ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

দিনাজপুর হিলিতে কমছে কাঁচা মরিচের দাম

মোঃওয়াজ কুরনী-দিনাজপুর:
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩ ২৫১ বার পঠিত

সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দিনাজপুরের হিলিতে কমতে শুরু করেছে দেশি কাঁচা মরিচের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজিতে দাম কমেছে ১০০ টাকা। আর খুচরা বাজারে কমেছে ৮০ টাকা।

বুধবার (২৬ জুলাই) হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি দেশি কাঁচা মরিচ পাইকারি বাজারে ১০০ টাকা আর খুচরা বাজারে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। গত সপ্তাহে পাইকারি বাজারে ১৮০ টাকা আর খুচরা বাজারে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

কাঁচা মরিচ ক্রেতা মো. ফরহাদ প্রতিদিনের খবরকে বলেন, ‘গত সপ্তাহের চেয়ে দাম কেজিতে ৮০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনেছি ৫০ টাকা দিয়ে, আর আজ কিনলাম ৩০ টাকায়। দাম আরও একটু কমলে ভালো হতো। বেশি দামের কারণে অনেকে কাঁচা মরিচ কেনা ছেড়ে দিয়েছে।’

হিলি বাজারের খুচরা কাঁচা মরিচ বিক্রেতা শাহিন হোসেন বলেন, ‘কাঁচা পণ্যের বাজার যখন যে দাম যায় আমরা তার থেকে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি। কারণ অনেক সময় কাঁচা মরিচ পচে নষ্ট হয়ে যায়। আবার অবিক্রীত থাকায় শুকিয়ে ওজন কমে যায়।’

হিলি বাজারের পাইকারি কাঁচা মরিচ বিক্রেতা শেখ বিপ্লব বলেন, ’কাঁচা পণ্যের দাম নির্ভর করে আমদানির ওপর। যখন আমদানি বেশি হয়, তখন দাম কম থাকে। আবার যখন আমদানি কম হয়, তখন দাম বেশি হয়।’

তিনি বলেন, ’এখন বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ একটু বেড়েছে। আর এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি হলেও হিলি বাজারে পাওয়া যায় না। বেশি লাভের আশায় আমদানিকারকরা নিজ খরচে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ কৃষকদের কাছ থেকেই ১৮০ টাকা দরে কিনতে হয়েছে। আর বিক্রি করেছি ২০০ টাকা কেজি দরে। আজ নওগাঁর কৃষকদের কাছ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে কিনে ১২০ কেজি দরে বিক্রি করছি। আর খুচরা বিক্রেতারা বিক্রি করছেন ১২০ টাকা কেজি দরে। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমবে।’

দিনাজপুর হিলিতে কমছে কাঁচা মরিচের দাম

আপডেট সময় : ০৬:৩১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩

সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দিনাজপুরের হিলিতে কমতে শুরু করেছে দেশি কাঁচা মরিচের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজিতে দাম কমেছে ১০০ টাকা। আর খুচরা বাজারে কমেছে ৮০ টাকা।

বুধবার (২৬ জুলাই) হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি দেশি কাঁচা মরিচ পাইকারি বাজারে ১০০ টাকা আর খুচরা বাজারে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। গত সপ্তাহে পাইকারি বাজারে ১৮০ টাকা আর খুচরা বাজারে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

কাঁচা মরিচ ক্রেতা মো. ফরহাদ প্রতিদিনের খবরকে বলেন, ‘গত সপ্তাহের চেয়ে দাম কেজিতে ৮০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনেছি ৫০ টাকা দিয়ে, আর আজ কিনলাম ৩০ টাকায়। দাম আরও একটু কমলে ভালো হতো। বেশি দামের কারণে অনেকে কাঁচা মরিচ কেনা ছেড়ে দিয়েছে।’

হিলি বাজারের খুচরা কাঁচা মরিচ বিক্রেতা শাহিন হোসেন বলেন, ‘কাঁচা পণ্যের বাজার যখন যে দাম যায় আমরা তার থেকে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করি। কারণ অনেক সময় কাঁচা মরিচ পচে নষ্ট হয়ে যায়। আবার অবিক্রীত থাকায় শুকিয়ে ওজন কমে যায়।’

হিলি বাজারের পাইকারি কাঁচা মরিচ বিক্রেতা শেখ বিপ্লব বলেন, ’কাঁচা পণ্যের দাম নির্ভর করে আমদানির ওপর। যখন আমদানি বেশি হয়, তখন দাম কম থাকে। আবার যখন আমদানি কম হয়, তখন দাম বেশি হয়।’

তিনি বলেন, ’এখন বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ একটু বেড়েছে। আর এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি হলেও হিলি বাজারে পাওয়া যায় না। বেশি লাভের আশায় আমদানিকারকরা নিজ খরচে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ কৃষকদের কাছ থেকেই ১৮০ টাকা দরে কিনতে হয়েছে। আর বিক্রি করেছি ২০০ টাকা কেজি দরে। আজ নওগাঁর কৃষকদের কাছ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে কিনে ১২০ কেজি দরে বিক্রি করছি। আর খুচরা বিক্রেতারা বিক্রি করছেন ১২০ টাকা কেজি দরে। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমবে।’