ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

আইনজীবীদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ব্যারিস্টার সুমন 

প্রতিদিনের খবর ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪ ১১২ বার পঠিত

 ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকীর মাধ্যমে আইনজীবী সমাজের কাছে ক্ষমা চাইলেন সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।  

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) মিরপুর মডেল থানায় যুবদল নেতা ও বাঙালিয়ানা ভোজের সহকারী বাবুর্চি হৃদয় মিয়াকে হত্যাচেষ্টা মামলায় রিমান্ড শুনানি শেষে তিনি ক্ষমা চান।

এদিন বেলা সোয়া ১১টার দিকে ব্যারিস্টার সুমনকে সিএমএম আদালতে আনা হয়। এ সময় তাকে হাজতখনায় রাখা হয়েছে।

এরপর বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কড়া পাহারায় সিএমএম আদালতের দোতলায় এজলাসে তোলা হয়।  

এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হালিম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।

শুনানিতে তিনি বলেন, এই আসামি একজন ব্যারিস্টার।

তিনি কেন পালিয়ে থাকলেন? কারণ তিনি কোটা আন্দোলনের সময় ৩ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার শপথ করেন। তিনি নিজে অপরাধ করেছেন বলেই পালিয়ে ছিলেন। তার সঙ্গে এ মামলাসহ গণহত্যায় জড়িত অনেকের যোগাযোগ থাকতে পারে। তাই এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং মূল রহস্য উদঘাটনে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা একান্ত আবশ্যক।  

আসামিপক্ষে আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  

এর আগে সোমবার (২১ অক্টোবর) দিনগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে মিরপুর-৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই হৃদয় জুমার নামাজ আদায় করে মিরপুর-১০ নম্বরে সমাবেশে যান। সেখানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। ককটেল নিক্ষেপ করে, গুলিও চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হন হৃদয়। তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর ১০ নম্বর হাতিয়াইন ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি।

এ ঘটনায় তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার তিন নম্বর এজাহারনামীয় আসামি ব্যারিস্টার সুমন।

ট্যাগস :

আইনজীবীদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ব্যারিস্টার সুমন 

আপডেট সময় : ০৩:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

 ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকীর মাধ্যমে আইনজীবী সমাজের কাছে ক্ষমা চাইলেন সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।  

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) মিরপুর মডেল থানায় যুবদল নেতা ও বাঙালিয়ানা ভোজের সহকারী বাবুর্চি হৃদয় মিয়াকে হত্যাচেষ্টা মামলায় রিমান্ড শুনানি শেষে তিনি ক্ষমা চান।

এদিন বেলা সোয়া ১১টার দিকে ব্যারিস্টার সুমনকে সিএমএম আদালতে আনা হয়। এ সময় তাকে হাজতখনায় রাখা হয়েছে।

এরপর বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কড়া পাহারায় সিএমএম আদালতের দোতলায় এজলাসে তোলা হয়।  

এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হালিম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।

শুনানিতে তিনি বলেন, এই আসামি একজন ব্যারিস্টার।

তিনি কেন পালিয়ে থাকলেন? কারণ তিনি কোটা আন্দোলনের সময় ৩ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার শপথ করেন। তিনি নিজে অপরাধ করেছেন বলেই পালিয়ে ছিলেন। তার সঙ্গে এ মামলাসহ গণহত্যায় জড়িত অনেকের যোগাযোগ থাকতে পারে। তাই এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং মূল রহস্য উদঘাটনে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা একান্ত আবশ্যক।  

আসামিপক্ষে আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  

এর আগে সোমবার (২১ অক্টোবর) দিনগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে মিরপুর-৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই হৃদয় জুমার নামাজ আদায় করে মিরপুর-১০ নম্বরে সমাবেশে যান। সেখানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। ককটেল নিক্ষেপ করে, গুলিও চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হন হৃদয়। তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর ১০ নম্বর হাতিয়াইন ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি।

এ ঘটনায় তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার তিন নম্বর এজাহারনামীয় আসামি ব্যারিস্টার সুমন।