ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

তাহিরপুর নতুন বাজারে জমজমাট শিলং-তীর নামে জুয়ার আসর

মুরাদ মিয়া-সুনামগঞ্জ:
  • আপডেট সময় : ০৩:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩২১ বার পঠিত

তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের নতুন বাজার মাছের আরদে প্রকার্শ্য দিবালোকে বসছে শিলং তীর নামক ডিজিটাল জুয়া খেলার জমজমাট আসর।কয়েক মাস ধরে স্হানীয় কতিপয় বালিয়াঘাটা গ্রামের কুদ্দুসের ছেলে শিলং তীর খেলার মূলহেতা ও এজেন্ট নবির মিয়া(৩২)।দুলাল মিয়ার ছেলে, চানমিয়া(৩০) তেলিগাঁও মৃত,গরিন্ড পালের ছেলে,রিপন পাল,(৪৫)।

প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসন কে বৃদ্ধাঙ্গালি দেখিয়ে এই ৩ জুয়াড়ির নিয়ন্ত্রণে এসব জুয়ার আসর বসছে।ফলে এদের পাতানো জুয়া খেলায় প্রতিদিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।টাকা কড়ি হারিয়ে চুরি,ডাকাতি,ছিনতাই রাহাজানিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে।

স্হানীয় সূত্রে জানাযায়,ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ের উদ্ভাবিত নাম্বার টোকেনের এই খেলায় ১০টাকায় ৭০০টাকা পাওয়ার আসায়।বাজারে আসা যুবক,ব্যবসায়ী,শ্রমিক,ও স্কুল কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজন এ ডিজিটাল জুয়ায় আসক্ত হচ্ছেন।স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ৩ জুয়াড়ি ব্যক্তির ছত্রছায়ায় বাজারে চলমান জুয়ার আসরে লাখ, লাখ,টাকা বাজি ধরে খেলে প্রতিনিয়ত জুয়াড়িদের কাছে প্রতারিত হাজার হাজার লোক।

এই ডিজিটাল জুয়া খেলে পেশাদার জুয়াড়িরাও হচ্ছেন প্রতারিত ও নিঃস্ব।জুয়ার টাকা সংগ্রহ করতে আশেপাশে এলাকায় চুরি-ডাকাতি,প্রবণতা আশংকা জনক ভাবে দিন দিন বাড়ছে।নাম্বার টোকোনের এই খেলায় ১০টাকায় ৭০০টাকা,১০০টাকায়,৭ হাজার টাকা পাওয়ার লোভ সংবরণ করতে না পেরে সাধারণ লোকজন জুয়ার প্রতি বেপরোয়া ভাবে আসক্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

নতুন বাজার শিলং তীর খেলার মূলহোতা নবির মিয়া,ও এজেন্ট চান মিয়ার,মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও,ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

ফলে এ নিয়ে সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ও অসন্ত্তোষ।সমাজের অবক্ষয়রোধে ডিজিটাল এ জুয়া খেলা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন,স্হানীয় সুশীল সমাজ ও এলাকাবাসী।

তাহিরপুর নতুন বাজারে জমজমাট শিলং-তীর নামে জুয়ার আসর

আপডেট সময় : ০৩:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের নতুন বাজার মাছের আরদে প্রকার্শ্য দিবালোকে বসছে শিলং তীর নামক ডিজিটাল জুয়া খেলার জমজমাট আসর।কয়েক মাস ধরে স্হানীয় কতিপয় বালিয়াঘাটা গ্রামের কুদ্দুসের ছেলে শিলং তীর খেলার মূলহেতা ও এজেন্ট নবির মিয়া(৩২)।দুলাল মিয়ার ছেলে, চানমিয়া(৩০) তেলিগাঁও মৃত,গরিন্ড পালের ছেলে,রিপন পাল,(৪৫)।

প্রভাবশালী হওয়ায় প্রশাসন কে বৃদ্ধাঙ্গালি দেখিয়ে এই ৩ জুয়াড়ির নিয়ন্ত্রণে এসব জুয়ার আসর বসছে।ফলে এদের পাতানো জুয়া খেলায় প্রতিদিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।টাকা কড়ি হারিয়ে চুরি,ডাকাতি,ছিনতাই রাহাজানিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে।

স্হানীয় সূত্রে জানাযায়,ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ের উদ্ভাবিত নাম্বার টোকেনের এই খেলায় ১০টাকায় ৭০০টাকা পাওয়ার আসায়।বাজারে আসা যুবক,ব্যবসায়ী,শ্রমিক,ও স্কুল কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজন এ ডিজিটাল জুয়ায় আসক্ত হচ্ছেন।স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ৩ জুয়াড়ি ব্যক্তির ছত্রছায়ায় বাজারে চলমান জুয়ার আসরে লাখ, লাখ,টাকা বাজি ধরে খেলে প্রতিনিয়ত জুয়াড়িদের কাছে প্রতারিত হাজার হাজার লোক।

এই ডিজিটাল জুয়া খেলে পেশাদার জুয়াড়িরাও হচ্ছেন প্রতারিত ও নিঃস্ব।জুয়ার টাকা সংগ্রহ করতে আশেপাশে এলাকায় চুরি-ডাকাতি,প্রবণতা আশংকা জনক ভাবে দিন দিন বাড়ছে।নাম্বার টোকোনের এই খেলায় ১০টাকায় ৭০০টাকা,১০০টাকায়,৭ হাজার টাকা পাওয়ার লোভ সংবরণ করতে না পেরে সাধারণ লোকজন জুয়ার প্রতি বেপরোয়া ভাবে আসক্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

নতুন বাজার শিলং তীর খেলার মূলহোতা নবির মিয়া,ও এজেন্ট চান মিয়ার,মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও,ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

ফলে এ নিয়ে সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ও অসন্ত্তোষ।সমাজের অবক্ষয়রোধে ডিজিটাল এ জুয়া খেলা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন,স্হানীয় সুশীল সমাজ ও এলাকাবাসী।