ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’, কারাগারেই থাকতে হচ্ছে সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীকে দৌলতদিয়ায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে চুরি, খোয়া গেল চারটি মাইকের হর্ন আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ- শতাধিক কারখানা বন্ধ দৌলতপুরের পল্লী উন্নয়নের উদ্যোগে এমপি বাচ্চু মোল্লাকে সংবর্ধনা সালথায় জমির সীমানায় বেড়া দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১৫ বাড়ি ভাঙচুর পঞ্চগড়ে বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ারিশ সনদ নিয়ে বিরোধ গভীর রাতে রান্নাঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ ২০ বছর পূর্তিতে সালথার নটখোলায় বিশাল ওয়াজ মাহফিল ,হাজারো মানুষের ঢল’ রাজবাড়ীতে স্বামীর অর্থ আত্মসাতের মামলায় নার্স স্ত্রী কারাগারে বাগালির ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: দিন-রাত গণসংযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ইমরান হোসেন

গাইবান্ধায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো চিমনি

মোঃ আবু জাফর মন্ডল,গাইবান্ধা:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ৮৩ বার পঠিত

পরিবেশ দূষণ রোধ,কৃষিজমি সুরক্ষা এবং অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন। জেলার বিভিন্ন স্থানে লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় পরিবেশগত অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,জেলার বিভিন্ন এলাকায় বৈধ ছাড়পত্র ও পরিবেশগত অনুমোদন ছাড়াই বেশ কিছু ইটভাটা পরিচালিত হয়ে আসছিল। এসব ইটভাটা আবাসিক এলাকা ও ফসলি জমির আশপাশে গড়ে ওঠায় পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি কৃষিজমির ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছিল।

অভিযানে জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সমন্বয়ে যৌথ দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় স্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে অবৈধ ইটভাটার চিমনি ও কিলন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভাটায় মজুত ও প্রস্তুত করা কাঁচা-পাকা ইটও ধ্বংস করা হয়।

অভিযানকালে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুযায়ী কয়েকটি ইটভাটার মালিককে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কয়েকটি অবৈধ ইটভাটা স্থায়ীভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে জেলা প্রশাসক বলেন, “পরিবেশ রক্ষা এবং কৃষিজমি বাঁচানো আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। লাইসেন্সবিহীন ও নিয়মবহির্ভূতভাবে গড়ে ওঠা কোনো অবৈধ ইটভাটা গাইবান্ধায় চলতে দেওয়া হবে না। পরিবেশ দূষণকারী এসব ভাটার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে আবাসিক এলাকা ও ফসলি জমির আশপাশে ইটভাটা পরিচালনার কারণে ধোঁয়া, কালো ধোঁয়া ও ধুলাবালিতে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে এমন অভিযান পরিচালিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও তদারকি অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

ট্যাগস :

গাইবান্ধায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো চিমনি

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

পরিবেশ দূষণ রোধ,কৃষিজমি সুরক্ষা এবং অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন। জেলার বিভিন্ন স্থানে লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় পরিবেশগত অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,জেলার বিভিন্ন এলাকায় বৈধ ছাড়পত্র ও পরিবেশগত অনুমোদন ছাড়াই বেশ কিছু ইটভাটা পরিচালিত হয়ে আসছিল। এসব ইটভাটা আবাসিক এলাকা ও ফসলি জমির আশপাশে গড়ে ওঠায় পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি কৃষিজমির ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছিল।

অভিযানে জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সমন্বয়ে যৌথ দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় স্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে অবৈধ ইটভাটার চিমনি ও কিলন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভাটায় মজুত ও প্রস্তুত করা কাঁচা-পাকা ইটও ধ্বংস করা হয়।

অভিযানকালে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুযায়ী কয়েকটি ইটভাটার মালিককে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কয়েকটি অবৈধ ইটভাটা স্থায়ীভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে জেলা প্রশাসক বলেন, “পরিবেশ রক্ষা এবং কৃষিজমি বাঁচানো আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। লাইসেন্সবিহীন ও নিয়মবহির্ভূতভাবে গড়ে ওঠা কোনো অবৈধ ইটভাটা গাইবান্ধায় চলতে দেওয়া হবে না। পরিবেশ দূষণকারী এসব ভাটার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে আবাসিক এলাকা ও ফসলি জমির আশপাশে ইটভাটা পরিচালনার কারণে ধোঁয়া, কালো ধোঁয়া ও ধুলাবালিতে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে এমন অভিযান পরিচালিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও তদারকি অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।