ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমবায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে দ্রুত আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে গড়ে তোলা যাবে- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ খোকসা জনতা ব্যাংক থেকে জাল স্বাক্ষর করে দুই লাখ সত্তর হাজার টাকা উত্তলোনের অভিযোগ আলফাডাঙ্গায় নানা আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন সালথায় সমবায় দিবসের সভায় সমিতির কার্যক্রম নিয়ে নীরব কর্মকর্তা, অতিথিদের ক্ষোভ মথুরাপুরে ফরজ উল্লাহর পক্ষে ৪৩৫ মোটরসাইকেলের বিশাল শোডাউন মাদক ও অপরাধমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ইউপি সদস্য প্রার্থী মাকছুদুর রহমান গোয়ালন্দে মুক্তিযোদ্ধা-রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বোয়ালমারীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন আলফাডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা

তাহিরপুর সীমান্তে ব্যবসায়ীকে পিঠিয়ে হাত ভাঙলো চোরাকারবারীরা,থানায় অভিযোগ

মুরাদ মিয়া - সুনামগঞ্জ :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪ ২৫৭ বার পঠিত

সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলার ১নং শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের বীরেন্দ্রনগর গ্রামে একদল চিহিৃত চোরাকারবারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের অবৈধ ব্যবসা ও অপকর্মের প্রতিবাদ করায় হযরত আলী(৩৪) নামে এক নিরীহ ব্যবসায়ীর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাকে কালর্ভাডের নীচে নিয়ে লোহার রড,দা ও ধারালো চাকু দিয়ে হাত ভেঙ্গে পিঠিয়ে গুরুতর আহত করেছে।

তার চিৎকার শুনে তার স্বজনরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং রবিবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়েছে। আহত হযরত আলী বীরেন্দ্রনগর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে।

এ ঘটনায় আহতের বড়ভাই মোঃ হাফিজ উদ্দিন বাদী হয়ে,৩০ মার্চ রোজ শনিবার বিকেলে বীরেন্দ্রনগর গ্রামের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারী ৪ জনের নাম উল্লেখ করে তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।মামলায় আসামীরা হলেন,বীরেন্দ্রনগর গ্রামের মোঃ ফজলুল হকের ছেলে হেকিম মিয়া,মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে মজ্ঞুল হক,মোঃ লোকমান মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া(ওরফে ডিজে রুবেল),মৃত কুরবান আলীর ছেলে মোঃ আনোয়ার হোসেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,বীরেন্দ্রনগর গ্রামের নামাংঙ্কিত বিবাদীগণ সীমান্ত এলাকায় অবৈধ মাদক ব্যবসার পাশাপাশি ভারত থেকে রাতের আধাঁরে চুনাপাথর সহ অনেক ধরনের অবৈধ পন্য নামিয়ে আনাসহ নানান অপকর্মের কারণে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে।

ঐ চোরাকারবারীচক্রটি ভারত থেকে অবৈধ পন্থায় চুনাপাথর নামানোর সময় বিজিবি ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করে এবং ওদের নামে থানায় মামলাও করে। আহত হযরত আলীকে বিজিবির সোর্স সন্দেহ করে আসছিল ঐ চোরাকারবারীরা। গত ৩০ মার্চ ব্যবসায়ী হযরত আলী ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়িক কাজে তিনি পার্শ্ববর্তী নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা যান এবং বিকেলে মোটর সাইকেলযোগে কলমাকান্দা হতে নিজ বাড়ি বীরেন্দ্রনগর গ্রামে পৌছার আগে কউচ্চাছড়া থেকে বাগলী বাজার হয়ে বঙ্গবন্ধুগামি পাকারাস্তায় কালভার্ডের উপর পৌছামাত্র ওৎপেতে থাকা নামাংঙ্কিত চোরাকারবারীচক্রটি দাড়াঁলো অস্ত্র নিয়ে হযরত আলীর মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে তাকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে কালভার্ডের নীচে নিয়ে এলোপাতাড়ি শরীরের বিভিন্নস্থানে পিঠিয়ে রক্তাক্ত করে এবং ডান হাতটি ভেঙ্গে তার পকেটে থাকা টাকাপয়সা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।এর একবছর পূর্বেও ঐ চক্রটি একই কায়দায় ব্যবসায়ী হযরত আলীর উপর হামলা করেছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। থানায় অভিযোগ দেয়ার কারণে চোরাকারবারীচক্রের সদস্যরা মামরা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে হুমকি দামকী দিয়ে আসায় বাদির পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে চোরাকারবারীচক্রের মূল হোতা হেকিম মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আনীত অভিযোগটি অস্বীকার করে ফোনের লাইনটি কেটে দেন।

এ ব্যাপারে তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নাজিম উদ্দিন অভিযোগ দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

তাহিরপুর সীমান্তে ব্যবসায়ীকে পিঠিয়ে হাত ভাঙলো চোরাকারবারীরা,থানায় অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০২৪

সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলার ১নং শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের বীরেন্দ্রনগর গ্রামে একদল চিহিৃত চোরাকারবারী ও মাদক ব্যবসায়ীদের অবৈধ ব্যবসা ও অপকর্মের প্রতিবাদ করায় হযরত আলী(৩৪) নামে এক নিরীহ ব্যবসায়ীর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাকে কালর্ভাডের নীচে নিয়ে লোহার রড,দা ও ধারালো চাকু দিয়ে হাত ভেঙ্গে পিঠিয়ে গুরুতর আহত করেছে।

তার চিৎকার শুনে তার স্বজনরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং রবিবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়েছে। আহত হযরত আলী বীরেন্দ্রনগর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে।

এ ঘটনায় আহতের বড়ভাই মোঃ হাফিজ উদ্দিন বাদী হয়ে,৩০ মার্চ রোজ শনিবার বিকেলে বীরেন্দ্রনগর গ্রামের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারী ৪ জনের নাম উল্লেখ করে তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।মামলায় আসামীরা হলেন,বীরেন্দ্রনগর গ্রামের মোঃ ফজলুল হকের ছেলে হেকিম মিয়া,মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে মজ্ঞুল হক,মোঃ লোকমান মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া(ওরফে ডিজে রুবেল),মৃত কুরবান আলীর ছেলে মোঃ আনোয়ার হোসেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,বীরেন্দ্রনগর গ্রামের নামাংঙ্কিত বিবাদীগণ সীমান্ত এলাকায় অবৈধ মাদক ব্যবসার পাশাপাশি ভারত থেকে রাতের আধাঁরে চুনাপাথর সহ অনেক ধরনের অবৈধ পন্য নামিয়ে আনাসহ নানান অপকর্মের কারণে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে।

ঐ চোরাকারবারীচক্রটি ভারত থেকে অবৈধ পন্থায় চুনাপাথর নামানোর সময় বিজিবি ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করে এবং ওদের নামে থানায় মামলাও করে। আহত হযরত আলীকে বিজিবির সোর্স সন্দেহ করে আসছিল ঐ চোরাকারবারীরা। গত ৩০ মার্চ ব্যবসায়ী হযরত আলী ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়িক কাজে তিনি পার্শ্ববর্তী নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা যান এবং বিকেলে মোটর সাইকেলযোগে কলমাকান্দা হতে নিজ বাড়ি বীরেন্দ্রনগর গ্রামে পৌছার আগে কউচ্চাছড়া থেকে বাগলী বাজার হয়ে বঙ্গবন্ধুগামি পাকারাস্তায় কালভার্ডের উপর পৌছামাত্র ওৎপেতে থাকা নামাংঙ্কিত চোরাকারবারীচক্রটি দাড়াঁলো অস্ত্র নিয়ে হযরত আলীর মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে তাকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে কালভার্ডের নীচে নিয়ে এলোপাতাড়ি শরীরের বিভিন্নস্থানে পিঠিয়ে রক্তাক্ত করে এবং ডান হাতটি ভেঙ্গে তার পকেটে থাকা টাকাপয়সা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।এর একবছর পূর্বেও ঐ চক্রটি একই কায়দায় ব্যবসায়ী হযরত আলীর উপর হামলা করেছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। থানায় অভিযোগ দেয়ার কারণে চোরাকারবারীচক্রের সদস্যরা মামরা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে হুমকি দামকী দিয়ে আসায় বাদির পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে চোরাকারবারীচক্রের মূল হোতা হেকিম মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি আনীত অভিযোগটি অস্বীকার করে ফোনের লাইনটি কেটে দেন।

এ ব্যাপারে তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নাজিম উদ্দিন অভিযোগ দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।