ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

পাংশায় ভিজিএফ এর চাল বিতরনে অনিয়ম

মো: শামীম হোসেন- পাংশা (রাজবাড়ী):
  • আপডেট সময় : ১১:০১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫ ১৫২ বার পঠিত

রাজবাড়ীর পাংশায় ভিজিএফ এর চাউল বিতরণে অজনে কম দেওয়া ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের ভিজিএফ এর চাউল বিতরণে এ অভিযোগ উঠেছে। পবিত্র ঈদুল-ফিতর ২০২৫ উপলক্ষে দুঃস্থ, অসহায় ও অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণ করা ভিজিএফ এর চাউল বিতরণে এ অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২২মার্চ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলিমহর ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফ এর চাউল বিতরণ চলমান রয়েছে। পায়ের উপর পা তুলে বসে আছেন ট্যাগ অফিসার। উপকারভোগীদের বালতি ভরে চাউল দেওয়া হচ্ছে। সেখানে চাউল পরিমাপের কোন যন্ত্র নেই।

এ সময় স্থানীয়রা বলেন,১০ কেজি করে চাউল দেওয়ার কথা। কিন্তু সাড়ে ৮ কেজি থেকে ৯ কেজি করে চাউল দেওয়া হচ্ছে। কিছু ব্যাক্তি ৩০-৪০ কেজি করে চাউল নিয়ে যাচ্ছে। এতে চাউল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে ইউনিয়নের অনেক দুঃস্থ, অসহায়, অতিদরিদ্র পরিবার।

ইউনিয়নের সাজুরিয়া গ্রামের বিধবা জোহুরা বেগম বলেন,আমার স্বামী নাই। আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ। আমি চালের কার্ড পাইনি। অথচ অনেক মানুষ ৩-৪টা করে কার্ডের চাল নিয়ে যাচ্ছে।

ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা গ্রামের আহাদ আলী বলেন, তিন কার্ডের চাল পাইছি। দেওয়ার কথা ৩০ কেজি। চাল দেছে ২৭ কেজি।

সাজুরিয়া গ্রামের জোছনা বেগম বলেন,আমি দুই কার্ডের চাল নিছি। পরিষদের বাইরে এনে মেপে দেখি সাড়ে ৮ কেজি করে চাল।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রসাশনিক কর্তকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বলেন,আমাদের ইউনিয়নের ১৪০৩ জন উপকারভোগী পরিবার এই চাউল পাবেন। তারাহুরো করতে গিয়ে ২-১শত গ্রাম কম হতে পারে।

ট্যাগ অফিসার উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হজরত আলী খান বলেন,বালতি ভরে ১০ কেজি করে চাউল দেওয়া হচ্ছে। এখানে মিটার নেই। কেউ যদি চ্যালেঞ্চ করে মিটার এনে মেপে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোছা: বিলকিস বানু বলেন,আমি তিন দিন ধরে অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে কুষ্টিয়াতে আছি। তবে চাউল বিতরণের বিষয়টি আমি জানি। এটি গড়িব মানুষের চাউল। আমি কম দিতে নিষেধ করেছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম আবু দারদা বলেন,বিষয়টি জানতে পেরে আমি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম। সঠিক নিয়ম মেনে চাউল বিতরণের নির্দশনা দিয়েছি। ভবিষ্যতে এমন হলে প্রয়োজনীয় আইনানক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পাংশায় ভিজিএফ এর চাল বিতরনে অনিয়ম

আপডেট সময় : ১১:০১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

রাজবাড়ীর পাংশায় ভিজিএফ এর চাউল বিতরণে অজনে কম দেওয়া ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের ভিজিএফ এর চাউল বিতরণে এ অভিযোগ উঠেছে। পবিত্র ঈদুল-ফিতর ২০২৫ উপলক্ষে দুঃস্থ, অসহায় ও অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণ করা ভিজিএফ এর চাউল বিতরণে এ অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২২মার্চ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলিমহর ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফ এর চাউল বিতরণ চলমান রয়েছে। পায়ের উপর পা তুলে বসে আছেন ট্যাগ অফিসার। উপকারভোগীদের বালতি ভরে চাউল দেওয়া হচ্ছে। সেখানে চাউল পরিমাপের কোন যন্ত্র নেই।

এ সময় স্থানীয়রা বলেন,১০ কেজি করে চাউল দেওয়ার কথা। কিন্তু সাড়ে ৮ কেজি থেকে ৯ কেজি করে চাউল দেওয়া হচ্ছে। কিছু ব্যাক্তি ৩০-৪০ কেজি করে চাউল নিয়ে যাচ্ছে। এতে চাউল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে ইউনিয়নের অনেক দুঃস্থ, অসহায়, অতিদরিদ্র পরিবার।

ইউনিয়নের সাজুরিয়া গ্রামের বিধবা জোহুরা বেগম বলেন,আমার স্বামী নাই। আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ। আমি চালের কার্ড পাইনি। অথচ অনেক মানুষ ৩-৪টা করে কার্ডের চাল নিয়ে যাচ্ছে।

ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা গ্রামের আহাদ আলী বলেন, তিন কার্ডের চাল পাইছি। দেওয়ার কথা ৩০ কেজি। চাল দেছে ২৭ কেজি।

সাজুরিয়া গ্রামের জোছনা বেগম বলেন,আমি দুই কার্ডের চাল নিছি। পরিষদের বাইরে এনে মেপে দেখি সাড়ে ৮ কেজি করে চাল।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রসাশনিক কর্তকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বলেন,আমাদের ইউনিয়নের ১৪০৩ জন উপকারভোগী পরিবার এই চাউল পাবেন। তারাহুরো করতে গিয়ে ২-১শত গ্রাম কম হতে পারে।

ট্যাগ অফিসার উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হজরত আলী খান বলেন,বালতি ভরে ১০ কেজি করে চাউল দেওয়া হচ্ছে। এখানে মিটার নেই। কেউ যদি চ্যালেঞ্চ করে মিটার এনে মেপে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোছা: বিলকিস বানু বলেন,আমি তিন দিন ধরে অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে কুষ্টিয়াতে আছি। তবে চাউল বিতরণের বিষয়টি আমি জানি। এটি গড়িব মানুষের চাউল। আমি কম দিতে নিষেধ করেছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস.এম আবু দারদা বলেন,বিষয়টি জানতে পেরে আমি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম। সঠিক নিয়ম মেনে চাউল বিতরণের নির্দশনা দিয়েছি। ভবিষ্যতে এমন হলে প্রয়োজনীয় আইনানক ব্যবস্থা নেয়া হবে।