ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

বোয়ালমারীতে অটিজম চিকিৎসায় সাড়া ফেলেছেন ডা.আবু মুছা খান

এমএম জামান,বোয়ালমারী (ফরিদপুর):
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ৬৪ বার পঠিত

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে শিশুদের অটিজম চিকিৎসায় অনন্য সফলতা অর্জন করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন খ্যাতিমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডা.আবু মুছা খান।

জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় তার কার্যকর ভূমিকা ও সুচিকিৎসার সুবাদে আজ শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী সেবা নিতে তার কাছে ছুটে আসছেন। এছাড়া অনলাইনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রোগীদের নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন তিনি এবং কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে পৌঁছে যাচ্ছে তার প্রস্তুতকৃত ওষুধ।

শিশুদের নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার, ডাউন সিন্ড্রোমসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা প্রদান করে আসছেন তিনি,ফলে তার আধুনিক ও ক্লাসিক্যাল চিকিৎসায় অনেক রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।

শুধু রোগীদের সেবা দেওয়াই নয়, হোমিওপ্যাথি শিক্ষার প্রসার ও নতুন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরিতেও অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন এই গুণী চিকিৎসক। তিনি দুটি হোমিওপ্যাথিক কলেজ প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বোয়ালমারী উপজেলার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সংগঠনের (DHMS) সভাপতি হিসেবে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থেকে আসা করিমুল ইসলাম তাঁর ছেলের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আমার ছেলে আগে একেবারেই কথা বলতে পারত না। ডাক্তার স্যারের চিকিৎসা সেবা শুরু করার পর থেকে আমার ছেলে এখন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছে। আশা করি খুব দ্রুতই সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে।”
মেয়ের চিকিৎসা সেবা নিতে আসা ফাতেমা বেগম বলেন, “আমার মেয়ে জন্মগতভাবে হাঁটতে পারত না। কিন্তু ডা. আবু মুছা খানের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ ও নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ করার পর আমার মেয়ে এখন নিজে নিজেই হাঁটতে পারছে।”
ব্যাসপুর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রুমানা বেগম বলেন, “আমি দীর্ঘদিন যাবৎ পাইলসের মারাত্মক ব্যথায় ভুগছিলাম। অনেক নামীদামি ওষুধ সেবনের পরও কোনো প্রতিকার পাচ্ছিলাম না। পরবর্তীতে স্যারকে দেখিয়ে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে আমি স্থায়ীভাবে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হয়েছি।”
এই বিষয়ে ডা. আবু মুছা খান বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমতে শিশুদের অটিজম চিকিৎসায় আমি বিশেষ সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন মানুষ আশার আলো নিয়ে আমার কাছে আসেন। এছাড়া প্রবাসীরাও অনলাইনে যোগাযোগ করে এই হোমিওপ্যাথিক সেবা নিচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, “টাকার অভাবে আমার চেম্বার থেকে কোনো রোগী কখনো খালি হাতে ফিরে যায়নি। যে যা সাধ্যমতো ফি দেয়, আমি তাতেই সন্তুষ্ট থাকি। অর্থ উপার্জন নয়, বরং সঠিক চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে একজন মানুষকে সুস্থ করে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য ও জীবনের পরম ব্রত।”

বোয়ালমারীতে অটিজম চিকিৎসায় সাড়া ফেলেছেন ডা.আবু মুছা খান

আপডেট সময় : ০৬:৫২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে শিশুদের অটিজম চিকিৎসায় অনন্য সফলতা অর্জন করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন খ্যাতিমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডা.আবু মুছা খান।

জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় তার কার্যকর ভূমিকা ও সুচিকিৎসার সুবাদে আজ শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী সেবা নিতে তার কাছে ছুটে আসছেন। এছাড়া অনলাইনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রোগীদের নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন তিনি এবং কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে পৌঁছে যাচ্ছে তার প্রস্তুতকৃত ওষুধ।

শিশুদের নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার, ডাউন সিন্ড্রোমসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা প্রদান করে আসছেন তিনি,ফলে তার আধুনিক ও ক্লাসিক্যাল চিকিৎসায় অনেক রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।

শুধু রোগীদের সেবা দেওয়াই নয়, হোমিওপ্যাথি শিক্ষার প্রসার ও নতুন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরিতেও অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন এই গুণী চিকিৎসক। তিনি দুটি হোমিওপ্যাথিক কলেজ প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বোয়ালমারী উপজেলার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সংগঠনের (DHMS) সভাপতি হিসেবে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থেকে আসা করিমুল ইসলাম তাঁর ছেলের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আমার ছেলে আগে একেবারেই কথা বলতে পারত না। ডাক্তার স্যারের চিকিৎসা সেবা শুরু করার পর থেকে আমার ছেলে এখন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছে। আশা করি খুব দ্রুতই সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে।”
মেয়ের চিকিৎসা সেবা নিতে আসা ফাতেমা বেগম বলেন, “আমার মেয়ে জন্মগতভাবে হাঁটতে পারত না। কিন্তু ডা. আবু মুছা খানের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ ও নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ করার পর আমার মেয়ে এখন নিজে নিজেই হাঁটতে পারছে।”
ব্যাসপুর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রুমানা বেগম বলেন, “আমি দীর্ঘদিন যাবৎ পাইলসের মারাত্মক ব্যথায় ভুগছিলাম। অনেক নামীদামি ওষুধ সেবনের পরও কোনো প্রতিকার পাচ্ছিলাম না। পরবর্তীতে স্যারকে দেখিয়ে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে আমি স্থায়ীভাবে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হয়েছি।”
এই বিষয়ে ডা. আবু মুছা খান বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমতে শিশুদের অটিজম চিকিৎসায় আমি বিশেষ সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন মানুষ আশার আলো নিয়ে আমার কাছে আসেন। এছাড়া প্রবাসীরাও অনলাইনে যোগাযোগ করে এই হোমিওপ্যাথিক সেবা নিচ্ছেন।”
তিনি আরও বলেন, “টাকার অভাবে আমার চেম্বার থেকে কোনো রোগী কখনো খালি হাতে ফিরে যায়নি। যে যা সাধ্যমতো ফি দেয়, আমি তাতেই সন্তুষ্ট থাকি। অর্থ উপার্জন নয়, বরং সঠিক চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে একজন মানুষকে সুস্থ করে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য ও জীবনের পরম ব্রত।”