নারায়ণ চন্দ্র চন্দ খুলনা-৫ ডুমুরিয়া-ফুলতলা আসনে নৌকার মাঝি
- আপডেট সময় : ০৩:০৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৩ ৪৩৮ বার পঠিত

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে
গতকাল রবিবার (২৬ নভেম্বর)বিকেলে এই তালিকায় খুলনা-৫ ডুমুরিয়া- ফুলতলা আসন থেকে সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপিকে নৌকার মাঝি হিসেবে ঘোষণা করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ’র মনোনয়ন কমিটি।
বিগত ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আমলে সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী সালাউদ্দিন ইউসুফ এমপির মৃত্যুতে শূন্য হওয়া খুলনা-৫ আসনের উপনির্বাচনে। ২০০০ সালে ২০ ডিসেম্বরের ভোটে জিতলেও ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি হেরে যান। আর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আসনটি আবার নিজের করে নেন নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে খুলনা-৫ আসন থেকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃতীয়বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।শেখ হাসিনার তৃতীয় মন্ত্রিসভায় তিনি ২৫ জানুয়ারি ২০১৪ থেকে ২ জানুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও ২ জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ৭ জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সর্বশেষ ২০১৯ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি খুলনা-৫ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়।
গতকাল রবিবার ২৬ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ’র মনোনয়ন বোর্ড কতৃক নারায়ণ চন্দ্র চন্দের নাম ঘোষণা করায় তার সমর্থকেরা উচ্ছাস প্রকাশ করে ডুমুরিয়া-ফুলতলায় খন্ড খন্ড আনন্দ মিছিল করে।এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মহান সৃষ্টি কর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায় করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন অনেকেই। আবার কোথাও কোথাও
অধিক রাত্র পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগি সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা গেছে।
এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে নতুন মুখ যেমন এসেছেন, তেমনি বাদও পড়েছেন মন্ত্রী, উপ- মন্ত্রীসহ বিতর্কিত এমপিরা। তবে জনগণের ভোটে বিজয়ী হতে পারবেন এমন প্রার্থীদের কাউকেই বাদ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে দলের বিভিন্ন সূত্র।
গত বৃহস্পতিবার সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা শুরু হয়। সেদিন খুলনা, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ১০৮টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।



















