ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

পরীক্ষা কেন্দ্রে অনিয়মঃ দায়িত্ব অবহেলায় ১৭ শিক্ষকের অব্যাহতি ১জনের কারাদণ্ড

মাসুদুর রহমান রুবেল-সাভার (ঢাকা):
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩ ২৩২ বার পঠিত

ঢাকা জেলার ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে প্রত্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালনের অবহেলায় ১৭ শিক্ষককে অব্যহতি প্রদান করা হয়েছে সেই সাথে নানা অনিয়মের কারণে জালসা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এমদাদুল হক নামে এক শিক্ষককে ২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১০ মে) সকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়, নবযুগ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এবং ভালুম আতাউর রহমান খান উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এসময় দায়িত্ব অবহেলায় কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত হন- জালসা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নাজিম উদ্দিন, খাগাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শংকর প্রসাদ, বান্নাখোলা সরকারী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ ও বাথুলী-২ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সনকা।

কুশুরা কেন্দ্রের নবযুগ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত হন- খাগাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আবজাল হোসেন ও আঞ্জুমান আরা, জালসা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ইয়াকুব আলী, শিমুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হেলাল উদ্দিন, বান্নল লাক্ষু হাজী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জাকির হোসেন, ভোলানাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আবুল কাশেম, মো. আব্দুল আলীম ও মুক্তা রাণী পাল।

ভালুম আতাউর রহমান খান উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত হন- সূয়াপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো. আবু তাহের, ভাড়ারিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মর্জিনা বেগম, সূয়াপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক তাসলিমা আক্তার, আমাতন নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নাঈম হোসেন ও ভালুম আতাউর রহমান খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল আউয়াল।

নানা অনিয়ম ও দায়িত্বের বরখেলাপ করায় সাজাপ্রাপ্ত হন- জালসা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এমদাদুল হক।

জানা যায়, বুধবার সকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হুসাইন মুহাম্মদ হাই জকী কুশুরা নবযুগ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এ সময় এমদাদুল হক নামে এক ব্যক্তি পরীক্ষা চলাকালে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশ্নের উত্তর পত্রের সেট কোড পরিবর্তন করে ভিন্ন সেট কোড ছাত্র-ছাত্রীদের পূরণ করনে সহায়তা করেছে। যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে ওই শিক্ষককে ২ বছরের কারাদণ্ড দেন ইউএনও। এছাড়াও বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্ব অবহেলার কারণে ১৭ সহকারী শিক্ষককে অব্যাহতি দেয়া হয়।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুসাইন মুহাম্মদ হাই জকী বলেন, পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের কে সহযোগিতা করার জন্য এবং প্রশ্নের উত্তর বলে দেওয়ার জন্য একজনকে দুই বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দায়িত্ব অবহেলার কারণে ১৭ শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষা সুন্দর ও নকলমুক্ত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। কোথাও অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :

পরীক্ষা কেন্দ্রে অনিয়মঃ দায়িত্ব অবহেলায় ১৭ শিক্ষকের অব্যাহতি ১জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩

ঢাকা জেলার ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে প্রত্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালনের অবহেলায় ১৭ শিক্ষককে অব্যহতি প্রদান করা হয়েছে সেই সাথে নানা অনিয়মের কারণে জালসা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এমদাদুল হক নামে এক শিক্ষককে ২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১০ মে) সকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়, নবযুগ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এবং ভালুম আতাউর রহমান খান উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এসময় দায়িত্ব অবহেলায় কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত হন- জালসা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নাজিম উদ্দিন, খাগাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শংকর প্রসাদ, বান্নাখোলা সরকারী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ ও বাথুলী-২ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সনকা।

কুশুরা কেন্দ্রের নবযুগ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত হন- খাগাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আবজাল হোসেন ও আঞ্জুমান আরা, জালসা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ইয়াকুব আলী, শিমুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হেলাল উদ্দিন, বান্নল লাক্ষু হাজী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জাকির হোসেন, ভোলানাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আবুল কাশেম, মো. আব্দুল আলীম ও মুক্তা রাণী পাল।

ভালুম আতাউর রহমান খান উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত হন- সূয়াপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো. আবু তাহের, ভাড়ারিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মর্জিনা বেগম, সূয়াপুর নান্নার স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক তাসলিমা আক্তার, আমাতন নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নাঈম হোসেন ও ভালুম আতাউর রহমান খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল আউয়াল।

নানা অনিয়ম ও দায়িত্বের বরখেলাপ করায় সাজাপ্রাপ্ত হন- জালসা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এমদাদুল হক।

জানা যায়, বুধবার সকালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হুসাইন মুহাম্মদ হাই জকী কুশুরা নবযুগ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এ সময় এমদাদুল হক নামে এক ব্যক্তি পরীক্ষা চলাকালে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশ্নের উত্তর পত্রের সেট কোড পরিবর্তন করে ভিন্ন সেট কোড ছাত্র-ছাত্রীদের পূরণ করনে সহায়তা করেছে। যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে ওই শিক্ষককে ২ বছরের কারাদণ্ড দেন ইউএনও। এছাড়াও বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্ব অবহেলার কারণে ১৭ সহকারী শিক্ষককে অব্যাহতি দেয়া হয়।

ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুসাইন মুহাম্মদ হাই জকী বলেন, পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের কে সহযোগিতা করার জন্য এবং প্রশ্নের উত্তর বলে দেওয়ার জন্য একজনকে দুই বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দায়িত্ব অবহেলার কারণে ১৭ শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষা সুন্দর ও নকলমুক্ত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। কোথাও অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।