে চলবে না সাবরিনা কে বোঝাতে হবে যে ও অপরাজিতা অনেক চেঞ্জ হয়ে গেছে,, যাইহোক দুই বান্ধবীর অনেক ক্ষন কথা চলতে থাকলো, অবশেষে আসতে আসতে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ঠিক হতে থাকলো,, মাঝে ঘটে যাওয়া অপরাজিতা ঘটনা সাবরিনা কে বললে সাবরিনা অনেক কষ্ট পাইলো।সাবরিনার মত বন্ধুত্ব পাওয়া সত্যিই অনেক লাখী এত ভালো একজন মানুষ । ৮ বছর সম্পর্ক ২ বন্ধুত্ব এর মাঝে প্রতি নিয়ত কথা বলতে বলতে বন্ধুত্বের জায়গা কখন যে বোনের দায়িত্ব চলে এসেছে অপরাজিতার ,, অপরাজিতা নিজেও জানে না।( ২ বান্ধবী রুপে বোনের সম্পর্ক মৃত্যু আগ অব্দি থাকবে অপরাজিতা + সাবরিনা।)
কলমে- তন্নী খাতুন

‘বান্ধবী থেকে বোন’

আপডেট সময় : ১০:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩

স্কুল জীবনের গন্ডী পার করেই কলেজে ভর্তি হইল অপরাজিতা।,, দিন দিন কলেজে সময় যেতে থাকে অপরাজিতার।,, অপরাজিতার একটু অন্য রকমের মানুষ, চুপ চাপ থাকা ওর একটা সমস্যা। অপরাজিতা নিজের ক্লাস এর একটা ক্লাস মেট দেখে বেশ ভালো লাগলো। তার নাম ছিলো সাবরিনা। সাবরিনার সাথে কথা বলতে চাইলে সাবরিনা কথা বলে অপরাজিতার সাথে।অপরাজিতা এমন একজন ব্যক্তি ও ফ্রেন্ড শিপ এর সাথে সাথে ভালো বাসতে থাকে সাবরিনাকে। হঠাৎ অপরাজিতা জীবিনে নেমে আসে নতুন অধ্যায় , অপরাজিতার বিয়ে হয় । অপরাজিতার কাছের ফ্রেন্ড সাবরিনাকে বলার সুযোগ হয় না, হঠাৎ সকাল বেলা সাবরিনা কে ফোন কলে জানাই আমার না বিয়ে হইছে। সাবরিনা বিশ্বাস করে না পরবর্তীতে বিশ্বাস করে।এই ভাবে ২ বান্ধবীর বেশ সময় কাটতে থাকে অপরাজিতার কিছু খারাপ স্বভাবের আছে সে সব সময় তার বন্ধুত্বের প্রমান দেখাতে চাইতো (হাত কাটা সহ বিভিন্ন খারাপ স্বভাব)। একটা পর্যায়ে সাবরিনার এই গুলো পছন্দ না তাই ওদের মাঝে বড় ধরনের ঝামেলা তৈরি হয়ে গেলো যোগাযোগ অফ হয়ে গেলো সাবরিনার সাথে অপরাজিতা ইন্টার শেষ করে এডমিশন এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে সাবরিনা। আর এইদিকে অপরাজিতা প্রস্তুতি নিচ্ছে শশুড় বাড়িতে যাওয়ার। হঠাৎ অপরাজিতার জীবিনে নেমে আসলো কালো ছায়া।,, কিন্তু অপরাজিতা চাইত তার সব থেকে প্রিয় ফ্রেন্ড সাবরিনা তার পাশে থাক কোন ভাবে সাবরিনার সাথে যোগাযোগ করতে পারেনাই অপরাজিতা। কারণ অপরাজিতা সব ব্লক লিষ্ট,, সাবরিনা ইচ্ছা কৃত ভাবে এমন টা করছে যে অপরাজিতা নিজের যে কষ্ট দিত ভালোবাসা বা বন্ধুত্ব প্রমান করার জন্য অই টা চেঞ্জ হয়,,। তাই যোগাযোগ এর রাস্তা সব বন্ধ, সাবরিনা- অপরাজিতা মাঝে অনেক ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়ে গেছিলো তাই সাবরিনা চাইত অপরাজিতা একটু চেঞ্জ হোক।১ টা বছর কোন যোগাযোগ ছিলো না হঠাৎ সাবরিনার সাথে অপরাজিতার দেখা ক্যাম্পাসে, ঠিক সেই মুহুর্তে সাবরিনা কথা বলে উঠে অপরাজিতার সাথে। আবেগে অপরাজিতার বুক ফেটে কান্না চলে আচ্ছে কোন মত বুঝিয়ে নিলো নিজেকে ভেজ্ঞে পড়লে চলবে না সাবরিনা কে বোঝাতে হবে যে ও অপরাজিতা অনেক চেঞ্জ হয়ে গেছে,, যাইহোক দুই বান্ধবীর অনেক ক্ষন কথা চলতে থাকলো, অবশেষে আসতে আসতে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ঠিক হতে থাকলো,, মাঝে ঘটে যাওয়া অপরাজিতা ঘটনা সাবরিনা কে বললে সাবরিনা অনেক কষ্ট পাইলো।সাবরিনার মত বন্ধুত্ব পাওয়া সত্যিই অনেক লাখী এত ভালো একজন মানুষ । ৮ বছর সম্পর্ক ২ বন্ধুত্ব এর মাঝে প্রতি নিয়ত কথা বলতে বলতে বন্ধুত্বের জায়গা কখন যে বোনের দায়িত্ব চলে এসেছে অপরাজিতার ,, অপরাজিতা নিজেও জানে না।( ২ বান্ধবী রুপে বোনের সম্পর্ক মৃত্যু আগ অব্দি থাকবে অপরাজিতা + সাবরিনা।)
কলমে- তন্নী খাতুন