ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

নান্দাইলে বিএনপির ৩৫ বৎসর পর পিতার আসনে পুত্রের জয়লাভ

মোঃ মোখলেছুর রহমান, নান্দাইল (ময়মনসিংহ):
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৭৯ বার পঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৪-ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান এডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।

ধানের শীষ প্রতীকে ইয়াসের খান চৌধুরী পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট। অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার হোসেন চান পেয়েছেন ৭০ হাজার ১৫২ ভোট। এই জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর নান্দাইল আসনে আবারও চৌধুরী পরিবারের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে।

১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ইয়াসের খান চৌধুরীর বাবা সাবেক এমপি আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর উপদেষ্টা, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি এবং স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী–এর একান্ত সচিব ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর সিনেট ও সিন্ডিকেটের নির্বাচিত সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তথ্যপ্রযুক্তি বিজ্ঞানী ইয়াসের খান চৌধুরী দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে BBC Television Network–এর আইটি বিভাগে কাজ করেছেন। দেশে ফিরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে শত প্রতিকূলতার মাঝেও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে নিজেকে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন ইয়াসের খান‌ চৌধরী। মনোনয়ন পাওয়ার পর ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে ভোটের মাঠে জোর প্রচারণা চালান তিনি। বিএনপির নামে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচার চালিয়েও দমিয়ে রাখতে পারেননি। কঠোর পরিশ্রম ধৈর্য ও সহনশীলতা ও সাহসিকতার সাথে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে মানুষের কাছে বিএনপির ৩১ দফা তুলে ধরেছেন এবং সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “বাবার স্বপ্ন ছিল আমি যেন উন্নত ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের জন্য কিছু করতে পারি। খুব কাছ থেকে বাবার মানবিক রাজনীতি দেখেছি। বাবার রেখে যাওয়া সেই কর্মকাণ্ড এখন বাস্তবায়ন করতে চাই।”সন্ত্রাস চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত মডেল নান্দাইল গড়ে তুলতে চাই। আমি সকলের ঐকান্তিক সহযোগীতা কামনা করি।

নান্দাইলে বিএনপির ৩৫ বৎসর পর পিতার আসনে পুত্রের জয়লাভ

আপডেট সময় : ১১:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৪-ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) চেয়ারম্যান এডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।

ধানের শীষ প্রতীকে ইয়াসের খান চৌধুরী পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট। অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার হোসেন চান পেয়েছেন ৭০ হাজার ১৫২ ভোট। এই জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর নান্দাইল আসনে আবারও চৌধুরী পরিবারের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে।

১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ইয়াসের খান চৌধুরীর বাবা সাবেক এমপি আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর উপদেষ্টা, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি এবং স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী–এর একান্ত সচিব ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর সিনেট ও সিন্ডিকেটের নির্বাচিত সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তথ্যপ্রযুক্তি বিজ্ঞানী ইয়াসের খান চৌধুরী দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে BBC Television Network–এর আইটি বিভাগে কাজ করেছেন। দেশে ফিরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে শত প্রতিকূলতার মাঝেও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে নিজেকে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন ইয়াসের খান‌ চৌধরী। মনোনয়ন পাওয়ার পর ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে ভোটের মাঠে জোর প্রচারণা চালান তিনি। বিএনপির নামে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচার চালিয়েও দমিয়ে রাখতে পারেননি। কঠোর পরিশ্রম ধৈর্য ও সহনশীলতা ও সাহসিকতার সাথে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে মানুষের কাছে বিএনপির ৩১ দফা তুলে ধরেছেন এবং সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “বাবার স্বপ্ন ছিল আমি যেন উন্নত ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের জন্য কিছু করতে পারি। খুব কাছ থেকে বাবার মানবিক রাজনীতি দেখেছি। বাবার রেখে যাওয়া সেই কর্মকাণ্ড এখন বাস্তবায়ন করতে চাই।”সন্ত্রাস চাঁদাবাজি মাদকমুক্ত মডেল নান্দাইল গড়ে তুলতে চাই। আমি সকলের ঐকান্তিক সহযোগীতা কামনা করি।