ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

চারঘাটে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন: অভ্যন্তরীণ ঐক্যহীনতা ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা না মানার অভিযোগ

রাজশাহী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯৮ বার পঠিত

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জহুরুল ইসলাম (জীবন)।

শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বানেশ্বর ইউনিয়নের ক্ষুদির বটতলা এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জহুরুল ইসলাম জীবন বলেন, জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও বাঘা–চারঘাট এলাকায় বিএনপির সকল স্তরের নেতাকর্মীদের এখনো এক মঞ্চে দেখা যাচ্ছে না, যা দলের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিলেন যাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাক্ষাৎ করে সবাইকে নির্বাচনী প্রচারণায় সম্পৃক্ত করার জন্য। তবে চারঘাট উপজেলায় সেই নির্দেশনার বাস্তব প্রতিফলন এখনো দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের প্রতি প্রশ্ন তুলে বলেন,স্পষ্ট নির্দেশনা থাকার পরও কেন আজ পর্যন্ত সবাইকে এক মঞ্চে দেখা যাচ্ছে না?আবু সাঈদ চাঁদকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, দল যখন আপনাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তখন সকল নেতাকর্মীকে ডেকে ঐক্যবদ্ধ করার দায়িত্বও আপনার ওপরই বর্তায়। কেউ যদি সেই ডাকে সাড়া না দিত, তাহলে দায়ভার সংশ্লিষ্টদের ওপর বর্তাত।
জহুরুল ইসলাম জীবন অভিযোগ করেন, নির্বাচনী মাঠে দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা এখনো সক্রিয় নন। তিনি চারঘাট থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুরাদ পাশা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী তালুকদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক মিতুলসহ বেশ কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে বলেন, তারা এখনো নির্বাচনী প্রচারণায় দৃশ্যমান নন, যা দলীয় কর্মকাণ্ডকে দুর্বল করছে।
তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল। মনোনয়ন না পেলেও তিনি দিন-রাত এলাকায় ঘুরে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন। অথচ তাকেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত করে সাংগঠনিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জহুরুল ইসলাম জীবন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন,দল যদি ঐক্যবদ্ধ না হয়, তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে। সব ধরনের প্রতিহিংসা ও বিভেদ ভুলে গিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করতে হবে। ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সংবাদ সম্মেলনের ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও চারঘাটে বিএনপির নেতাকর্মীদের এক মঞ্চে আনার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।

চারঘাটে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন: অভ্যন্তরীণ ঐক্যহীনতা ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা না মানার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:১৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জহুরুল ইসলাম (জীবন)।

শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বানেশ্বর ইউনিয়নের ক্ষুদির বটতলা এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জহুরুল ইসলাম জীবন বলেন, জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও বাঘা–চারঘাট এলাকায় বিএনপির সকল স্তরের নেতাকর্মীদের এখনো এক মঞ্চে দেখা যাচ্ছে না, যা দলের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিলেন যাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাক্ষাৎ করে সবাইকে নির্বাচনী প্রচারণায় সম্পৃক্ত করার জন্য। তবে চারঘাট উপজেলায় সেই নির্দেশনার বাস্তব প্রতিফলন এখনো দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের প্রতি প্রশ্ন তুলে বলেন,স্পষ্ট নির্দেশনা থাকার পরও কেন আজ পর্যন্ত সবাইকে এক মঞ্চে দেখা যাচ্ছে না?আবু সাঈদ চাঁদকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, দল যখন আপনাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তখন সকল নেতাকর্মীকে ডেকে ঐক্যবদ্ধ করার দায়িত্বও আপনার ওপরই বর্তায়। কেউ যদি সেই ডাকে সাড়া না দিত, তাহলে দায়ভার সংশ্লিষ্টদের ওপর বর্তাত।
জহুরুল ইসলাম জীবন অভিযোগ করেন, নির্বাচনী মাঠে দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা এখনো সক্রিয় নন। তিনি চারঘাট থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুরাদ পাশা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী তালুকদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক মিতুলসহ বেশ কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে বলেন, তারা এখনো নির্বাচনী প্রচারণায় দৃশ্যমান নন, যা দলীয় কর্মকাণ্ডকে দুর্বল করছে।
তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল। মনোনয়ন না পেলেও তিনি দিন-রাত এলাকায় ঘুরে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন। অথচ তাকেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত করে সাংগঠনিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জহুরুল ইসলাম জীবন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন,দল যদি ঐক্যবদ্ধ না হয়, তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে। সব ধরনের প্রতিহিংসা ও বিভেদ ভুলে গিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করতে হবে। ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সংবাদ সম্মেলনের ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও চারঘাটে বিএনপির নেতাকর্মীদের এক মঞ্চে আনার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।