ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

জনসভায় অশ্রুসিক্ত শামা ওবায়েদ: এমপি হই বা না হই, আপনাদের পাশেই থাকবো

শরিফুল হাসান, সালথা (ফরিদপুর):
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫৫ বার পঠিত

Oplus_131072

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফরিদপুর-২ আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু আবেগঘন কণ্ঠে বলেছেন, আমি এমপি হই বা না হই, আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাবো না। ইনশাআল্লাহ সবসময় আপনাদের পাশে থাকবো।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সালথা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভাটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
শামা ওবায়েদ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করবেন, যাতে আগামী পাঁচ থেকে দশ বছর আমাদের সন্তান-নাতিপুতিদের জন্য একটি উন্নয়নশীল সালথা-নগরকান্দা রেখে যেতে পারি।

আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, আজ আমি আপনাদের মেয়ে, আপনাদের বোন। আপনারা আমার বাবাকে যে ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধা দিয়েছেন, ঠিক সেইভাবেই আমাকে স্নেহ-মমতায় আগলে রেখেছেন। এই ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারবো না। সফল জনসভা আয়োজনের জন্য তিনি উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি আরও বলেন, ১৭ বছর পর আমরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশ, নতুন সালথা-নগরকান্দা ও ফরিদপুর গড়তে চাই। দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ধানের শীষে ভোট দিন।

নিজের পারিবারিক স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার বাবা ইন্তেকালের পর আপনারা গ্রামে গ্রামে গিয়ে বলেছিলেন ‘আমাদের বটগাছ নেই, আমরা কোথায় দাঁড়াবো?’ আজ আমি বলতে চাই, গত ১৭ বছর আমি আপনাদের পাশে ছিলাম, সারাজীবন থাকবো ইনশাআল্লাহ।

উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, সালথা-নগরকান্দায় একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল, একটি বিশ্ববিদ্যালয়, একটি গার্লস স্কুল এবং কর্মসংস্থানের জন্য মিল-কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রবাসে কাজ করা যুবকদের জন্য স্থানীয়ভাবে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড এবং পরিবারভিত্তিক ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যা মায়ের নামে প্রদান করা হবে।

মাদ্রাসা ও মসজিদের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সালথা-নগরকান্দার প্রতিটি মাদ্রাসা ও মসজিদকে আধুনিকায়ন করা হবে। ছেলে-মেয়েদের জন্য নতুন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হবে। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষে যেন সমমানের চাকরির সুযোগ পায়, সে ব্যবস্থা করা হবে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহজাদা, ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খন্দকার ফজলুর হক টুলু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান মোল্যা, ভাইস চেয়ারম্যান মো. আছাদ মাতুব্বর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদ, বিএনপি নেতা মুরাদুর রহমান মুরাদ,যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদ, আব্দুর রব মাতুব্বর, হাসান আশরাফ, এনায়েত হোসেন, মিরান হুসাইন, ছাত্রদল নেতা রেজাউল ইসলাম রাজ, সাইফুল ইসলাম।

জনসভায় অশ্রুসিক্ত শামা ওবায়েদ: এমপি হই বা না হই, আপনাদের পাশেই থাকবো

আপডেট সময় : ১১:০৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফরিদপুর-২ আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু আবেগঘন কণ্ঠে বলেছেন, আমি এমপি হই বা না হই, আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাবো না। ইনশাআল্লাহ সবসময় আপনাদের পাশে থাকবো।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সালথা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভাটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
শামা ওবায়েদ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করবেন, যাতে আগামী পাঁচ থেকে দশ বছর আমাদের সন্তান-নাতিপুতিদের জন্য একটি উন্নয়নশীল সালথা-নগরকান্দা রেখে যেতে পারি।

আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, আজ আমি আপনাদের মেয়ে, আপনাদের বোন। আপনারা আমার বাবাকে যে ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধা দিয়েছেন, ঠিক সেইভাবেই আমাকে স্নেহ-মমতায় আগলে রেখেছেন। এই ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারবো না। সফল জনসভা আয়োজনের জন্য তিনি উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি আরও বলেন, ১৭ বছর পর আমরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশ, নতুন সালথা-নগরকান্দা ও ফরিদপুর গড়তে চাই। দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ধানের শীষে ভোট দিন।

নিজের পারিবারিক স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার বাবা ইন্তেকালের পর আপনারা গ্রামে গ্রামে গিয়ে বলেছিলেন ‘আমাদের বটগাছ নেই, আমরা কোথায় দাঁড়াবো?’ আজ আমি বলতে চাই, গত ১৭ বছর আমি আপনাদের পাশে ছিলাম, সারাজীবন থাকবো ইনশাআল্লাহ।

উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, সালথা-নগরকান্দায় একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল, একটি বিশ্ববিদ্যালয়, একটি গার্লস স্কুল এবং কর্মসংস্থানের জন্য মিল-কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রবাসে কাজ করা যুবকদের জন্য স্থানীয়ভাবে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড এবং পরিবারভিত্তিক ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যা মায়ের নামে প্রদান করা হবে।

মাদ্রাসা ও মসজিদের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সালথা-নগরকান্দার প্রতিটি মাদ্রাসা ও মসজিদকে আধুনিকায়ন করা হবে। ছেলে-মেয়েদের জন্য নতুন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হবে। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষে যেন সমমানের চাকরির সুযোগ পায়, সে ব্যবস্থা করা হবে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহজাদা, ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খন্দকার ফজলুর হক টুলু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান মোল্যা, ভাইস চেয়ারম্যান মো. আছাদ মাতুব্বর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদ, বিএনপি নেতা মুরাদুর রহমান মুরাদ,যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদ, আব্দুর রব মাতুব্বর, হাসান আশরাফ, এনায়েত হোসেন, মিরান হুসাইন, ছাত্রদল নেতা রেজাউল ইসলাম রাজ, সাইফুল ইসলাম।