ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আলফাডাঙ্গায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু নাগেশ্বরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের মৃত্যু রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ফরিদপুর‌ পৌরসভার ‌ সাবেক ১ নং ‌ প্যানেল মেয়র মনিরুল ইসলাম মনির গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ার সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুননবী বাবু সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার দৌলতদিয়ায় পার্কিং করা যাত্রীবাহি বাসে আগুন  নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১জন আসামি গ্রেপ্তার খালের ইজারা বাতিল ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তের দাবিতে দেবহাটায় মানববন্ধন নওগাঁয় ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী নি-হ-ত

আত্রাইয়ে বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউমানিটি ইনস্টিটিউট জাতীয়করণের দাবিতে স্মারক লিপি প্রদাণ

আব্দুল মজিদ মল্লিক,আত্রাই (নওগাঁ):
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ১০৫ বার পঠিত

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পতিসরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইন্সটিটিউট এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ২০২৫ উদযাপনের পর মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।

স্মারক লিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান, ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল ডক্টর জিললুর রহমান বিপ্লব, মোহাম্মদ ইমতিয়াজ ডেপুটি ডাইরেক্টর, মোঃ ফারুক হোসেন অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্টার, মোঃ রহমত আলী এ্যডমিন, মোসা পপি খাতুন এ্যডমিন, মোসা মিনু আক্তার নিম্নমান সহকারি,
আবুল হাসান সহকারী ক্যাম্পাস সুপারভাইজার মাবিয়া মায়া প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউমানিটি ইনস্টিটিউটকে জাতীয়করণ এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে একীভূতকরণ সহ উল্লেখ্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউমানিটি ইনস্টিটিউট ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও নিয়মিতভাবে “দ্রোহী জার্নাল” প্রকাশসহ শিক্ষা, গবেষণা ও মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মোট ৩০টি বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট) চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে প্রতিটি বিভাগের জন্য পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। যুগোপযোগী শিক্ষা প্রদান এবং গবেষণা ও প্রকাশনার মাধ্যমে দেশ ও মানবতার কল্যাণে অবদান রাখাই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
উল্লেখযোগ্য যে, প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে নিজস্ব অবকাঠামো ও ক্যাম্পাস, যা আগামী কমপক্ষে পাঁচ বছর পর্যন্ত কোনো অতিরিক্ত ভবন নির্মাণ বা ক্যাম্পাস উন্নয়নের প্রয়োজন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযোগী। ফলে এ সময়কালে সরকারের কোনো অতিরিক্ত অবকাঠামোগত ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।
প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জাতীয়করণ এবং পরিবহন সুবিধা ও সরকারিভাবে বেতন প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ ও অন্যদিকে মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রও উপকৃত হবে বলে উল্লেখ্য করা হয়েছে।#

আত্রাইয়ে বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউমানিটি ইনস্টিটিউট জাতীয়করণের দাবিতে স্মারক লিপি প্রদাণ

আপডেট সময় : ০৬:৪২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পতিসরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইন্সটিটিউট এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ২০২৫ উদযাপনের পর মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।

স্মারক লিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান, ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল ডক্টর জিললুর রহমান বিপ্লব, মোহাম্মদ ইমতিয়াজ ডেপুটি ডাইরেক্টর, মোঃ ফারুক হোসেন অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্টার, মোঃ রহমত আলী এ্যডমিন, মোসা পপি খাতুন এ্যডমিন, মোসা মিনু আক্তার নিম্নমান সহকারি,
আবুল হাসান সহকারী ক্যাম্পাস সুপারভাইজার মাবিয়া মায়া প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউমানিটি ইনস্টিটিউটকে জাতীয়করণ এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে একীভূতকরণ সহ উল্লেখ্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউমানিটি ইনস্টিটিউট ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও নিয়মিতভাবে “দ্রোহী জার্নাল” প্রকাশসহ শিক্ষা, গবেষণা ও মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মোট ৩০টি বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট) চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে প্রতিটি বিভাগের জন্য পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। যুগোপযোগী শিক্ষা প্রদান এবং গবেষণা ও প্রকাশনার মাধ্যমে দেশ ও মানবতার কল্যাণে অবদান রাখাই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
উল্লেখযোগ্য যে, প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে নিজস্ব অবকাঠামো ও ক্যাম্পাস, যা আগামী কমপক্ষে পাঁচ বছর পর্যন্ত কোনো অতিরিক্ত ভবন নির্মাণ বা ক্যাম্পাস উন্নয়নের প্রয়োজন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযোগী। ফলে এ সময়কালে সরকারের কোনো অতিরিক্ত অবকাঠামোগত ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।
প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জাতীয়করণ এবং পরিবহন সুবিধা ও সরকারিভাবে বেতন প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ ও অন্যদিকে মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রও উপকৃত হবে বলে উল্লেখ্য করা হয়েছে।#