গোয়ালন্দে চাঁদার দাবিতে যুবককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৩:২৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ৫৩৪ বার পঠিত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদার দাবিতে যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলো উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের মাষ্টার পাড়া এলাকার খুসি শেখ এর ছেলে (১) হুমাই শেখ এবং দৌলতদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আইয়ুব আলী খান এর ছেলে (২) অনিক খান (২১), আরিফ খান (৩৫) এবং (৪) আইয়ুব আলী খান। দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর আইয়ুব আলী খার ভাড়াটিয়া মৃত পিয়ার চৌধুরীর ছেলে (৫) তুহিন (৩২)
দৌলতদিয়া শাহাদাত মেম্বার পাড়ার মৃত করিম পাল এর ছেলে মোঃ শহীদ পাল অভিযোগে বলেন, তার ছোট ভাই ইয়াকুব পাল (৩০) দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে একটি বাড়ি ক্রয় করে। বাড়ি কেনার পর থেকেই একটি চক্র তার ভাইয়ের চাঁদা দাবি করে আসছিল চাঁদা না দেওয়ার কারণে তারা সুযোগ খুঁজতে থাকে তাকে মারপিট করতে। গত ১৮ মে তার ছোট ভাই দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর ভিতর জনৈক আইয়ূব খাঁর বাড়ির দ্বিতীয় তলায় খাবারের দোকানে খাবার পাচ্ছিল। এই সূযোগে দৌলতদিয়া ইউনিয়নের সামছু মাস্টার পাড়া এলাকার খুসি সেখ এর ছেলে হুমাই শেখ (৩০) তার হাতে থাকা ধারালো চাপাতি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ভাইকে কোপ মারিলে উক্ত কোপ তার ভাই বাম হাত দিয়ে ঠেকাতে গেলে তার বাম হাতের তর্জনী আঙ্গুল কেটে পড়ে যায় এবং মাঝের আঙ্গুল কেটে রক্তাক্ত হয়ে গুরুত্বর জখম হয়।
আইয়ুব আলী খান এর ছেলে আরিফ খান (৩৫) তার পাশে থাকা বটি দিয়ে তাকে কোপ মারাত্মক জখম করে। এবং তার ছোট ছেলে অনিক খান (২১) তার হাতে থাকা ধারালো ডাইনিজ কুড়াল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ভাইয়ের মাথা লক্ষ্যে করিয়া কোপ দিলে উক্ত কোপ আমার ভাইয়ের মাথার ডান পাশের পিছনের দিকে এবং কপালের ডান পাশে লাগিয়া গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। এ-সময় অনিক তার ভাইয়ের প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ ২০,১৫০/-টাকা ও গলায় থাকা ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়।
১ ও ৫ নম্বর আসামি এলোপাতাড়ি মাড়তে থাকলে তার ভাইয়ের আর্ত চিৎকারে লোকজন আসলে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। বর্তমানে তার ভাই ইয়াকুব পাল ঢাকার সাভারে এনাম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত আইয়ুব আলী খান এর ফোনে বারবার ফোন করে তাকে পাওয়া যায়নি।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সফিকুল ইসলাম অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















