ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

কিশমিশ,ছোলাসহ বিভিন্ন জাতের ডাল আমদানি বেড়েছে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে

মোঃ ওয়াজ কুরনী- হিলি (দিনাজপুর):
  • আপডেট সময় : ০৯:২৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১২৩ বার পঠিত

রমজান উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে কিচমিচ, ছোলাবুটসহ বিভিন্ন জাতের ডালের আমদানি বেড়েছে। দেশের বাজারে এসব নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে আমদানি করছেন ব্যবসায়ীরা।

তবে গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি বলছেন পণ্য কিনতে আসা পাইকাররা। অন্যদিকে পণ্যগুলো খালাস করতে সব ধরনের সহযোগিতা করছে হিলি কাস্টমস।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি)দুপুরে হিলি বন্দর ঘুরে জানা যায়, রমজান মাসকে সামনে রেখে এ বন্দর দিয়ে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি বাড়িয়েছেন।

কিছুদিন আগে ছোলা,খেসারি, মসুর, মুগডাল প্রতিমাসে ২/৪ ট্রাক আমদানি হলেও বর্তমানে প্রতিদিনই আমদানি হচ্ছে এসব পণ্য। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকাররা হিলিতে এসে ডাল, ছোলা, কিচমিচ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে এ বন্দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ছোলাবুট ৯৫ থেকে ১০০ টাকা, খেসারির ডাল ১০০ থেকে ১০২ টাকা, মুগডাল ১১০ টাকা ও মশুরডাল ১২৮-১৩০ কেজি দরে।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এ বন্দরে পণ্য কিনতে আসা পাইকাররা বলেন,গত বছরের তুলনায় এ বছর একটু দাম বেশি। এজন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য বিক্রি করতে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে আমদানি অব্যাহত থাকায় খুচরা বাজারে কিছুটা দাম কমেছে। রমজান মাস সংযমের মাস। এ মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীরা আরও বেশি আমদানির পাশাপাশি প্রশাসনও বাজার নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারি রাখবেন এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষদের।

হিলি সিএন্ডএফ অ্যাজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন,‘রমজান মাসে যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিক থাকে, সেজন্য ডাল, ছোলা, কিচমিচসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করছেন আমদানিকারকরা। আশা করছি আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম স্বাভাবিক থাকবে।’

হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম বলেন,‘জানুয়ারি মাস থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ পর্যন্ত ১৮ ভারতীয় ট্রাকে ৩৮০ মেট্রিক টন কিচমিচ, ৫০ ট্রাকে ২ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন মসুর ডাল, ২০ ট্রাকে ৮৬০ মেট্রিক টন মুগডাল, ১৩ ট্রাকে ৩৬৫ মেট্রিন টন মাসকালাই, ১০১ ট্রাকে ৩ হাজার ৭৪০ মেট্রিক টন খেসারি ডাল ও ১৫ ট্রাকে ৫২০ মেট্রিক টন ছোলাবুট আমদানি হয়েছে। এদিকে আমদানি বাড়ায় বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের আয়-রোজগারও বেড়েছে।’

তিনি বলেন,‘হিলি শুল্ক স্টেশন দিয়ে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিশেষ করে ছোলা, খেসারি ডাল, কিচমিচ মুগডাল আমদানি পূর্বের তুলনায় বেড়েছে। পণ্যগুলো ভারত থেকে বন্দরে আসার পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ দ্রুত শুল্কায়ন করে থাকে।’

কিশমিশ,ছোলাসহ বিভিন্ন জাতের ডাল আমদানি বেড়েছে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে

আপডেট সময় : ০৯:২৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

রমজান উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে কিচমিচ, ছোলাবুটসহ বিভিন্ন জাতের ডালের আমদানি বেড়েছে। দেশের বাজারে এসব নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে আমদানি করছেন ব্যবসায়ীরা।

তবে গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি বলছেন পণ্য কিনতে আসা পাইকাররা। অন্যদিকে পণ্যগুলো খালাস করতে সব ধরনের সহযোগিতা করছে হিলি কাস্টমস।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি)দুপুরে হিলি বন্দর ঘুরে জানা যায়, রমজান মাসকে সামনে রেখে এ বন্দর দিয়ে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি বাড়িয়েছেন।

কিছুদিন আগে ছোলা,খেসারি, মসুর, মুগডাল প্রতিমাসে ২/৪ ট্রাক আমদানি হলেও বর্তমানে প্রতিদিনই আমদানি হচ্ছে এসব পণ্য। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকাররা হিলিতে এসে ডাল, ছোলা, কিচমিচ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে এ বন্দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ছোলাবুট ৯৫ থেকে ১০০ টাকা, খেসারির ডাল ১০০ থেকে ১০২ টাকা, মুগডাল ১১০ টাকা ও মশুরডাল ১২৮-১৩০ কেজি দরে।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এ বন্দরে পণ্য কিনতে আসা পাইকাররা বলেন,গত বছরের তুলনায় এ বছর একটু দাম বেশি। এজন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য বিক্রি করতে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে আমদানি অব্যাহত থাকায় খুচরা বাজারে কিছুটা দাম কমেছে। রমজান মাস সংযমের মাস। এ মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীরা আরও বেশি আমদানির পাশাপাশি প্রশাসনও বাজার নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারি রাখবেন এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষদের।

হিলি সিএন্ডএফ অ্যাজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন,‘রমজান মাসে যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিক থাকে, সেজন্য ডাল, ছোলা, কিচমিচসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করছেন আমদানিকারকরা। আশা করছি আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম স্বাভাবিক থাকবে।’

হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম বলেন,‘জানুয়ারি মাস থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ পর্যন্ত ১৮ ভারতীয় ট্রাকে ৩৮০ মেট্রিক টন কিচমিচ, ৫০ ট্রাকে ২ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন মসুর ডাল, ২০ ট্রাকে ৮৬০ মেট্রিক টন মুগডাল, ১৩ ট্রাকে ৩৬৫ মেট্রিন টন মাসকালাই, ১০১ ট্রাকে ৩ হাজার ৭৪০ মেট্রিক টন খেসারি ডাল ও ১৫ ট্রাকে ৫২০ মেট্রিক টন ছোলাবুট আমদানি হয়েছে। এদিকে আমদানি বাড়ায় বন্দরে কর্মরত শ্রমিকদের আয়-রোজগারও বেড়েছে।’

তিনি বলেন,‘হিলি শুল্ক স্টেশন দিয়ে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিশেষ করে ছোলা, খেসারি ডাল, কিচমিচ মুগডাল আমদানি পূর্বের তুলনায় বেড়েছে। পণ্যগুলো ভারত থেকে বন্দরে আসার পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ দ্রুত শুল্কায়ন করে থাকে।’