ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির শামা ওবায়েদ ও জামাতের সোহরাব একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়

মিজানুর রহমান,নগরকান্দা (ফরিদপুর):
  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ১৯৯ বার পঠিত

Oplus_131072

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সরব হয়ে উঠেছে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনের রাজনীতি। আওয়ামী লীগের দীর্ঘমেয়াদী শাসনের পর বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে সাধারণ মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ আসনে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর একক প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন যথাক্রমে শামা ওবায়েদ ইসলাম রিঙ্কু ও মাওলানা সোহরাব হোসেন।
গত বছরের জুলাইয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই নগরকান্দা ও সালথার মাঠে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে থাকে। বিএনপির সাবেক মহাসচিব কে.এম. ওবায়দুর রহমানের কন্যা এবং দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিঙ্কু দলের সবুজ সংকেত পেয়ে মাঠে নেমেছেন আগেভাগেই। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীও তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। নগরকান্দা উপজেলা জামায়াতের সভাপতি ও তালমা নাজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা সোহরাব হোসেন এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার ৬০৯ জন। এর মধ্যে দুই প্রধান বিরোধী দলের প্রার্থী ছাড়াও গণ-অধিকারের মো. ফারুক ফকির, খেলাফত মজলিসের মাওলানা আকরাম আলী ও মাওলানা লিয়াকত আলী এবং ইসলামী আন্দোলনের শাহ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিনের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রার্থীর মাঠে তৎপরতা দেখা যায়নি।
নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ বলেন, “কে.এম. ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুর পর তার মেয়ে শামা ওবায়েদ রিঙ্কু দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তিনি দলের দুর্দিনে সাহসিকতার সঙ্গে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করেছেন। তাই আমরা আশাবাদী তিনি বিজয়ী হবেন।”
নিজস্ব বক্তব্যে শামা ওবায়েদ বলেন, “বিগত ১৭ বছরে এ অঞ্চলে কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। শিক্ষা, সড়ক, কর্মসংস্থান ও নারীদের উন্নয়নে অবহেলা করা হয়েছে। নির্বাচিত হলে এ সমস্যাগুলোর সমাধানে কাজ করব এবং একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করব।”
অপরদিকে, জামাত প্রার্থী মাওলানা সোহরাব হোসেন বলেন, “দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আমি গণসংযোগ করছি। জামায়াত ইসলামের প্রতি মানুষের আস্থা ও সমর্থন বেড়েছে। আমি সামাজিক ও মানবিক কাজ করে মানুষের পাশে আছি। আশা করি ভালো ফলাফল হবে।”
ফরিদপুর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. আবু হারিচ মোল্লা জানান, “জেলার প্রতিটি ইউনিটে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। আমাদের প্রার্থী জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।”
ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ এবং সোহরাব হোসেনের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ এখনো মাঠে না নামলেও বিএনপি ও জামাতের প্রার্থীরা পুরোদমে প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।

ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির শামা ওবায়েদ ও জামাতের সোহরাব একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সরব হয়ে উঠেছে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনের রাজনীতি। আওয়ামী লীগের দীর্ঘমেয়াদী শাসনের পর বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে সাধারণ মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ আসনে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর একক প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন যথাক্রমে শামা ওবায়েদ ইসলাম রিঙ্কু ও মাওলানা সোহরাব হোসেন।
গত বছরের জুলাইয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই নগরকান্দা ও সালথার মাঠে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে থাকে। বিএনপির সাবেক মহাসচিব কে.এম. ওবায়দুর রহমানের কন্যা এবং দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিঙ্কু দলের সবুজ সংকেত পেয়ে মাঠে নেমেছেন আগেভাগেই। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীও তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। নগরকান্দা উপজেলা জামায়াতের সভাপতি ও তালমা নাজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা সোহরাব হোসেন এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার ৬০৯ জন। এর মধ্যে দুই প্রধান বিরোধী দলের প্রার্থী ছাড়াও গণ-অধিকারের মো. ফারুক ফকির, খেলাফত মজলিসের মাওলানা আকরাম আলী ও মাওলানা লিয়াকত আলী এবং ইসলামী আন্দোলনের শাহ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিনের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রার্থীর মাঠে তৎপরতা দেখা যায়নি।
নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ বলেন, “কে.এম. ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুর পর তার মেয়ে শামা ওবায়েদ রিঙ্কু দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তিনি দলের দুর্দিনে সাহসিকতার সঙ্গে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করেছেন। তাই আমরা আশাবাদী তিনি বিজয়ী হবেন।”
নিজস্ব বক্তব্যে শামা ওবায়েদ বলেন, “বিগত ১৭ বছরে এ অঞ্চলে কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। শিক্ষা, সড়ক, কর্মসংস্থান ও নারীদের উন্নয়নে অবহেলা করা হয়েছে। নির্বাচিত হলে এ সমস্যাগুলোর সমাধানে কাজ করব এবং একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করব।”
অপরদিকে, জামাত প্রার্থী মাওলানা সোহরাব হোসেন বলেন, “দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আমি গণসংযোগ করছি। জামায়াত ইসলামের প্রতি মানুষের আস্থা ও সমর্থন বেড়েছে। আমি সামাজিক ও মানবিক কাজ করে মানুষের পাশে আছি। আশা করি ভালো ফলাফল হবে।”
ফরিদপুর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. আবু হারিচ মোল্লা জানান, “জেলার প্রতিটি ইউনিটে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। আমাদের প্রার্থী জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।”
ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ এবং সোহরাব হোসেনের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ এখনো মাঠে না নামলেও বিএনপি ও জামাতের প্রার্থীরা পুরোদমে প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।