ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

পোষ্টার ছিড়তে বাঁধা দেয়ায় যুবদল কর্মীকে মারধর

জাহিদুল ইসলাম জাহিদ-হাতীবান্ধা(লালমনিরহাট):
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫ ৬২ বার পঠিত

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের সাঁটানো পোষ্টার ছিড়তে বাঁধা দেয়ায় এক যুবদল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী সমর্থিত বাবলু ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। 

গত ১৮ এপ্রিল দুপুরে ওই উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড দোলাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় আহত যুবদলের কর্মী সোহেল রানা বাদী হয়ে সাত জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানা লিখিত অভিযোগ করেছেন। 

অভিযুক্তরা হলেন দোলাপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে বাবলু (২৮) সাবলু (২৩) তার মেয়ে লুবা ২৫ লুৎফর রহমানের স্ত্রী আমেনা বেগম (৫০),মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে আশরাফুল(৩৫),নুরুজ্জামানের ছেলে নয়ন ইসলাম (২২),পুর্ব ফকিরপাড়া গ্রামের লেবুর ছেলে সাবু ইসলাম(২৩)।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু’র ডাকা তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের সাঁটানো পোষ্টার ছিড়ে ফেলছিলেন ফ্যাসিস্টের দোসর বাবলু ও তার লোকজন। একজন যুবদল কর্মী হিসেবে সোহেল রানা তা দেখে বাঁধা দিতে যান। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে বাবলু ও তার লোকজন সোহেল রানাকে বেধরক মারধর করেন এবং তার পকেটে থাকা একটি স্মার্ট ফোন জোর করে ছিনিয়ে নেন। পরে সোহেলের পরিবারের লোকজন আসলে বিএনপির কোনো পোষ্টার এলাকায় লাগানো যাবে না বলে শাসিয়ে চলে যান তারা।

পরে আহত সোহেল রানাকে উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

আহত সোহেল রানার চাচা আবুল হোসেন বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হওয়ার পর কিভাবে একজন ফ্যাসিস্টের দোসর এলাকায় বিএনপির কোনো পোষ্টার রাখতে দেয় না। ফ্যাসিস্টের দোষর আমার ভাতিজাকে মারধর করেছে আমি এর বিচার চাই। 

তবে অভিযুক্ত বাবলু’র পিতা লুৎফর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন ,আমার ছেলে পোষ্টার ছেড়ার সাথে জড়িত নয়। 

হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুন-নবী বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পোষ্টার ছিড়তে বাঁধা দেয়ায় যুবদল কর্মীকে মারধর

আপডেট সময় : ০৫:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের সাঁটানো পোষ্টার ছিড়তে বাঁধা দেয়ায় এক যুবদল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী সমর্থিত বাবলু ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। 

গত ১৮ এপ্রিল দুপুরে ওই উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড দোলাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় আহত যুবদলের কর্মী সোহেল রানা বাদী হয়ে সাত জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানা লিখিত অভিযোগ করেছেন। 

অভিযুক্তরা হলেন দোলাপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে বাবলু (২৮) সাবলু (২৩) তার মেয়ে লুবা ২৫ লুৎফর রহমানের স্ত্রী আমেনা বেগম (৫০),মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে আশরাফুল(৩৫),নুরুজ্জামানের ছেলে নয়ন ইসলাম (২২),পুর্ব ফকিরপাড়া গ্রামের লেবুর ছেলে সাবু ইসলাম(২৩)।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু’র ডাকা তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের সাঁটানো পোষ্টার ছিড়ে ফেলছিলেন ফ্যাসিস্টের দোসর বাবলু ও তার লোকজন। একজন যুবদল কর্মী হিসেবে সোহেল রানা তা দেখে বাঁধা দিতে যান। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে বাবলু ও তার লোকজন সোহেল রানাকে বেধরক মারধর করেন এবং তার পকেটে থাকা একটি স্মার্ট ফোন জোর করে ছিনিয়ে নেন। পরে সোহেলের পরিবারের লোকজন আসলে বিএনপির কোনো পোষ্টার এলাকায় লাগানো যাবে না বলে শাসিয়ে চলে যান তারা।

পরে আহত সোহেল রানাকে উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

আহত সোহেল রানার চাচা আবুল হোসেন বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হওয়ার পর কিভাবে একজন ফ্যাসিস্টের দোসর এলাকায় বিএনপির কোনো পোষ্টার রাখতে দেয় না। ফ্যাসিস্টের দোষর আমার ভাতিজাকে মারধর করেছে আমি এর বিচার চাই। 

তবে অভিযুক্ত বাবলু’র পিতা লুৎফর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন ,আমার ছেলে পোষ্টার ছেড়ার সাথে জড়িত নয়। 

হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুন-নবী বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।