ফরিদপুরে ‘বন্ধ’ পাম্পে তেলের পাহাড়,জরিমানা ৫০ হাজার
- আপডেট সময় : ১০:০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬ ৯৭ বার পঠিত

ফরিদপুরে ‘বন্ধ’ সাইনবোর্ড টানানো একটি পেট্রোল পাম্পে প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেলের মজুত উদ্ঘাটিত হয়েছে। ঘটনাটিকে গুরুতর অনিয়ম হিসেবে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ফরিদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের পাশের কানাইপুর বাজারে অবস্থিত হোসেন ফিলিং স্টেশন দীর্ঘ সময় ধরে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রেখেছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়।অভিযানকালে পাম্পটি বন্ধ পাওয়া গেলেও ভেতরে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায় প্রায় ৭ হাজার লিটার পেট্রোল, ৬ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন এবং ১৪ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল—মোট প্রায় ২৮ হাজার লিটার জ্বালানি।
এ ঘটনায় পাম্পটির ম্যানেজার সাবির চৌধুরীর বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি, তাৎক্ষণিকভাবে পাম্পটি খুলে জনসাধারণের জন্য জ্বালানি সরবরাহ চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে পাম্প কর্তৃপক্ষ নিজেদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে।
এদিকে একই এলাকায় অবস্থিত রয়েল ফিলিং স্টেশনেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে দেখা যায়,ভোক্তাদের কেবল ডিজেল সরবরাহ করা হলেও পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।
যাচাই-বাছাইয়ে পাম্পটিতে ৩ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল, ৩ হাজার ৪০০ লিটার অকটেন এবং ১৯ হাজার লিটার ডিজেল মজুত পাওয়া যায়। পাম্প কর্তৃপক্ষ যান্ত্রিক ত্রুটির কথা উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করলে তাৎক্ষণিকভাবে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি পুনরায় চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।
ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম, দীপ্ত চক্রবর্তী এবং সাকিব রহমান আকাশ।
অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই অভিযানে কানাইপুর বাজারের দুলাল কুন্ডুর দোকান, গুদাম ও বাসভবনে তল্লাশি চালানো হলেও সেখানে অবৈধভাবে পেট্রোল বা অকটেন মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে দোকানে অনুমোদিত সীমার মধ্যে ডিজেল সংরক্ষিত ছিল।




















