ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

তানোরে আলোচিত ধর্ষণ সহায়তার আসামী ঢাকায় গ্রেফতার

সোহানুল হক পারভেজ- তানোর(রাজশাহী):
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩৩৮ বার পঠিত

রাজশাহীর তানোরে আলোচিত সেই শিশুধর্ষণ সহায়তার দুই নম্বর আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকার উত্তরা থেকে র‌্যাব ও থানা পুলিশের বিশেষ যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করে গতকাল ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার থানায় হাজির করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ওই আসামীর নাম মোহাম্মাদ আলী (২০)। সে তানোর উপজেলার কলমা ইউপির শালবাড়ী গ্রামের মো. আবুল কালামের পুত্র। কিন্তু ওই মামলার ১ নম্বর আসামী ধর্ষক মো. জনিকে (২২) এখন গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। জনি ওই গ্রামের মো. আলেক চানের পুত্র।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,সম্প্রতি ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা ১১টার দিকে ১০ বছরের ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১৬ বছরের এক আদিবাসী কিশোরী খাড়ির পাড়ে উলুবন কাইশা কাটতে যায়।
এসময় জনি ও মোহাম্মাদ আলী পাশের জমিতে কাজ করছিল। পরে দুপুর ১টার দিকে আদিবাসী ওই কিশোরীকে কাইশা কাটতে দেখে ছোট ভাইকে বেধে রেখে জনি জোরপূর্বক বোনকে ধর্ষণ করে। এতে সহায়তা করে মোহাম্মাদ আলী।
এঘটনায় শনিবার দিবাগত রাতে ভিকটিমের পিতা বাদি হয়ে জনি ও মোহাম্মাদ আলীকে আসামি করে তানোর থানায় একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ভিকটিম আদিবাসী ছাত্রীকে উদ্ধার করে ১৭ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠায়।

এঘটনায় অভিযান চালিয়ে মামলার দুই নম্বর আসামী মোহাম্মাদ আলীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এব্যাপারে তানোর থানার ওসি আব্দুর রহিম বলেন, ধর্ষণের শিকার আদিবাসী ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে মেডিক্যাল পরিক্ষা করা হয়।

পরে পুলিশ ও র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ সহায়তার আসামী মোহাম্মাদ আলীকে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে,ধর্ষক জনিকে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যহত রয়েছে বলে জানান ওসি।

তানোরে আলোচিত ধর্ষণ সহায়তার আসামী ঢাকায় গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১১:১৮:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

রাজশাহীর তানোরে আলোচিত সেই শিশুধর্ষণ সহায়তার দুই নম্বর আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকার উত্তরা থেকে র‌্যাব ও থানা পুলিশের বিশেষ যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করে গতকাল ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার থানায় হাজির করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ওই আসামীর নাম মোহাম্মাদ আলী (২০)। সে তানোর উপজেলার কলমা ইউপির শালবাড়ী গ্রামের মো. আবুল কালামের পুত্র। কিন্তু ওই মামলার ১ নম্বর আসামী ধর্ষক মো. জনিকে (২২) এখন গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। জনি ওই গ্রামের মো. আলেক চানের পুত্র।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,সম্প্রতি ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা ১১টার দিকে ১০ বছরের ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১৬ বছরের এক আদিবাসী কিশোরী খাড়ির পাড়ে উলুবন কাইশা কাটতে যায়।
এসময় জনি ও মোহাম্মাদ আলী পাশের জমিতে কাজ করছিল। পরে দুপুর ১টার দিকে আদিবাসী ওই কিশোরীকে কাইশা কাটতে দেখে ছোট ভাইকে বেধে রেখে জনি জোরপূর্বক বোনকে ধর্ষণ করে। এতে সহায়তা করে মোহাম্মাদ আলী।
এঘটনায় শনিবার দিবাগত রাতে ভিকটিমের পিতা বাদি হয়ে জনি ও মোহাম্মাদ আলীকে আসামি করে তানোর থানায় একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ভিকটিম আদিবাসী ছাত্রীকে উদ্ধার করে ১৭ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠায়।

এঘটনায় অভিযান চালিয়ে মামলার দুই নম্বর আসামী মোহাম্মাদ আলীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এব্যাপারে তানোর থানার ওসি আব্দুর রহিম বলেন, ধর্ষণের শিকার আদিবাসী ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে মেডিক্যাল পরিক্ষা করা হয়।

পরে পুলিশ ও র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ সহায়তার আসামী মোহাম্মাদ আলীকে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে,ধর্ষক জনিকে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যহত রয়েছে বলে জানান ওসি।