ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

ভিডিও কলে দেখে ঢালাই করার অনুমতি দিলেন প্রকৌশলী, অনিয়োমের অভিযোগে কাজ বন্ধ করলেন এলাকাবাসী

মো: শামীম হোসেন, পাংশা (রাজবাড়ী) :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩০৪ বার পঠিত

রাজবাড়ীর পাংশায় ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখে একটি স্কুলের নির্মাণাধিন ভবনের সিঁড়ি ঢালাই করার অনুমতি দিয়েছেন উপসহকারী প্রকৌশলী। অনিয়োমের অভিযোগ ঢালাই কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী। আজ রোববার উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বীর বিক্রম শহীদ খবিরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায় দ্বিতীয় তলার সিঁড়ি ঢালাই দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বালু, খোয়া ও সিমেন্ট এক সাথে মিশানো হয়েছে। জানা যায়, ঢালাই কাজ শুরুর আগ মুহূর্তে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী।

এ সময় স্থানীয়রা জানায়, খোয়া, বালি ও সিমেন্টের পরিমাণ সঠিক নিয়মে না দিয়ে ঢালাই করার পরিকল্পনা ছিলো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। এক ব্যাগ সিমেন্টের সাথে যে পরিমান বালি আর খোয়া দেওয়ার কথা তার থেকে অনেক বেশি দিয়েছে। তাছাড়াও ইঞ্জিনিয়ারের অনুপস্থিতিতে কাজ করছিলো। তাই কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন

নির্মাণ কাজে নিয়োজিত মো. আমিনুল ইসলাম নামের এক মিস্ত্রী বলেন, ৪০টা খোয়া, ২৪টা বালু এক বস্তা সিমেন্টের সাথে মিসানো হয়েছে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মো, রেজাউল করিম বলেন, ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের আসার কথা ছিলো কিন্তু আসেনি। ইঞ্জিনিয়ার সাহেব ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখেছেন এবং কাজ করার অনুমতি দিয়েছেন। তারপর আমরা কাজ শুরু করেছি।

ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখে নির্মাণাধিন ভবনের সিঁড়ি ঢালাই করার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন নির্মাণ কাজের তদারকির দায়ীক্তে থাকা উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারি প্রকৌশলী মো. নাঈমুর রহমান। তিনি বলেন, উপজেলায় তিনি একা। তার কোন ওয়ার্ক এ্যসিন্টে নেই তাই কাজের ব্যস্ততায় ওখানে যাওয়া হয়নি। তাই ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখে অনুমতি দিয়েছেন। তবে ৪০টা খোয়া, ২৪টা বালু এক বস্তা সিমেন্টের সাথে মিসানোর কথা জানালে তিনি বলেন, এরকম কাজ করে থাকলে সে কাজ ভেঙে আবার পুনরায় করা হবে।

উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের আগের তিন কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবনের ছাদ সহ দুই তলা নির্মাণ। উক্ত ভবনের সাথেই এক কক্ষ ও এক টয়লেট বিশিষ্ট দুই তলা ভবন নির্মাণ কাজেরে জন্য এক কোটি দুই লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কাজটি চলমাণ রয়েছে। কাজটি করছেন রাজবাড়ীর মো. খলিলুর রহমান নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

ভিডিও কলে দেখে ঢালাই করার অনুমতি দিলেন প্রকৌশলী, অনিয়োমের অভিযোগে কাজ বন্ধ করলেন এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০৮:০৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

রাজবাড়ীর পাংশায় ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখে একটি স্কুলের নির্মাণাধিন ভবনের সিঁড়ি ঢালাই করার অনুমতি দিয়েছেন উপসহকারী প্রকৌশলী। অনিয়োমের অভিযোগ ঢালাই কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী। আজ রোববার উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বীর বিক্রম শহীদ খবিরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায় দ্বিতীয় তলার সিঁড়ি ঢালাই দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বালু, খোয়া ও সিমেন্ট এক সাথে মিশানো হয়েছে। জানা যায়, ঢালাই কাজ শুরুর আগ মুহূর্তে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী।

এ সময় স্থানীয়রা জানায়, খোয়া, বালি ও সিমেন্টের পরিমাণ সঠিক নিয়মে না দিয়ে ঢালাই করার পরিকল্পনা ছিলো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। এক ব্যাগ সিমেন্টের সাথে যে পরিমান বালি আর খোয়া দেওয়ার কথা তার থেকে অনেক বেশি দিয়েছে। তাছাড়াও ইঞ্জিনিয়ারের অনুপস্থিতিতে কাজ করছিলো। তাই কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন

নির্মাণ কাজে নিয়োজিত মো. আমিনুল ইসলাম নামের এক মিস্ত্রী বলেন, ৪০টা খোয়া, ২৪টা বালু এক বস্তা সিমেন্টের সাথে মিসানো হয়েছে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মো, রেজাউল করিম বলেন, ইঞ্জিনিয়ার সাহেবের আসার কথা ছিলো কিন্তু আসেনি। ইঞ্জিনিয়ার সাহেব ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখেছেন এবং কাজ করার অনুমতি দিয়েছেন। তারপর আমরা কাজ শুরু করেছি।

ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখে নির্মাণাধিন ভবনের সিঁড়ি ঢালাই করার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন নির্মাণ কাজের তদারকির দায়ীক্তে থাকা উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারি প্রকৌশলী মো. নাঈমুর রহমান। তিনি বলেন, উপজেলায় তিনি একা। তার কোন ওয়ার্ক এ্যসিন্টে নেই তাই কাজের ব্যস্ততায় ওখানে যাওয়া হয়নি। তাই ভিডিও কলের মাধ্যমে দেখে অনুমতি দিয়েছেন। তবে ৪০টা খোয়া, ২৪টা বালু এক বস্তা সিমেন্টের সাথে মিসানোর কথা জানালে তিনি বলেন, এরকম কাজ করে থাকলে সে কাজ ভেঙে আবার পুনরায় করা হবে।

উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের আগের তিন কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবনের ছাদ সহ দুই তলা নির্মাণ। উক্ত ভবনের সাথেই এক কক্ষ ও এক টয়লেট বিশিষ্ট দুই তলা ভবন নির্মাণ কাজেরে জন্য এক কোটি দুই লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কাজটি চলমাণ রয়েছে। কাজটি করছেন রাজবাড়ীর মো. খলিলুর রহমান নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।